মওদুদ মেধাবী ছিলেন, দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন: প্রধানমন্ত্রী  
jugantor
মওদুদ মেধাবী ছিলেন, দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন: প্রধানমন্ত্রী  

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ এপ্রিল ২০২১, ১০:০২:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রয়াত রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মেধার প্রশংসা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মওদুদ আহমদ মেধাবী ছিলেন, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

মওদুদ সবসময় সরকারঘেঁষা ছিলেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। যদিও কখনও ছাত্রলীগ করেননি। তিনি সবসময় একটু সরকারঘেঁষাই ছিলেন। বারবার দলবদল করা তার একটা অভ্যাস ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তার পরও আমি বলব— একটা ট্যালেন্টেড মানুষ ছিল; কিন্তু সেটি যদি যথাযথভাবে দেশপ্রেমে কাজে লাগতেন, তা হলে হয়তো দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন; এটি হলো বাস্তবতা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। শোক প্রস্তাবের পর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মওদুদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কথা বলেন।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর শোক প্রস্তাবের আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আরেকজন ভদ্রলোকের কথা বলতে হয় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ব্যারিস্টারি পাস করে ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশে আসেন। তিনি কবি জসীমউদদীনের মেয়ের জামাই বলে সবসময় তার প্রতি একটু সহানুভূতি ছিল। কিন্তু কিছু কিছু কাজ তার সবসময় একটু ভিন্ন ধরনের ছিল। যার কারণে ১৯৭৩ সালে তাকে একবার গ্রেফতারও করা হয়। কারণ বাংলাদেশের কিছু গোপন তথ্য তিনি সেই সময় পাচার করছিলেন।
মওদুদকে জেল থেকে ছাড়ানোর স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, কবি জসীমউদদীন সাহেব নিজে এসেছিলেন আমাদের বাসায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কাছে অনুরোধ করলেন বলে তখন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

মওদুদ বঙ্গবন্ধুর মামলার আইনজীবী ছিলেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়। তাকে বন্দি করা হয়। তখন সেই মামলা চলছিল। মওদুদ তার জীবনীতে লিখেছেন— তিনি সেই মামলার আইনজীবী ছিলেন। আসলে তিনি কোনো অ্যাপয়েন্টেড আইনজীবী ছিলেন না। তিনি ড. কামাল হোসেন সাহেবের সঙ্গে ঘুরতেন এবং বঙ্গবন্ধুর যিনি পিএ ছিলেন মোহাম্মদ হানিফ তাদের সঙ্গে ঘুরতেন। সেই গ্রুপটার সঙ্গে সবসময় ছিলেন। বিশেষ করে ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলামের সঙ্গে তার খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল। দুজন সবসময় একসঙ্গেই চলতেন।

মওদুদ মেধাবী ছিলেন, দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন: প্রধানমন্ত্রী  

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ এপ্রিল ২০২১, ১০:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রয়াত রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মেধার প্রশংসা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেন, মওদুদ আহমদ মেধাবী ছিলেন, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।  

মওদুদ সবসময় সরকারঘেঁষা ছিলেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।  যদিও কখনও ছাত্রলীগ করেননি।  তিনি সবসময় একটু সরকারঘেঁষাই ছিলেন।  বারবার দলবদল করা তার একটা অভ্যাস ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই।  তার পরও আমি বলব— একটা ট্যালেন্টেড মানুষ ছিল; কিন্তু সেটি যদি যথাযথভাবে দেশপ্রেমে কাজে লাগতেন, তা হলে হয়তো দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন; এটি হলো বাস্তবতা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।  শোক প্রস্তাবের পর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মওদুদের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে  কথা বলেন।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর শোক প্রস্তাবের আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আরেকজন ভদ্রলোকের কথা বলতে হয় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।  ব্যারিস্টারি পাস করে ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশে আসেন।  তিনি কবি জসীমউদদীনের মেয়ের জামাই বলে সবসময় তার প্রতি একটু সহানুভূতি ছিল।  কিন্তু কিছু কিছু কাজ তার সবসময় একটু ভিন্ন ধরনের ছিল। যার কারণে ১৯৭৩ সালে তাকে একবার গ্রেফতারও করা হয়।  কারণ বাংলাদেশের কিছু গোপন তথ্য তিনি সেই সময় পাচার করছিলেন।
মওদুদকে জেল থেকে ছাড়ানোর স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, কবি জসীমউদদীন সাহেব নিজে এসেছিলেন আমাদের বাসায়।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কাছে অনুরোধ করলেন বলে তখন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।  

মওদুদ বঙ্গবন্ধুর মামলার আইনজীবী ছিলেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়। তাকে বন্দি করা হয়। তখন সেই মামলা চলছিল। মওদুদ তার জীবনীতে লিখেছেন— তিনি সেই মামলার আইনজীবী ছিলেন। আসলে তিনি কোনো অ্যাপয়েন্টেড আইনজীবী ছিলেন না।  তিনি ড. কামাল হোসেন সাহেবের সঙ্গে ঘুরতেন এবং বঙ্গবন্ধুর যিনি পিএ ছিলেন মোহাম্মদ হানিফ তাদের সঙ্গে ঘুরতেন।  সেই গ্রুপটার সঙ্গে সবসময় ছিলেন।  বিশেষ করে ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলামের সঙ্গে তার খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল। দুজন সবসময় একসঙ্গেই চলতেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মওদুদ আহমদ আর নেই