হেফাজতের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে যা বললেন ৬২ আলেম
jugantor
হেফাজতের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে যা বললেন ৬২ আলেম

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ১৮:১২:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে যা বললেন ৬২ আলেম

হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতাদের ভণ্ড ও মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করে তাদের থেকে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৬২জন আলেম।

রোববার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ আহবান জানান তারা।

এতে বলা হয়, গতকাল দেশের বেশকিছু পত্রিকায় আলেমসমাজের নামে স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিবৃতিটি হেফাজতে ইসলামের বর্তমানে নেতৃত্বের একটি বিবৃতি। বিবৃতিটি মিথ্যা ও বানোয়াট নানা ধরনের অভিযোগযুক্ত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিটির মূল উদ্দেশ্য হল- দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং তাদের (হেফাজতে ইসলাম) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে দেশের জনগণ ও আলেম-ওলামারা ফুঁসে উঠেছে তা আড়াল করা।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আপনারা জানেন হেফাজতে ইসলামের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যিনি বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দা সবসময় নীতি-নৈতিকতার বক্তব্য দিয়ে গরম করে রাখতেন, তিনি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ব্যতীত অন্য একজন নারীকে নিয়ে রিসোর্টে সময় কাটাতে গেলে স্থানীয় জনরোষের মুখে পড়েন। পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি তার প্রকৃত স্ত্রীর নাম দিয়ে বুকিং করে এ নারীর সাথে সেখানে যান। তিনি উত্তেজিত জনগণের কাছে এ নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করলেও পরবর্তীতে সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হওয়া তার প্রকৃত স্ত্রীর সাথে ফোনালাপে নারীকে অন্য ব্যক্তির স্ত্রী দাবি করেন।

তারা বলেন, হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব এ ধরনের ভণ্ড, নারী লোভী, দুশ্চরিত্র ব্যক্তির পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি দেন যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি হেফাজত নেতাদের বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘কওমি মাদ্রাসার ছাত্র–শিক্ষকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাব- এসব মতলববাজ, রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিদৃষ্ট আলেমদের বর্জনের জন্য। যাতে তারা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে না পারে।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী আলেম-ওলামাদের মধ্যে রয়েছেন- ড. মুফতি কাফিল উদ্দিন সরকার সালেহী, মাওলানা হোসাইন মুরতাজা, মাওলানা আজমির বিন কাসিমী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা নোমান ফারুকী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ বিন সাইদ জালালাবাদী প্রমুখ।

হেফাজতের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে যা বললেন ৬২ আলেম

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হেফাজতের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে যা বললেন ৬২ আলেম
মামুনুল হককে নিয়ে হেফাজত নেতাদের বৈঠকের ফাইল ছবি।

হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতাদের ভণ্ড ও মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করে তাদের থেকে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৬২জন আলেম। 

রোববার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ আহবান জানান তারা। 

এতে বলা হয়, গতকাল দেশের বেশকিছু পত্রিকায় আলেমসমাজের নামে স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিবৃতিটি হেফাজতে ইসলামের বর্তমানে নেতৃত্বের একটি বিবৃতি।  বিবৃতিটি মিথ্যা ও বানোয়াট নানা ধরনের অভিযোগযুক্ত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

বিবৃতিটির মূল উদ্দেশ্য হল- দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং তাদের (হেফাজতে ইসলাম) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে দেশের জনগণ ও আলেম-ওলামারা ফুঁসে উঠেছে তা আড়াল করা।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আপনারা জানেন হেফাজতে ইসলামের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যিনি বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দা সবসময় নীতি-নৈতিকতার বক্তব্য দিয়ে গরম করে রাখতেন, তিনি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ব্যতীত অন্য একজন নারীকে নিয়ে রিসোর্টে সময় কাটাতে গেলে স্থানীয় জনরোষের মুখে পড়েন। পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি তার প্রকৃত স্ত্রীর নাম দিয়ে বুকিং করে এ নারীর সাথে সেখানে যান। তিনি উত্তেজিত জনগণের কাছে এ নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করলেও পরবর্তীতে সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হওয়া তার প্রকৃত স্ত্রীর সাথে ফোনালাপে নারীকে অন্য ব্যক্তির স্ত্রী দাবি করেন।

তারা বলেন, হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব এ ধরনের ভণ্ড, নারী লোভী, দুশ্চরিত্র ব্যক্তির পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি দেন যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি হেফাজত নেতাদের বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘কওমি মাদ্রাসার ছাত্র–শিক্ষকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাব- এসব মতলববাজ, রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিদৃষ্ট আলেমদের বর্জনের জন্য। যাতে তারা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করতে না পারে।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী আলেম-ওলামাদের মধ্যে রয়েছেন- ড. মুফতি কাফিল উদ্দিন সরকার সালেহী, মাওলানা হোসাইন মুরতাজা, মাওলানা আজমির বিন কাসিমী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা নোমান ফারুকী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ বিন সাইদ জালালাবাদী প্রমুখ। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর