যে অভিযোগে গ্রেফতার হেফাজতের আরও দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা 
jugantor
যে অভিযোগে গ্রেফতার হেফাজতের আরও দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ এপ্রিল ২০২১, ১৩:১৪:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় আরও দুই নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন-হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন এবং হেফাজতে ঢাকা মহানগরের সহ সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব কোরবান আলী কাসেমী। এই দুজনকে মঙ্গলবার বিকাল ও রাতে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই মাদ্রাসা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে।

র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার আতাউল্লাহ আমীনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তবে কোন মামলায় হেফাজতের এই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানাননি র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের মামলা রয়েছে।

গভীর রাতে ডিবি পরিচয় দিয়ে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

তিনি জানান, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাহমানিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
এর আগে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সহ সভাপতি ও খেলাফতে মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব কোরবান আলী কাসেমীকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

রাজধানীর বাসাবোর বাসা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন বলে গুলশান বিভাগের (ডিবি) ডিসি মশিউর রহমান জানান।

পুরনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার রাতে হেফাজত ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রীর বাসায় দেখা করে দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। সেই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়। ওই সংঘাতে প্রাণ হারান অন্তত ১৮ জন। সেসব ঘটনায় একাধিক মামলা হয়। মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ পর্যন্ত হেফাজতের অন্তত এক ডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যে অভিযোগে গ্রেফতার হেফাজতের আরও দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় আরও দুই নেতা গ্রেফতার হয়েছেন।  তারা হলেন-হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন এবং হেফাজতে ঢাকা মহানগরের সহ সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব কোরবান আলী কাসেমী।  এই দুজনকে মঙ্গলবার বিকাল ও রাতে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই মাদ্রাসা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে।

র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার আতাউল্লাহ আমীনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তবে কোন মামলায় হেফাজতের এই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছুই জানাননি র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের মামলা রয়েছে।

গভীর রাতে ডিবি পরিচয় দিয়ে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

তিনি জানান, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাহমানিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
এর আগে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সহ সভাপতি ও খেলাফতে মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব কোরবান আলী কাসেমীকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

রাজধানীর বাসাবোর বাসা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন বলে গুলশান বিভাগের (ডিবি) ডিসি মশিউর রহমান জানান।

পুরনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার রাতে হেফাজত ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রীর বাসায় দেখা করে দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। সেই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়। ওই সংঘাতে প্রাণ হারান অন্তত ১৮ জন। সেসব ঘটনায় একাধিক মামলা হয়। মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ পর্যন্ত হেফাজতের অন্তত এক ডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন