ডিজিটাল আইনকে কবরে পাঠাতে হবে: ডা. জাফরুল্লাহ
jugantor
ডিজিটাল আইনকে কবরে পাঠাতে হবে: ডা. জাফরুল্লাহ

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩৩:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকার পরিবর্তন নয়, সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ম পরিবর্তন করতে হবে। সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। ডিজিটাল আইন কে কবরে পাঠাতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে সিটি কর্পোরেশনের শেখ রাসেল পার্কে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা আয়োজিত 'গণসংলাপ বাংলাদেশ কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড এবং নাগরিকের নিরাপত্তা' শিরোনামে আয়োজিত সভায় বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভিন্ন পথে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে আছে ইসরাইলের মোসাদ। সেই সঙ্গে দেশের গোয়েন্দা বাহিনীও আছে।

অপরদিকে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, আমাদের দেশে বাস, লঞ্চ, রেলের বগি, সরকার, ওষুধ, সব কিছুই মেয়াদোত্তীর্ণ। সরকারের মেয়াদ নেই কিন্তু তারা ঘাড়ের উপর চেপে বসে আছে।

মেয়াদ উত্তীর্ণ জিনিসকে নতুন বলে চালানো অবৈধ সরকারকে বৈধ হিসেবে চালানো এগুলো হচ্ছে আমাদের কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড। তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ধর্ষণ নির্যাতন। ধর্ষণ নির্যাতনের সঙ্গে বেশিরভাগই সরকারদলের ছাত্রলীগ-যুবলীগ জড়িত।

গণসংহতি আন্দোলন জেলার সভাপতি তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

ডিজিটাল আইনকে কবরে পাঠাতে হবে: ডা. জাফরুল্লাহ

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকার পরিবর্তন নয়, সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ম পরিবর্তন করতে হবে। সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। ডিজিটাল আইন কে কবরে পাঠাতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে সিটি কর্পোরেশনের শেখ রাসেল পার্কে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা আয়োজিত 'গণসংলাপ বাংলাদেশ কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড এবং নাগরিকের নিরাপত্তা' শিরোনামে আয়োজিত সভায় বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভিন্ন পথে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে আছে ইসরাইলের মোসাদ। সেই সঙ্গে দেশের গোয়েন্দা বাহিনীও আছে। 

অপরদিকে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, আমাদের দেশে বাস, লঞ্চ, রেলের বগি, সরকার, ওষুধ, সব কিছুই মেয়াদোত্তীর্ণ। সরকারের মেয়াদ নেই কিন্তু তারা ঘাড়ের উপর চেপে বসে আছে। 

মেয়াদ উত্তীর্ণ জিনিসকে নতুন বলে চালানো অবৈধ সরকারকে বৈধ হিসেবে চালানো এগুলো হচ্ছে আমাদের কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড। তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ধর্ষণ নির্যাতন। ধর্ষণ নির্যাতনের সঙ্গে বেশিরভাগই সরকারদলের ছাত্রলীগ-যুবলীগ জড়িত।

গণসংহতি আন্দোলন জেলার সভাপতি তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন