এরশাদের আদর্শে মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করতে হবে: জিএম কাদের
jugantor
এরশাদের আদর্শে মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করতে হবে: জিএম কাদের

  রংপুর ব্যুরো  

১৪ জুলাই ২০২০, ২১:৪০:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ‘পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন এক মহান নেতা। এক বছর আগে তার বিদায়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে জাতীয় পার্টি এখন অনেক সুসংহত এবং ঐক্যবদ্ধ। কোনো অপশক্তি জাতীয় পার্টির এগিয়ে চলা রোধ করতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘এরশাদের রাজনীতি ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। আমরাও পল্লীবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে রাজনীতি এগিয়ে নেব। পল্লীবন্ধুর স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা কাজ করব। যেখানে থাকবে না বেকারত্ব, দুর্নীতি ও বৈষম্য। আমরা সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব।’

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রংপুরের পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে ‘এরশাদের জীবন কর্ম ও রাজনীতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়নের তালিকা তুলে ধরে পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘সারা দেশে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট করে পল্লীবন্ধু দেশকে আধুনিক বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। দুরদর্শী এরশাদ বিকেএসপি প্রতিষ্ঠা করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অসাধারণ অবদান রেখেছেন। পল্লীবন্ধুর হাতে প্রতিষ্ঠিত বিকেএসপি থেকে আজ সাকিব আল হাসানের মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড় পাচ্ছে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, আজকে যে ঢাকা শহরকে এত সুন্দর দেখছেন সেটার রূপকার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। স্কুল-কলেজগুলোকে সরকারিকরণ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদ বোনাস, সারা দেশে বিদ্যুৎসহ সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য এরশাদ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে গেছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতিবাজদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে সরকারকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও এরশাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার আদর্শ নিয়ে নেতাকর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা।

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মীর আবদুস সবুর আসুদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সোলায়মান আলম শেঠ, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, নাজমা আক্তার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, আবদুস সাত্তার, জহিরুল ইসলাম, লিয়াকত আলী খোকা এমপি, ভাইস-চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, যুগ্ম-মহাসচিব ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলা সাধারণ সম্পাদক হাজী আবদুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব, যুগ্ম-দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম, জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সমাধিতে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে এরশাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এতে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রংপুরের পল্লী নিবাসে সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা জানান এরশাদের ছোট ভাই, দলের বর্তমান চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি।

এর আগে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা থেকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্যরা সকালে বিমানযোগে সৈয়দপুরে আসেন। সেখান থেকে গাড়িবহরে করে রংপুরের পল্লী নিবাসে পৌঁছে এরশাদের সমাধির পাশে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন ও সূরা তেলোয়াত করেন।

পরে পার্টির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এরশাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন জানিয়ে এরশাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম-মহাসচিব এসএম ইয়াসির, রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক হাজী আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম শাফী, খতিবার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী, মহানগর জাপার যুগ্ম-সম্পাদক লোকমান হোসেন, মহানগর যুব সংহতির সভাপতি শাহিন হোসেন জাকির প্রমুখ।

এ দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এরশাদ ভক্তরা সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল থেকেই পল্লী নিবাসে ঢাকা থেকে আসা নেতারা ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মীদের সমাগম হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পল্লী নিবাস চত্বরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের জীবনকর্ম ও রাজনৈতিক দর্শন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

এদিকে এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে সকাল থেকেই কোরআন খতম, নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে মাইকের মাধ্যমে কোরআন তেলোয়াত ও তার রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার, দুপুরে অসহায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং বিকালে মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

এরশাদের আদর্শে মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করতে হবে: জিএম কাদের

 রংপুর ব্যুরো 
১৪ জুলাই ২০২০, ০৯:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ‘পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন এক মহান নেতা। এক বছর আগে তার বিদায়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে জাতীয় পার্টি এখন অনেক সুসংহত এবং ঐক্যবদ্ধ। কোনো অপশক্তি জাতীয় পার্টির এগিয়ে চলা রোধ করতে পারবে না।’ 

তিনি বলেন, ‘এরশাদের রাজনীতি ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। আমরাও পল্লীবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে রাজনীতি এগিয়ে নেব। পল্লীবন্ধুর স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা কাজ করব। যেখানে থাকবে না বেকারত্ব, দুর্নীতি ও বৈষম্য। আমরা সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব।’

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রংপুরের পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে ‘এরশাদের জীবন কর্ম ও রাজনীতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়নের তালিকা তুলে ধরে পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘সারা দেশে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট করে পল্লীবন্ধু দেশকে আধুনিক বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। দুরদর্শী এরশাদ বিকেএসপি প্রতিষ্ঠা করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অসাধারণ অবদান রেখেছেন। পল্লীবন্ধুর হাতে প্রতিষ্ঠিত বিকেএসপি থেকে আজ  সাকিব আল হাসানের মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড় পাচ্ছে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, আজকে যে ঢাকা শহরকে এত সুন্দর দেখছেন সেটার রূপকার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। স্কুল-কলেজগুলোকে সরকারিকরণ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদ বোনাস, সারা দেশে বিদ্যুৎসহ সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য এরশাদ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে গেছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতিবাজদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে সরকারকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও এরশাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার আদর্শ নিয়ে নেতাকর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা।

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, মীর আবদুস সবুর আসুদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সোলায়মান আলম শেঠ, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, নাজমা আক্তার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, আবদুস সাত্তার, জহিরুল ইসলাম, লিয়াকত আলী খোকা এমপি, ভাইস-চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, যুগ্ম-মহাসচিব ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলা সাধারণ সম্পাদক হাজী আবদুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব, যুগ্ম-দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম, জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সমাধিতে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে এরশাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এতে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রংপুরের পল্লী নিবাসে সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা জানান এরশাদের ছোট ভাই, দলের বর্তমান চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি।

এর আগে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা থেকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্যরা সকালে বিমানযোগে সৈয়দপুরে আসেন। সেখান থেকে গাড়িবহরে করে রংপুরের পল্লী নিবাসে পৌঁছে এরশাদের সমাধির পাশে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন ও সূরা তেলোয়াত করেন।

পরে পার্টির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এরশাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন জানিয়ে এরশাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম-মহাসচিব এসএম ইয়াসির, রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক হাজী আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম শাফী, খতিবার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী, মহানগর জাপার যুগ্ম-সম্পাদক লোকমান হোসেন, মহানগর যুব সংহতির সভাপতি শাহিন হোসেন জাকির প্রমুখ।

এ দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এরশাদ ভক্তরা সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল থেকেই পল্লী নিবাসে ঢাকা থেকে আসা নেতারা ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মীদের সমাগম হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পল্লী নিবাস চত্বরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের জীবনকর্ম ও রাজনৈতিক দর্শন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ  অংশ নেন।

এদিকে এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে সকাল থেকেই কোরআন খতম, নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে মাইকের মাধ্যমে কোরআন তেলোয়াত ও তার রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার, দুপুরে অসহায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং বিকালে মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।