স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপদেষ্টা হলেন ২৭ জন
jugantor
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপদেষ্টা হলেন ২৭ জন

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:১৭:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৭ জন উপদেষ্টা ও ৯ জনকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। 

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৭ জন উপদেষ্টা ও ৯ জনকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

এছাড়া সংগঠনটির প্রয়াত কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনকে ‘সম্মানিত সদস্য’ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অনুমোদন দেন। এর আগে গত শনিবার মেয়াদোত্তীর্ণের এক বছর পর সংগঠনটির ১৪৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এদিকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সাবেক নেতারা।

সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় সংগঠনের ২৭ জন উপদেষ্টা হলেন- তাহের পাটোয়ারি, ব্যারিস্টার শফিউল আলম মাহমুদ, শহিদুজ্জামান কাকন, অ্যাডভোকেট জহির রায়হান জসিম, কাজী রহমান মানিক, পারভেজ আল বাকী, নাজমুল হাসান, কামরুজ্জামান বিপ্লব, রফিকুল ইসলাম মাসুম, কাজল আহমেদ জালালী, নজরুল ইসলাম জুয়েল, হাসান মাহমুদ মজুমদার, ড. মিজানুর রহমান মাসুম, রাসেদুল আলম তালুকদার, ইমাম উদ্দিন বাবুল, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মাজহারুল হক সোহাগ, আসকির আলী, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমএ রাজ্জাক সুমন, তোফাজ্জল হোসেন মানিক, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক, ঈসা খাঁ, রোকনুজ্জামান জুয়েল, মনির আলম চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম।

নির্বাহী সদস্যরা হলেন- এসএম জিলানী (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা), ফকরুল ইসলাম রবিন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা), নজরুল ইসলাম (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), গাজী রেজোয়ানুল হোসেন রিয়াজ (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), হাজী হারুনুর রশিদ (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), সাইদুল ইসলাম (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), সাদ মোর্শেদ পাপ্পা সিকদার (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), আব্দুল কাদের ঝিলন (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ও আজিজুর রহমান মুসাব্বির (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না পেয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের ক্ষোভ: এদিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা।

এ নিয়ে রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার বৈঠকও করেছেন তারা। সেখানে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদেরকে না রাখা কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। পরবর্তীতে বৈঠক করে তারা করণীয় নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের অংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

তারা জানান, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের পদ দেয়া হবে- এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। অথচ বাস্তবে তা দেখা যায়নি।

স্বেচ্ছাসেবক দলে যাদেরকে পদ দেয়া হয়েছে ব্যবসায়ী, নিস্ক্রীয় ও বিদেশে থাকা লোকজনও রয়েছেন। অথচ ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি, যা দুঃখজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের সাবেক এক সহসভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ৯ বছর ধরে কোনো সংগঠনে জায়গা হয়নি। ওয়ান ইলেভেনে আমরা রাজপথে ছিলাম, অতীতের সব আন্দোলনে ছিলাম। মামলায় জর্জরিত। অথচ আমাদের মূল্যায়ন করা হল না।

তিনি আরও বলেন, সাবেক নেতাদের বেশিরভাগই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। অথচ আমরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। পরিবারের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারি না। কোনো সংগঠনে পদ থাকলে অন্তত একটা পরিচয় থাকে-তাও নেই।

স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা জানান, আংশিক পূর্নাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা একেবারে নেই তা নয়। তবে প্রত্যাশার তুলনায় কম সংখ্যক নেতাকে পদ দেয়া হয়েছে- তা অস্বীকার করা যাবে না।

আমরা ২৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রদলের সাবেক অনেক নেতাদের নাম ছিল। কিন্তু ঘোষণা করা হয়েছে ১৪৯ সদস্যের আংশিক কমিটি। আশা করছি পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেককেই দেখা যাবে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপদেষ্টা হলেন ২৭ জন

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৭ জন উপদেষ্টা ও ৯ জনকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। 
ফাইল ছবি

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৭ জন উপদেষ্টা ও ৯ জনকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। 

এছাড়া সংগঠনটির প্রয়াত কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনকে ‘সম্মানিত সদস্য’ করা হয়েছে। 

সোমবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অনুমোদন দেন। এর আগে গত শনিবার মেয়াদোত্তীর্ণের এক বছর পর সংগঠনটির ১৪৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। 

এদিকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সাবেক নেতারা।

সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় সংগঠনের ২৭ জন উপদেষ্টা হলেন- তাহের পাটোয়ারি, ব্যারিস্টার শফিউল আলম মাহমুদ, শহিদুজ্জামান কাকন, অ্যাডভোকেট জহির রায়হান জসিম, কাজী রহমান মানিক, পারভেজ আল বাকী, নাজমুল হাসান, কামরুজ্জামান বিপ্লব, রফিকুল ইসলাম মাসুম, কাজল আহমেদ জালালী, নজরুল ইসলাম জুয়েল, হাসান মাহমুদ মজুমদার, ড. মিজানুর রহমান মাসুম, রাসেদুল আলম তালুকদার, ইমাম উদ্দিন বাবুল, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মাজহারুল হক সোহাগ, আসকির আলী, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমএ রাজ্জাক সুমন, তোফাজ্জল হোসেন মানিক, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক, ঈসা খাঁ, রোকনুজ্জামান জুয়েল, মনির আলম চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম।

নির্বাহী সদস্যরা হলেন- এসএম জিলানী (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা), ফকরুল ইসলাম রবিন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা), নজরুল ইসলাম (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), গাজী রেজোয়ানুল হোসেন রিয়াজ (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), হাজী হারুনুর রশিদ (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা), সাইদুল ইসলাম (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), সাদ মোর্শেদ পাপ্পা সিকদার (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), আব্দুল কাদের ঝিলন (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ও আজিজুর রহমান মুসাব্বির (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না পেয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের ক্ষোভ: এদিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা। 

এ নিয়ে রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার বৈঠকও করেছেন তারা। সেখানে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদেরকে না রাখা কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। পরবর্তীতে বৈঠক করে তারা করণীয় নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের অংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। 

তারা জানান, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের পদ দেয়া হবে- এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। অথচ বাস্তবে তা দেখা যায়নি। 

স্বেচ্ছাসেবক দলে যাদেরকে পদ দেয়া হয়েছে ব্যবসায়ী, নিস্ক্রীয় ও বিদেশে থাকা লোকজনও রয়েছেন। অথচ ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি, যা দুঃখজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের সাবেক এক সহসভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ৯ বছর ধরে কোনো সংগঠনে জায়গা হয়নি। ওয়ান ইলেভেনে আমরা রাজপথে ছিলাম, অতীতের সব আন্দোলনে ছিলাম। মামলায় জর্জরিত। অথচ আমাদের মূল্যায়ন করা হল না। 

তিনি আরও বলেন, সাবেক নেতাদের বেশিরভাগই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। অথচ আমরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। পরিবারের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারি না। কোনো সংগঠনে পদ থাকলে অন্তত একটা পরিচয় থাকে-তাও নেই।

স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা জানান, আংশিক পূর্নাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা একেবারে নেই তা নয়। তবে প্রত্যাশার তুলনায় কম সংখ্যক নেতাকে পদ দেয়া হয়েছে- তা অস্বীকার করা যাবে না। 

আমরা ২৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রদলের সাবেক অনেক নেতাদের নাম ছিল। কিন্তু ঘোষণা করা হয়েছে ১৪৯ সদস্যের আংশিক কমিটি। আশা করছি পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেককেই দেখা যাবে।
 

 
আরও খবর