বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ ৭ প্রস্তাবনা
jugantor
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ ৭ প্রস্তাবনা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৪ মে ২০২১, ২৩:৩৭:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ সরকারের কাছে সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী। সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি সরকারের কাছে সাত দফা দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান বলেন, হেফাজতের সাবেক আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজত উগ্র মতাদর্শে বিশ্বাসী কতিপয় আলেম নামের লেবাসধারীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তারা চেয়েছিল দেশে গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরী করে বিশৃংখল পদ্ধতিতে বর্তমান সরকার হটিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করবে। কিন্তু ইতিমধ্যে দেশের সকল মানুষের কাছে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমরা দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান সরকার ও জনগণের কাছে সাত দফা প্রস্তাবনা পেশ করছি।

কওমি মাদরাসাগুলোকে তাদের পূর্বসূরিদের ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিচালনার লক্ষে আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়্যাহ বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান ঘোষিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে, আল-হাইয়াতুল উলইয়া এবং বেফাকের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী উগ্রবাদী নেতাদের বহিষ্কার করে শান্তিপ্রিয় পারদর্শী কওমি ওলামাদেরকে নিয়োগ দিতে হবে।

হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটি পূর্ণ বিলুপ্ত করতে হবে, কয়েকটি কওমি মাদ্রাসায় সাম্প্রতিক সময়ে উগ্র সহিংস কার্যক্রম পরিচালনাকারী ছাত্রদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এটি সত্য হলে কিংবা তাদের নিয়ে যায় এমন বর্বর তাণ্ডব পরিচালিত হয়ে থাকলে এই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

ওয়াজ ও তাফসির মাহফিলের নামে কোরআন ও হাদিসের অপব্যাখ্যা করে রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্য বন্ধ করতে হবে। তাণ্ডব সৃষ্টির পেছনে যারা অর্থায়ন করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বারিধারা মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল শাইখুল হাদিস মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান, মানিকগঞ্জের দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল শাইখুল হাদিস মুফতি মনিরুজ্জামান রাব্বানী, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাওলানা বোরহান উদ্দিন আজিজী, মুফতী মাওলানা তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ ৭ প্রস্তাবনা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৪ মে ২০২১, ১১:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ সরকারের কাছে সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী। সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি সরকারের কাছে সাত দফা দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান বলেন, হেফাজতের সাবেক আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজত উগ্র মতাদর্শে বিশ্বাসী কতিপয় আলেম নামের লেবাসধারীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তারা চেয়েছিল দেশে গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরী করে বিশৃংখল পদ্ধতিতে বর্তমান সরকার হটিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করবে। কিন্তু ইতিমধ্যে দেশের সকল মানুষের কাছে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে গেছে। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান সরকার ও জনগণের কাছে সাত দফা প্রস্তাবনা পেশ করছি। 

কওমি মাদরাসাগুলোকে তাদের পূর্বসূরিদের ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিচালনার লক্ষে আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়্যাহ বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান ঘোষিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে, আল-হাইয়াতুল উলইয়া এবং বেফাকের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী উগ্রবাদী নেতাদের বহিষ্কার করে শান্তিপ্রিয় পারদর্শী কওমি ওলামাদেরকে নিয়োগ দিতে হবে। 

হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটি পূর্ণ বিলুপ্ত করতে হবে, কয়েকটি কওমি মাদ্রাসায় সাম্প্রতিক সময়ে উগ্র সহিংস কার্যক্রম পরিচালনাকারী ছাত্রদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এটি সত্য হলে কিংবা তাদের নিয়ে যায় এমন বর্বর তাণ্ডব পরিচালিত হয়ে থাকলে এই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

ওয়াজ ও তাফসির মাহফিলের নামে কোরআন ও হাদিসের অপব্যাখ্যা করে রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্য বন্ধ করতে হবে।  তাণ্ডব সৃষ্টির পেছনে যারা অর্থায়ন করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বারিধারা মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল শাইখুল হাদিস মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান, মানিকগঞ্জের দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল শাইখুল হাদিস মুফতি মনিরুজ্জামান রাব্বানী, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মাওলানা বোরহান উদ্দিন আজিজী, মুফতী মাওলানা তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর