বাগেরহাট-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন মিলন
jugantor
বাগেরহাট-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন মিলন

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:৫১:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাট-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন মিলন

বাগেরহাট-৪ আসন থেকেউপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।

মিলন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৭ বছর মোরেলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ১৫ বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

মিলন ১৯৫৩ সালে ২২ জানুয়ারি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এসএম কলেজ থেকে সাফল্যের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

তিনি কলেজজীবন থেকে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন এবং তার রয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন।

আশির দশকের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মধ্যে যে কয়জন আজও রাজনৈতিক ময়দানে সক্রিয় অবদান রাখছেন মিলন তাদের মধ্যে অন্যতম।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি থাকাকালে, ১৯৮৪ কোর্ট মার্শালে মিথ্যা মামলায় এবং ১৯৮৮ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে তাকে জীবন বীমা কর্পোরেশনের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করেন।

২০১৬ ও ২০১৯ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নির্বাচিত করেছেন, যা মোরেলগঞ্জ-শরণখোলাবাসীর কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।

বাগেরহাট-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন মিলন

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:৫১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট-৪ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন মিলন
অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন। ছবি: যুগান্তর

বাগেরহাট-৪ আসন থেকে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।

মিলন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৭ বছর মোরেলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ১৫ বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

মিলন ১৯৫৩ সালে ২২ জানুয়ারি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এসএম কলেজ থেকে সাফল্যের সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

তিনি কলেজজীবন থেকে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন এবং তার রয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন।

আশির দশকের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মধ্যে যে কয়জন আজও রাজনৈতিক ময়দানে সক্রিয় অবদান রাখছেন মিলন তাদের মধ্যে অন্যতম।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি থাকাকালে, ১৯৮৪ কোর্ট মার্শালে মিথ্যা মামলায় এবং ১৯৮৮ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে তাকে জীবন বীমা কর্পোরেশনের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করেন।

২০১৬ ও ২০১৯ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নির্বাচিত করেছেন, যা মোরেলগঞ্জ-শরণখোলাবাসীর কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর