অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফতোয়াবাজি: মেনন
jugantor
অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফতোয়াবাজি: মেনন

  বরিশাল ব্যুরো   

০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:৪৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে রাজনৈতিক ধর্ম ব্যবসায়ীরা ফতোয়াবাজি দিয়ে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান আমলে যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে সমস্ত দেশবাসী রুখে দাঁড়িয়েছিল, তখন এরাই ফতোয়া দিয়েছিল মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার অর্থ হবে মসজিদ ভাঙার সমান।

শনিবার সকাল ১০টায় বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত এক শোক সভার ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেনন বলেন, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হল- পাকিস্তান গিয়ে জিন্নাহর ভাস্কর্য হারাম বলে ভাঙার ফতোয়া দিন। ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানে জিন্নাহর ভাস্কর্য থাকতে পারলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হবে এটা হতে পারে না। আসলে তারা তাদের অতীতকে ভুলতে পারেনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যথাযথই পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে একাত্তরে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, তেমনি এদেরকেও তাদের একাত্তরের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দেয়া প্রয়োজন।

মেনন আরও বলেন, এসব আলেমের ফতোয়া দেয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে আদেশ দিয়েছিলেন- একমাত্র ইসলামী ফাউন্ডেশনই ফতোয়া দেয়ার সামর্থ্য রাখে। তারা এখানেও আইন ভাঙল, আমরা আশা করি তাদের আইন ও সংবিধানবিরোধী আচরণের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জেলা সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- মোজাম্মেল হক ফিরোজ, জাকির হোসেন, ফাইজুল হক বারি ফারাহিন, গোলাম হোসেন, শাহিন হোসেন, এইচএম হারুন, দিলীপ রাজা, ছাত্রমৈত্রী নেতা শামিল শাহরোখ তমাল, মিন্টু দে প্রমুখ।

অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফতোয়াবাজি: মেনন

 বরিশাল ব্যুরো  
০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে রাজনৈতিক ধর্ম ব্যবসায়ীরা ফতোয়াবাজি দিয়ে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান আমলে যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে সমস্ত দেশবাসী রুখে দাঁড়িয়েছিল, তখন এরাই ফতোয়া দিয়েছিল মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার অর্থ হবে মসজিদ ভাঙার সমান।

শনিবার সকাল ১০টায় বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত এক শোক সভার ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেনন বলেন, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হল- পাকিস্তান গিয়ে জিন্নাহর ভাস্কর্য হারাম বলে ভাঙার ফতোয়া দিন। ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানে জিন্নাহর ভাস্কর্য থাকতে পারলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হবে এটা হতে পারে না। আসলে তারা তাদের অতীতকে ভুলতে পারেনি। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যথাযথই পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে একাত্তরে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, তেমনি এদেরকেও তাদের একাত্তরের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দেয়া প্রয়োজন। 

মেনন আরও বলেন, এসব আলেমের ফতোয়া দেয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে আদেশ দিয়েছিলেন- একমাত্র ইসলামী ফাউন্ডেশনই ফতোয়া দেয়ার সামর্থ্য রাখে। তারা এখানেও আইন ভাঙল, আমরা আশা করি তাদের আইন ও সংবিধানবিরোধী আচরণের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জেলা সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- মোজাম্মেল হক ফিরোজ, জাকির হোসেন, ফাইজুল হক বারি ফারাহিন, গোলাম হোসেন, শাহিন হোসেন, এইচএম হারুন, দিলীপ রাজা, ছাত্রমৈত্রী নেতা শামিল শাহরোখ তমাল, মিন্টু দে প্রমুখ।