ছাত্রদল নেতা সজীবের ৩ ভাইকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ 
jugantor
ছাত্রদল নেতা সজীবের ৩ ভাইকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ মার্চ ২০২১, ১২:৪০:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, গতরাতে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সজীব রায়হানকে বাসায় না পেয়ে তার তিন ভাই জুয়েল, সোহেল ও সুমনকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনা আওয়ামী গেস্টাপো বাহিনীর আরেকটি নির্মম ও দুঃসহ দৃষ্টান্ত। এ ঘটনা ২৫ মার্চের পর হানাদার বাহিনী এবং স্বাধীনতার পর রক্ষীবাহিনীর বর্বরতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এসব ঘটনা নিশিরাতের সরকারের ক্রোধপরায়ণতা ও উৎপীড়নের এক ভিন্ন ও গভীর দৃষ্টান্ত।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সজীব রায়হানকে বাসায় না পেয়ে তার ভাইদের ধরে নিয়ে যাওয়া নাৎসীবাদের চরম বহিঃপ্রকাশ। এতে নাৎসীবাদের ভয়ঙ্কর দমনের প্রবণতাই ফুটে উঠেছে। গত পরশু দিন প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যেন পুলিশের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তারা রক্তাক্ত করার পর এখন চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে ছাত্রনেতাদের বাসায় বাসায়। আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রের গলা টিপে মনুষ্যবিহীন বিরানভূমিতে রাজত্ব করতে চাইছে।

রিজভী আরও বলেন, এ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর রক্তমাখা হাত এ দেশের জনগণের দ্রোহাগ্নির তাপে পুড়ে যাবে। তাদের নির্মিত সন্ত্রাসের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার জন্য ছাত্র-জনতা রাজপথেই অবস্থান নেবে, গৃহে ফিরে যাবে না।

‘যারা প্রতিহিংসার মনোভাব নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখে তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। বহুদিন ধরে চলে আসা এই হিংসা ও অবিচার মানুষ আর সহ্য করবে না। সব ধরনের নির্যাতন সহ্য করেই ছাত্র-জনতা রাজপথে থাকবে।’

অবিলম্বে সজীব রায়হানের ভাই জুয়েল, সোহেল, সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান তিনি।

ছাত্রদল নেতা সজীবের ৩ ভাইকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ মার্চ ২০২১, ১২:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, গতরাতে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সজীব রায়হানকে বাসায় না পেয়ে তার তিন ভাই জুয়েল, সোহেল ও সুমনকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে গেছে।  

তিনি বলেন, এ ঘটনা আওয়ামী গেস্টাপো বাহিনীর আরেকটি নির্মম ও দুঃসহ দৃষ্টান্ত। এ ঘটনা ২৫ মার্চের পর হানাদার বাহিনী এবং স্বাধীনতার পর রক্ষীবাহিনীর বর্বরতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এসব ঘটনা নিশিরাতের সরকারের ক্রোধপরায়ণতা ও উৎপীড়নের এক ভিন্ন ও গভীর দৃষ্টান্ত। 

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সজীব রায়হানকে বাসায় না পেয়ে তার ভাইদের ধরে নিয়ে যাওয়া নাৎসীবাদের চরম বহিঃপ্রকাশ। এতে নাৎসীবাদের ভয়ঙ্কর দমনের প্রবণতাই ফুটে উঠেছে। গত পরশু দিন প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যেন পুলিশের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তারা রক্তাক্ত করার পর এখন চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে ছাত্রনেতাদের বাসায় বাসায়। আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রের গলা টিপে মনুষ্যবিহীন বিরানভূমিতে রাজত্ব করতে চাইছে। 

রিজভী আরও বলেন, এ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর রক্তমাখা হাত এ দেশের জনগণের দ্রোহাগ্নির তাপে পুড়ে যাবে। তাদের নির্মিত সন্ত্রাসের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার জন্য ছাত্র-জনতা রাজপথেই অবস্থান নেবে, গৃহে ফিরে যাবে না।  

‘যারা প্রতিহিংসার মনোভাব নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রাখে তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। বহুদিন ধরে চলে আসা এই হিংসা ও অবিচার মানুষ আর সহ্য করবে না। সব ধরনের নির্যাতন সহ্য করেই ছাত্র-জনতা রাজপথে থাকবে।’

অবিলম্বে সজীব রায়হানের ভাই জুয়েল, সোহেল, সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন