স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল
jugantor
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ মার্চ ২০২১, ১৩:১৯:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে। গত কয়েকদিনে সরকারের পেটুয়া বাহিনী দিয়ে জনগণের ওপরে হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। এভাবে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা দিবসে ‘মানুষ হত্যা’ ও ‘পুলিশি হামলার’ অভিযোগে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। সমাবেশে ঢাকা মহানগর বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। তখন জনগণ তাদের রায় দেবেন। জনগণ তার পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন। তখন স্বৈরাচারের পতন ঘটবে।

সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারের পুলিশ বাহিনী এ পর্যন্ত ১৭ জনকে হত্যা করেছে। স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা দিবসে মানুষ হত্যা ও পুলিশি হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকে কলুষিত করেছে। মসজিদে হামলা করা হচ্ছে। দেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিএনপি চায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক, না হলে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি এ অন্যায় কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহজলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, দক্ষিণের আবুল বাশার, হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, মোর্তাজুল করিম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, গোলাম সরোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ মার্চ ২০২১, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে। গত কয়েকদিনে সরকারের পেটুয়া বাহিনী দিয়ে জনগণের ওপরে হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। এভাবে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

স্বাধীনতা দিবসে ‘মানুষ হত্যা’ ও ‘পুলিশি হামলার’ অভিযোগে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। সমাবেশে ঢাকা মহানগর বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। তখন জনগণ তাদের রায় দেবেন। জনগণ তার পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন। তখন স্বৈরাচারের পতন ঘটবে।

সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারের পুলিশ বাহিনী এ পর্যন্ত ১৭ জনকে হত্যা করেছে। স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা দিবসে মানুষ হত্যা ও পুলিশি হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকে কলুষিত করেছে। মসজিদে হামলা করা হচ্ছে। দেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিএনপি চায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক, না হলে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি এ অন্যায় কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব  সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহজলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, দক্ষিণের আবুল বাশার, হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দীন টুকু,  মোর্তাজুল করিম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, গোলাম সরোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন