খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের শর্ত শিথিলের দাবি নজরুলের
jugantor
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের শর্ত শিথিলের দাবি নজরুলের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০৮:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের শর্ত শিথিলের দাবি নজরুলের

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়টা শুধু মানবিকই না, এটা নৈতিক এবং জনগণের দাবি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা বাইরে হয়েছে। উনি যাতে বাইরে যেতে পারেন- এ ব্যাপারে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি।

দলের পক্ষ থেকে বলব- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এ নিষেধাজ্ঞাটা শিথিল করা হোক। একান্ত প্রয়োজন হলে চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়া দরকার, উনি যাতে যেতে পারেন।

সোমবার সকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের নেতৃত্বে সম্প্রতি ঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতাদের নিয়ে সেখানে যান তিনি।

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বড় বড় প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে কয়েক হাজার নেতাকর্মীসহ শোডাউন করেন তারা।

করোনা মহামারীর শুরুর পর এরকম নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল এটাই প্রথম। রোববার সাড়ে তিন বছর পর স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৪৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ (আংশিক) কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি।

‘বিএনপি নেতাদের অতিকথনের কারণে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার দাবি উঠতে পারে’- তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা মনে করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এ দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শুধু নয়, তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের নেত্রী।

যে গণতন্ত্র হল স্বাধীনতার মূল চেতনা। অর্থাৎ স্বাধীনতার মূল চেতনার উদ্ধারকারী নেত্রী। এ দেশের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মানুষ খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় অকালে দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করার অধিকার কারও নেই, উচিতও নয়।

তথ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি কিংবা তার কারাবন্দি- এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুকে যুক্ত করা তার ঠিক হবে না। আর এটা অসুস্থতার বিষয়, চিকিৎসার বিষয়, রাজনীতির বিষয় নয়। কাজেই আমাদের রাজনীতির সঙ্গে তার সুচিকিৎসার বিষয়টাকে সম্পৃক্ত করাটা এক ধরনের অপরাজনীতি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, এর আগেও যিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন, এখনও যিনি আছেন তাদের আমরা বলি জিয়া পরিবারের সমালোচনা বিষয়ক মন্ত্রী। কারণ তারা তাদের বিভাগের বিষয়ে যতটুকু কথা বলেন, তার চেয়ে বেশি কথা বলেন শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার বিপক্ষে এবং তারেক রহমানের বিপেক্ষ। মনে হয় যেন এটাই তাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া একটা অন্যায় বিচারে কারারুদ্ধ হয়ে আছেন। তিনি অনেক অসুস্থ- দেশের সবাই তা জানে। তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন এ নিয়ে কারও দ্বন্দ্ব নেই। এই কোভিড চলাকালে যখন বিমান পরিবহন বন্ধ, যখন কেউ কারও সঙ্গে দেখা করতে পারে না- সেরকম সময়ে তাকে তার বাসায় থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ভালো হয়েছে। বাসায় থাকার ফলে অন্তত মানসিক কষ্ট কিছুটা কমেছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের গোলাম সারোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান, ইয়াসীন আলীসহ নতুন কমিটির নেতারা।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না পেয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের ক্ষোভ: স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা। এ নিয়ে রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার বৈঠকও করেছেন তারা।

সেখানে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদের না রাখা কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। পরবর্তীতে বৈঠক করে তারা করণীয় নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা জানান, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের পদ দেয়া হবে-এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছিল।

অথচ বাস্তবে তা দেখা যায়নি। সর্বশেষ স্বেচ্ছাসেবক দলে যাদের পদ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী, নিষ্ক্রিয় ও বিদেশে থাকা লোকজনও রয়েছেন। অথচ ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি, যা দু:খজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের সাবেক এক সহ-সভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ৯ বছর ধরে কোনো সংগঠনে জায়গা হয়নি। ওয়ান ইলেভেনে আমরা রাজপথে ছিলাম, অতীতের সব আন্দোলনে ছিলাম। মামলায় জর্জরিত। অথচ আমাদের মূল্যায়ন করা হল না। তিনি আরও বলেন, সবেক নেতাদের বেশিরভাগই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। অথচ আমরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। পরিবারের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারি না। কোনো সংগঠনে পদ থাকলে অন্তত একটা পরিচয় থাকে, তাও নেই।

স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা জানান, আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা একেবারে নেই তা নয়। তবে প্রত্যাশার তুলনায় কম সংখ্যক নেতাকে পদ দেয়া হয়েছে- তা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা ২৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রদলের সাবেক অনেক নেতার নাম ছিল। কিন্তু ঘোষণা করা হয়েছে ১৪৯ সদস্যের আংশিক কমিটি। তাই অনেকে বাদ পড়েছেন। আশা করছি পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেককেই দেখা যাবে।


খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের শর্ত শিথিলের দাবি নজরুলের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের শর্ত শিথিলের দাবি নজরুলের
ছবি: যুগান্তর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়টা শুধু মানবিকই না, এটা নৈতিক এবং জনগণের দাবি। 

বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা বাইরে হয়েছে। উনি যাতে বাইরে যেতে পারেন- এ ব্যাপারে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। 

দলের পক্ষ থেকে বলব- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এ নিষেধাজ্ঞাটা শিথিল করা হোক। একান্ত প্রয়োজন হলে চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়া দরকার, উনি যাতে যেতে পারেন।

সোমবার সকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের নেতৃত্বে সম্প্রতি ঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতাদের নিয়ে সেখানে যান তিনি। 

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বড় বড় প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে কয়েক হাজার নেতাকর্মীসহ শোডাউন করেন তারা। 

করোনা মহামারীর শুরুর পর এরকম নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল এটাই প্রথম। রোববার সাড়ে তিন বছর পর স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৪৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ (আংশিক) কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি।

‘বিএনপি নেতাদের অতিকথনের কারণে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার দাবি উঠতে পারে’- তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা মনে করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এ দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শুধু নয়, তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের নেত্রী।

যে গণতন্ত্র হল স্বাধীনতার মূল চেতনা। অর্থাৎ স্বাধীনতার মূল চেতনার উদ্ধারকারী নেত্রী। এ দেশের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মানুষ খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় অকালে দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করার অধিকার কারও নেই, উচিতও নয়।

তথ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি কিংবা তার কারাবন্দি- এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুকে যুক্ত করা তার ঠিক হবে না। আর এটা অসুস্থতার বিষয়, চিকিৎসার বিষয়, রাজনীতির বিষয় নয়। কাজেই আমাদের রাজনীতির সঙ্গে তার সুচিকিৎসার বিষয়টাকে সম্পৃক্ত করাটা এক ধরনের অপরাজনীতি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, এর আগেও যিনি তথ্যমন্ত্রী ছিলেন, এখনও যিনি আছেন তাদের আমরা বলি জিয়া পরিবারের সমালোচনা বিষয়ক মন্ত্রী। কারণ তারা তাদের বিভাগের বিষয়ে যতটুকু কথা বলেন, তার চেয়ে বেশি কথা বলেন শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার বিপক্ষে এবং তারেক রহমানের বিপেক্ষ। মনে হয় যেন এটাই তাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া একটা অন্যায় বিচারে কারারুদ্ধ হয়ে আছেন। তিনি অনেক অসুস্থ- দেশের সবাই তা জানে। তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন এ নিয়ে কারও দ্বন্দ্ব নেই। এই কোভিড চলাকালে যখন বিমান পরিবহন বন্ধ, যখন কেউ কারও সঙ্গে দেখা করতে পারে না- সেরকম সময়ে তাকে তার বাসায় থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ভালো হয়েছে। বাসায় থাকার ফলে অন্তত মানসিক কষ্ট কিছুটা কমেছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের গোলাম সারোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান, ইয়াসীন আলীসহ নতুন কমিটির নেতারা।

 

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা না পেয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাদের ক্ষোভ: স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা। এ নিয়ে রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার বৈঠকও করেছেন তারা।

সেখানে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদের না রাখা কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। পরবর্তীতে বৈঠক করে তারা করণীয় নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা জানান, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের পদ দেয়া হবে-এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছিল।

অথচ বাস্তবে তা দেখা যায়নি। সর্বশেষ স্বেচ্ছাসেবক দলে যাদের পদ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী, নিষ্ক্রিয় ও বিদেশে থাকা লোকজনও রয়েছেন। অথচ ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি, যা দু:খজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের সাবেক এক সহ-সভাপতি যুগান্তরকে বলেন, ৯ বছর ধরে কোনো সংগঠনে জায়গা হয়নি। ওয়ান ইলেভেনে আমরা রাজপথে ছিলাম, অতীতের সব আন্দোলনে ছিলাম। মামলায় জর্জরিত। অথচ আমাদের মূল্যায়ন করা হল না। তিনি আরও বলেন, সবেক নেতাদের বেশিরভাগই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। অথচ আমরা এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। পরিবারের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারি না। কোনো সংগঠনে পদ থাকলে অন্তত একটা পরিচয় থাকে, তাও নেই।

স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা জানান, আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতারা একেবারে নেই তা নয়। তবে প্রত্যাশার তুলনায় কম সংখ্যক নেতাকে পদ দেয়া হয়েছে- তা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা ২৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রদলের সাবেক অনেক নেতার নাম ছিল। কিন্তু ঘোষণা করা হয়েছে ১৪৯ সদস্যের আংশিক কমিটি। তাই অনেকে বাদ পড়েছেন। আশা করছি পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেককেই দেখা যাবে।