বিএনপির ৭ মার্চ পালনে রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন কাদের
jugantor
বিএনপির ৭ মার্চ পালনে রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ মার্চ ২০২১, ১৬:১৩:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির ৭ মার্চ পালনে রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, যে বিএনপি একসময় ৭ মার্চ পালন ‘নিষিদ্ধ’ করে রেখেছিল, সেই বিএনপি এখন ‘রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে এ দিবস পালন করছে।
বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে রোববার সকাল ৭টার দিকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।
তারা চলে যাওয়ার পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তিকে প্রতিহত করাই হবে আজকের দিনের শপথ।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী সাত কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন—এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। ৯ মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মৎসজীবী লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা সাতই মার্চ উপলক্ষে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপির ৭ মার্চ পালনে রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ মার্চ ২০২১, ০৪:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির ৭ মার্চ পালনে রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।  তিনি বলেছেন, যে বিএনপি একসময় ৭ মার্চ পালন ‘নিষিদ্ধ’ করে রেখেছিল, সেই বিএনপি এখন ‘রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে এ দিবস পালন করছে।  
বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে রোববার সকাল ৭টার দিকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।
তারা চলে যাওয়ার পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তিকে প্রতিহত করাই হবে আজকের দিনের শপথ।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী সাত কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন—এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। ৯ মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মৎসজীবী লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা সাতই মার্চ উপলক্ষে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর