চোখ খুলে তাকাচ্ছেন আল্লামা শফী
jugantor
চোখ খুলে তাকাচ্ছেন আল্লামা শফী

  হাটহাজারী প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২০, ১১:১২:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

চোখ খুলে তাকাচ্ছেন আল্লামা শফী

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও আল-জামিআতুল দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চোখ খুলে তাকাচ্ছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক ও আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী যুগান্তকে বলেন, বাবার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বার্ধক্যজনিত নানান অসুস্থতায় তার পালস কমে গিয়েছিল। এখন পালস স্বাভাবিক। তিনি সবার দোয়া প্রার্থী।
তিনি জানান, রোববার বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ভর্তি করা হয়। সোমবার সকালে ৭ সদস্যর মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বাবা চোখ খুলে তাকাচ্ছেন। আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। এখনও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন।
রোববার রাত সোয়া ৮টায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের আইসিইউতে তাকে ভর্তি করানো হয় আল্লামা শফিকে। রোববার সন্ধ্যায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৮৬ এর নিচে নেমে আসে। ফলে আল্লামা শফীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, তবে সোমবার সকাল থেকে তার শ্বাসকষ্ট কমে আসে।
চমেক হাসপাতালের আইসিইউর সহযোগী অধ্যাপক হারুনুর রশিদ জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আল্লামা শফীর জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফেরার পর তিনি প্রথমে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য দোয়া করেন। তাদেরকেও তিনি তার জন্য দোয়া করতে বলেন।
সোমবার দুপুর ১২টায় চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান রঞ্জন কুমার নাথ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান সুজত পালের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। বোর্ডের পরামর্শে আল্লামা শফীর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়, কিন্তু তাতে খারাপ কিছু আসেনি।
জানা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০৩ বছর বয়সী আল্লামা শফী ৮ ধরনের রোগে ভুগছেন। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ৭ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে।
আল্লামা শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধ্যকজনিত নানা রোগে ভুগছেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনি ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাদ্রাসায় ফেরেন। এর পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন।
রোববার সন্ধ্যার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ১০ দিন চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় ফিরে যান হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

চোখ খুলে তাকাচ্ছেন আল্লামা শফী

 হাটহাজারী প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২০, ১১:১২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চোখ খুলে তাকাচ্ছেন আল্লামা শফী
আল্লামা শফী। ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও আল-জামিআতুল দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চোখ খুলে তাকাচ্ছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক ও আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী যুগান্তকে বলেন, বাবার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বার্ধক্যজনিত নানান অসুস্থতায় তার পালস কমে গিয়েছিল। এখন পালস স্বাভাবিক। তিনি সবার দোয়া প্রার্থী।
তিনি জানান, রোববার বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ভর্তি করা হয়। সোমবার সকালে ৭ সদস্যর মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে বাবা চোখ খুলে তাকাচ্ছেন। আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন। এখনও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন। 
রোববার রাত সোয়া ৮টায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের আইসিইউতে তাকে ভর্তি করানো হয় আল্লামা শফিকে। রোববার সন্ধ্যায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৮৬ এর নিচে নেমে আসে। ফলে আল্লামা শফীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, তবে সোমবার সকাল থেকে তার শ্বাসকষ্ট কমে আসে।
চমেক হাসপাতালের আইসিইউর সহযোগী অধ্যাপক হারুনুর রশিদ জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আল্লামা শফীর জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফেরার পর তিনি প্রথমে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য দোয়া করেন। তাদেরকেও তিনি তার জন্য দোয়া করতে বলেন।
সোমবার দুপুর ১২টায় চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান রঞ্জন কুমার নাথ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান সুজত পালের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। বোর্ডের পরামর্শে আল্লামা শফীর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়, কিন্তু তাতে খারাপ কিছু আসেনি।
জানা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০৩ বছর বয়সী আল্লামা শফী ৮ ধরনের রোগে ভুগছেন। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ৭ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে।
আল্লামা শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধ্যকজনিত নানা রোগে ভুগছেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনি ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিয়ে মাদ্রাসায় ফেরেন। এর পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন।
রোববার সন্ধ্যার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ১০ দিন চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় ফিরে যান হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।