যেভাবে গ্রেফতার করা হলো মামুনুল হককে
jugantor
যেভাবে গ্রেফতার করা হলো মামুনুল হককে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৪৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রোববার দুপুরেঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামুনুল হক ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তেজগাঁও বিভাগের শতাধিক পুলিশ প্রথমে ওই মাদ্রাসাটা ঘিরে ফেলে।

এ সময় মাদ্রাসার ভেতরে দেড় শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। পুলিশের অভিযানে প্রথমে তারা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত পুলিশ দেখে হাল ছেঁড়ে দেন।

পরে মামুনুল হককে দোতালার ওই কক্ষ থেকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। প্রথমে তাকে মিরপুর সড়কে পুলিশের তেজগাঁও ডিভিশনের ডিসি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীসহ ধরা পড়ার পর থেকেই মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক।

ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রেখেছিল। এ ঘটনার পর হেফাজতের বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ও ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের যৌথ অভিযানে মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুণ অর রশিদ যুগান্তরকে জানান, মোহাম্মদপুর থানার একটি নাশকতা মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নামে আরও মামলা আছে। সেগুলোতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানান তিনি।

যেভাবে গ্রেফতার করা হলো মামুনুল হককে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার দুপুরেঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ তাকে গ্রেফতার করে। 

পুলিশ জানিয়েছে, মামুনুল হক ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তেজগাঁও বিভাগের শতাধিক পুলিশ প্রথমে ওই মাদ্রাসাটা ঘিরে ফেলে। 

এ সময় মাদ্রাসার ভেতরে দেড় শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। পুলিশের অভিযানে প্রথমে তারা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত পুলিশ দেখে হাল ছেঁড়ে দেন। 

পরে মামুনুল হককে দোতালার ওই কক্ষ থেকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। প্রথমে তাকে মিরপুর সড়কে পুলিশের তেজগাঁও ডিভিশনের ডিসি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীসহ ধরা পড়ার পর থেকেই মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। 

ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রেখেছিল। এ ঘটনার পর হেফাজতের বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ও ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের যৌথ অভিযানে মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুণ অর রশিদ যুগান্তরকে জানান, মোহাম্মদপুর থানার একটি নাশকতা মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নামে আরও মামলা আছে। সেগুলোতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানান তিনি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন