‘খালেদা জিয়াকে অনুমতি না দেওয়ায় প্রমাণ হল সরকার কতটা অমানবিক’
jugantor
‘খালেদা জিয়াকে অনুমতি না দেওয়ায় প্রমাণ হল সরকার কতটা অমানবিক’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ মে ২০২১, ১৯:২৫:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ২০ দলীয় জোট শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি।

সোমবার এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হল এই সরকার কতটা অমানবিক। গোটা রাষ্ট্র ও সংবিধানকে তারা দলীয় হাতিয়ারে পরিণত করেছে। দেশনেত্রীর খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে তারা ভয় পায়।

তারা বলেন, যে সরকার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনের আসামিকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারে, মাফ করে দিতে পারে। তাদের মুখে আইনের কথা মানায় না। দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী যিনি এ দেশের গণতন্ত্রের যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত প্রতিহিংসার রাজনীতি চরিতার্থ করার নগ্ন বহি:প্রকাশ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্যটা ছিল খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। যে চক্রান্ত শুরু হয়েছে ১/১১ সময় থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে সরকার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।

তারা বলেন, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। দেশের হাসপাতালগুলো তার চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। এমন অবস্থায় তাকে বিদেশ যাবার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নিজেদের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উম্মোচন করেছে। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে কোনো অঘটন ঘটে গেলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে।

‘খালেদা জিয়াকে অনুমতি না দেওয়ায় প্রমাণ হল সরকার কতটা অমানবিক’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ মে ২০২১, ০৭:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খালেদা জিয়া
ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী  খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ২০ দলীয় জোট শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি। 

সোমবার এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হল এই সরকার কতটা অমানবিক। গোটা রাষ্ট্র ও সংবিধানকে তারা দলীয় হাতিয়ারে পরিণত করেছে। দেশনেত্রীর খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে তারা ভয় পায়।

তারা বলেন, যে সরকার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনের আসামিকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারে, মাফ করে দিতে পারে। তাদের মুখে আইনের কথা মানায় না। দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী যিনি এ দেশের গণতন্ত্রের যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত প্রতিহিংসার রাজনীতি চরিতার্থ করার নগ্ন বহি:প্রকাশ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্যটা ছিল খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। যে চক্রান্ত শুরু হয়েছে ১/১১ সময় থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে সরকার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।

তারা বলেন, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। দেশের হাসপাতালগুলো তার চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। এমন অবস্থায় তাকে বিদেশ যাবার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নিজেদের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উম্মোচন করেছে। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে কোনো অঘটন ঘটে গেলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : খালেদা জিয়ার চিকিৎসা