অভিনেতা ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, দোয়া চেয়েছেন ছেলে 
jugantor
অভিনেতা ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, দোয়া চেয়েছেন ছেলে 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

অভিনেতা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বেশ গুরুতর বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতার ছেলে শরৎ। ফারুক বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২১ মার্চ থেকে তিনি হাসপাতালটির আইসিইউতে অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন, তার চেতনা নেই। শরৎ জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ফারুকের রক্তে ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

শরৎ বলেন, ‘বাবার রক্তে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। পাকস্থলীতে ইন্টারনাল রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিছুদিন আগে বাবার মস্তিষ্কে একটি সিজার করা হয়। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুর যান ফারুক। সেখানে গিয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

এর আগে সিঙ্গাপুরেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। রক্তে সংক্রমণ ও টিবি ধরা পড়ার কারণে তাকে প্রায় ৪৭ দিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল।

কিছুটা সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর সুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়মিত চেকআপের জন্য গেলে সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অভিনেতা ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, দোয়া চেয়েছেন ছেলে 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অভিনেতা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বেশ গুরুতর বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতার ছেলে শরৎ। ফারুক বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

গত ২১ মার্চ থেকে তিনি হাসপাতালটির আইসিইউতে অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন, তার চেতনা নেই। শরৎ জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ফারুকের রক্তে ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। 

শরৎ বলেন, ‘বাবার রক্তে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। পাকস্থলীতে ইন্টারনাল রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিছুদিন আগে বাবার মস্তিষ্কে একটি সিজার করা হয়। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’ 

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুর যান ফারুক। সেখানে গিয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। 

এর আগে সিঙ্গাপুরেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। রক্তে সংক্রমণ ও টিবি ধরা পড়ার কারণে তাকে প্রায় ৪৭ দিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল। 

কিছুটা সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর সুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়মিত চেকআপের জন্য গেলে সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন