দুদকের মামলায় বিএনপি নেতা ইশরাক খালাস 
jugantor
দুদকের মামলায় বিএনপি নেতা ইশরাক খালাস 

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ১৫:৪১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা থেকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বলা হয়, সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার নোটিস যথানিয়মে জারি না হওয়ায় এবং রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ইশরাককে খালাস দেয়া হলো।

রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইশরাকের অন্যতম আইনজীবী নূরুজ্জামান তপন বলেন, আমরা জানতাম, এমন রায়ই আসবে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইশরাক হোসেন ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিস দেয় দুদক। ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর দুদকের কনস্টেবল তালেব কমিশনের নোটিসটি জারি করতে ইশরাকের বাসভবনে যান।

কিন্তু ইশরাক সেখানে না থাকায় উপস্থিত চারজন সাক্ষীর সামনে বাসভবনের নিচতলায় প্রবেশ পথের বাম পাশের দেয়ালে স্কচটেপ দিয়ে ঝুলিয়ে নোটিসটি জারি করেন। এরপর কমিশনের দেয়া সাত কার্যদিবসের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এ ঘটনায় ২০১০ সালের ২৯ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে এ মামলাটি করা হয়। দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক সামছুল আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

গত বছরের ৫ মে চার্জশিট আমলে নিয়ে ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। একই সঙ্গে তিনি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

এ মামলায় গত ৯ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ইশরাক। এ বছরের ১৫ জানুয়ারি এ মামলায় ইশরাকের বিচার শুরু হয়।

গত ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

দুদকের মামলায় বিএনপি নেতা ইশরাক খালাস 

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা থেকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বলা হয়, সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার নোটিস যথানিয়মে জারি না হওয়ায় এবং রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ইশরাককে খালাস দেয়া হলো।

রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইশরাকের অন্যতম আইনজীবী নূরুজ্জামান তপন বলেন, আমরা জানতাম, এমন রায়ই আসবে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইশরাক হোসেন ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিস দেয় দুদক। ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর দুদকের কনস্টেবল তালেব কমিশনের নোটিসটি জারি করতে ইশরাকের বাসভবনে যান। 

কিন্তু ইশরাক সেখানে না থাকায় উপস্থিত চারজন সাক্ষীর সামনে বাসভবনের নিচতলায় প্রবেশ পথের বাম পাশের দেয়ালে স্কচটেপ দিয়ে ঝুলিয়ে নোটিসটি জারি করেন। এরপর কমিশনের দেয়া সাত কার্যদিবসের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। 

এ ঘটনায় ২০১০ সালের ২৯ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে এ মামলাটি করা হয়। দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক সামছুল আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 

তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

গত বছরের ৫ মে চার্জশিট আমলে নিয়ে ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। একই সঙ্গে তিনি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। 

এ মামলায় গত ৯ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ইশরাক। এ বছরের ১৫ জানুয়ারি এ মামলায় ইশরাকের বিচার শুরু হয়।  

গত ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন