কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত, লাইভে এসে অভিযোগ
jugantor
কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত, লাইভে এসে অভিযোগ

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২০ এপ্রিল ২০২১, ১৫:৪৯:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন ।

ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ তার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে তিনি তাদের দেখতে থানায় যান। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে তার ওপর আক্রমণ চালান এডিশনাল এসপি।

কাদের মির্জা বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ আমার গায়ে হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ে হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি, ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

তবে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলার প্রশ্নই উঠে না।

কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত, লাইভে এসে অভিযোগ

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২০ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ করেন ।

ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ তার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে তিনি তাদের দেখতে থানায় যান। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে তার ওপর আক্রমণ চালান এডিশনাল এসপি। 

কাদের মির্জা বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ আমার গায়ে হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ে হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি, ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

তবে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলার প্রশ্নই উঠে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা