আলেমরা ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি, বিরোধিতা যৌক্তিক: চরমোনাই পীর
jugantor
আলেমরা ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি, বিরোধিতা যৌক্তিক: চরমোনাই পীর

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৩৩:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

আলেমরা ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি, বিরোধিতা যৌক্তিক: চরমোনাই পীর

কোনো আলেম ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি দাবি করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ভাস্কর্য ভাঙা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। সরকার এতে জড়িতদের বিচার করলে আপত্তি নেই।

এ বিরোধিতা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে ভাস্কর্য নিষিদ্ধ। তাই আলেমরা ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতা করছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, হেফাজত আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে তা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়।

এছাড়া ভাস্কর্য নিয়ে বিরাজমান পরিস্থিতিকে দেশ বিরোধী অপশক্তির চক্রান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন চরমোনাই পীর।

তিনি বলেন, চক্রান্তকারীরা বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য বিনষ্ট করে ভিনদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সামাজিক ও ধর্মীয় অস্থিতিশীলতা তৈরী করতে চায়। একটি সুবিধাভোগী মহল সাধারণ মুসলিম জনতার উত্থাপিত মতামতকে কেন্দ্র করে দেশে হুমকি-ধমকি দিয়ে বিশৃংখলা তৈরীর অপচেষ্টা করছে।

তাদের পেছনে বাংলাদেশের অর্জন, উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বিনাশে কর্মরত কিছু দেশী-বিদেশী চক্রেরও ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর আরও বলেন, উগ্রবাদী শক্তি ও তাদের উশৃঙ্খল সহযোগীরা আমাদের নিরবতাকে দুর্বলতা ভেবেছে। আমি সরকারকে এসব অন্যায় সীমালঙ্ঘনকারীদের নিবৃত করতে অনুরাধ জানাই।

ক্ষমতাসীন সরকার এবং ‘তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থকদের সতর্ক করে’ তিনি বলেন, এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ ঐক্যবদ্ধ। শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষের ধৈর্য্যেরও একটা সীমা আছে। সরকার যদি তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থক এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী শক্তিগুলোর বাড়াবাড়ি ও উস্কানীমূলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশপ্রেমিক জনতা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী ও খন্দকার গোলাম মাওলা, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ।

আলেমরা ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি, বিরোধিতা যৌক্তিক: চরমোনাই পীর

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আলেমরা ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি, বিরোধিতা যৌক্তিক: চরমোনাই পীর
ছবি: সংগৃহীত

কোনো আলেম ভাস্কর্য ভাঙতে বলেননি দাবি করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ভাস্কর্য ভাঙা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। সরকার এতে জড়িতদের বিচার করলে আপত্তি নেই।

এ বিরোধিতা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে ভাস্কর্য নিষিদ্ধ। তাই আলেমরা ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতা করছেন। 

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, হেফাজত আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী, মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে তা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়। 

এছাড়া ভাস্কর্য নিয়ে বিরাজমান পরিস্থিতিকে দেশ বিরোধী অপশক্তির চক্রান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন চরমোনাই পীর। 

তিনি বলেন, চক্রান্তকারীরা বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য বিনষ্ট করে ভিনদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে সামাজিক ও ধর্মীয় অস্থিতিশীলতা তৈরী করতে চায়। একটি সুবিধাভোগী মহল সাধারণ মুসলিম জনতার উত্থাপিত মতামতকে কেন্দ্র করে দেশে হুমকি-ধমকি দিয়ে বিশৃংখলা তৈরীর অপচেষ্টা করছে। 

তাদের পেছনে বাংলাদেশের অর্জন, উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বিনাশে কর্মরত কিছু দেশী-বিদেশী চক্রেরও ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করছি। 

সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর আরও বলেন, উগ্রবাদী শক্তি ও তাদের উশৃঙ্খল সহযোগীরা আমাদের নিরবতাকে দুর্বলতা ভেবেছে। আমি সরকারকে এসব অন্যায় সীমালঙ্ঘনকারীদের নিবৃত করতে অনুরাধ জানাই। 

ক্ষমতাসীন সরকার এবং ‘তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থকদের সতর্ক করে’ তিনি বলেন, এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ ঐক্যবদ্ধ। শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষের ধৈর্য্যেরও একটা সীমা আছে। সরকার যদি তাদের সুবিধাভোগী উগ্র সমর্থক এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী শক্তিগুলোর বাড়াবাড়ি ও উস্কানীমূলক কর্মকান্ড বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশপ্রেমিক জনতা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী ও খন্দকার গোলাম মাওলা, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন