‘অনেক হয়েছে, এভাবে আর চলতে পারে না’
jugantor
‘অনেক হয়েছে, এভাবে আর চলতে পারে না’

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ১৫:১৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ দাবি করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীতে রোববার সকালে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক হয়েছে। এভাবে আর চলতে পারে না। আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই- অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, অবিলম্বে জনগণের চোখের ভাষা পড়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় জনগণের উত্তাল ঢেউ সৃষ্টি হবে, সেই ঢেউয়ে আপনারা সবাই ভেসে যাবেন।

জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আর নিশ্চুপ হয়ে থাকবেন না। যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, আজকে যদি আমরা প্রতিবাদ না করি, রুখে না দাঁড়াই তা হলে ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছিলাম, আমরা যে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছিলাম, যে গণতন্ত্রকে আমরা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিলাম, সেই গণতন্ত্রকে তারা আবার হরণ করেছে। সুতরাং আমাদের সবাইকে আজকে রুখে দাঁড়াতে হবে, অধিকারকে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভিন্নমতকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য তারা আজকে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সাধারণ মানুষ, যারা ভিন্নমত পোষণ করে লেখালেখি করে, সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনো কথা বলে, তখনই তাদের গ্রেফতার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয় যে মামলাতে সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটা মিথ্যা অপবাদ এবং সেই সঙ্গে আইনের একটা অপব্যাখ্যা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে বিনা জামিনে আটকে রাখা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অনেক সাংবাদিককে নির্যাতন করা হচ্ছে, নিপীড়ন করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়, তার কোনো বিচারহয় না। আজকে সাংবাদিকরা লিখতে ভয় পান; কারণ যে আইন করা হয়েছে, সেই আইনগুলোর কারণে তারা আর লিখতে সাহস করেন না।

‘সারা দেশে একটা ভয়ের, একটা ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে- রেইন অব ট্রেরর এবং সেটি করে তারা জোর করে বন্দুকের জোরে ক্ষমতারজোরে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে।’

অবিলম্বে রুহুল আমিন গাজী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদের মুক্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান ফখরুল।

সংগঠনের নেতা সাংবাদিক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেনের পরিচালনায় মানববন্ধনে ছড়াকার আবু সালেহ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কাদের গনি চৌধুরী, শহীদুল ইসলাম, অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক আবদুল করীম, শামীমুর রহমান শামীম, প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, প্রকৌশলী ফখরুল আলম, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের রফিকুল ইসলাম, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের জাহানারা বেগম, জাসাসের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

‘অনেক হয়েছে, এভাবে আর চলতে পারে না’

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ দাবি করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

রাজধানীতে রোববার সকালে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। 

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক হয়েছে। এভাবে আর চলতে পারে না। আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই- অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, অবিলম্বে জনগণের চোখের ভাষা পড়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় জনগণের উত্তাল ঢেউ সৃষ্টি হবে, সেই ঢেউয়ে আপনারা সবাই ভেসে যাবেন।

জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আর নিশ্চুপ হয়ে থাকবেন না। যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, আজকে যদি আমরা প্রতিবাদ না করি, রুখে না দাঁড়াই তা হলে ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছিলাম, আমরা যে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছিলাম, যে গণতন্ত্রকে আমরা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিলাম, সেই গণতন্ত্রকে তারা আবার হরণ করেছে। সুতরাং আমাদের সবাইকে আজকে রুখে দাঁড়াতে হবে, অধিকারকে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভিন্নমতকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য তারা আজকে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সাধারণ মানুষ, যারা ভিন্নমত পোষণ করে লেখালেখি করে, সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনো কথা বলে, তখনই তাদের গ্রেফতার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয় যে মামলাতে সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটা মিথ্যা অপবাদ এবং সেই সঙ্গে আইনের একটা অপব্যাখ্যা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে বিনা জামিনে আটকে রাখা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অনেক সাংবাদিককে নির্যাতন করা হচ্ছে, নিপীড়ন করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়, তার কোনো বিচার হয় না। আজকে সাংবাদিকরা লিখতে ভয় পান; কারণ যে আইন করা হয়েছে, সেই আইনগুলোর কারণে তারা আর লিখতে সাহস করেন না। 

‘সারা দেশে একটা ভয়ের, একটা ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে- রেইন অব ট্রেরর এবং সেটি করে তারা জোর করে বন্দুকের জোরে ক্ষমতার জোরে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে।’

অবিলম্বে রুহুল আমিন গাজী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদের মুক্তি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান ফখরুল।

সংগঠনের নেতা সাংবাদিক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেনের পরিচালনায় মানববন্ধনে ছড়াকার আবু সালেহ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কাদের গনি চৌধুরী, শহীদুল ইসলাম, অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক আবদুল করীম, শামীমুর রহমান শামীম, প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, প্রকৌশলী ফখরুল আলম, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের রফিকুল ইসলাম, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের জাহানারা বেগম, জাসাসের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।