তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল: হাছান মাহমুদ
jugantor
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল: হাছান মাহমুদ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৬ জুলাই ২০২০, ২২:২০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে এই দিনে গ্রেফতার করা হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায়। পিতার অপরাধে নাবালিকা কন্যাকে গ্রেফতার, স্বামীর অপরাধে অসুস্থ স্ত্রীকে গ্রেফতার—তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এ ধরনের কাজগুলোর যখন কেউ প্রতিবাদ করছিল না, আমাদের আপসহীন জননেত্রী শেখ হাসিনা সেদিন প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে কণ্ঠরোধ করার জন্য, গণতন্ত্রকে বন্দী করার জন্যই সেদিন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৭ সালের এই দিনে শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রকেই বন্দি করা হয়েছিল। সে কারণে ১৬ জুলাই শুধু শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও বন্দি দিবস। 

হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ সেদিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং সেই প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে তারা বাধ্য হয়েছিল, শেখ হাসিনার মুক্তিলাভের মাধ্যমে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ ধস নামানো বিজয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছিল।


তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে, তার এ নেতৃত্বের জন্য বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, পৃথিবীর বরেণ্য নেতারা যখন প্রশংসা করেন, তখনো এক-এগারোর কুশীলবেরা ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টায় লিপ্ত। যখনই দেশে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়, আমরা দেখতে পাই তারা দেশে-বিদেশে সক্রিয় হয়, আবার ছোবল মারার অপচেষ্টা চালায়। তাদের গতিবিধির ওপর সরকারের নজর আছে, সেই সঙ্গে আমাদের দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে যারা গণতন্ত্রের অব্যাহত অভিযাত্রায় বিশ্বাস করে, তাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাই।’

সরকারি কর্মচারীরা রিজেন্ট ও জেকেজির ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের কাছ থেকে কেউ যদি ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়েছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুয়া সার্টিফিকেটধারীদের কখনো সরকার প্রণোদনা দেবে না।
 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল: হাছান মাহমুদ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৬ জুলাই ২০২০, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে এই দিনে গ্রেফতার করা হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায়। পিতার অপরাধে নাবালিকা কন্যাকে গ্রেফতার, স্বামীর অপরাধে অসুস্থ স্ত্রীকে গ্রেফতার—তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এ ধরনের কাজগুলোর যখন কেউ প্রতিবাদ করছিল না, আমাদের আপসহীন জননেত্রী শেখ হাসিনা সেদিন প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে কণ্ঠরোধ করার জন্য, গণতন্ত্রকে বন্দী করার জন্যই সেদিন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৭ সালের এই দিনে শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রকেই বন্দি করা হয়েছিল। সে কারণে ১৬ জুলাই শুধু শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও বন্দি দিবস।

হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ সেদিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং সেই প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে তারা বাধ্য হয়েছিল, শেখ হাসিনার মুক্তিলাভের মাধ্যমে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ ধস নামানো বিজয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছিল।


তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে, তার এ নেতৃত্বের জন্য বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, পৃথিবীর বরেণ্য নেতারা যখন প্রশংসা করেন, তখনো এক-এগারোর কুশীলবেরা ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টায় লিপ্ত। যখনই দেশে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়, আমরা দেখতে পাই তারা দেশে-বিদেশে সক্রিয় হয়, আবার ছোবল মারার অপচেষ্টা চালায়। তাদের গতিবিধির ওপর সরকারের নজর আছে, সেই সঙ্গে আমাদের দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে যারা গণতন্ত্রের অব্যাহত অভিযাত্রায় বিশ্বাস করে, তাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাই।’

সরকারি কর্মচারীরা রিজেন্ট ও জেকেজির ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের কাছ থেকে কেউ যদি ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়েছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুয়া সার্টিফিকেটধারীদের কখনো সরকার প্রণোদনা দেবে না।