বায়তুল মোকাররমে ফিলিস্তিনি যুবকের বক্তব্য ভাইরাল
jugantor
বায়তুল মোকাররমে ফিলিস্তিনি যুবকের বক্তব্য ভাইরাল

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ মে ২০২১, ১৮:১৯:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের দিন রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে ফিলিস্তিনি যুবকের জ্বালাময়ী ভাষণ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ ও হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সকাল ১১টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এ বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে হঠাৎ এসে হাজির হন ফিলিস্তিনি যুবক। তিনি আল আকসা মসজিদ চত্বরে ঢুকে ইসরাইলি পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস এবং ফিলিস্তিনিদের নিহতের ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন। তিনি বাংলায় বলেন, ‘আমি ফিলিস্তিন থেকে এসেছি।’ পরে তিনি ইংরেজি ও আরবিতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইয়ের নৃশংসতার কথা তুলে ধরেন।

তার এ বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিক্ষোভ সমাবেশের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেন, ইসরাইল ন্যাক্কারজনকভাবে ফিলিস্তিনের নামাজরত মানুষের ওপর হামলা করেছে। এমন বর্বর হামলার পরেও বিশ্ব সম্প্রদায় চুপ হয়ে আছে। জাতিসংঘও কিছু বলছে না।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‌ওই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। এর জন্য ১৪ মে ঈদের দিন বেছে নেয়া হয়েছে। কারণ ৭৩ বছর আগে ওই রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করেছে। ফিলিস্তিনরা যেমন প্রতি বছর এ দিনটা কালো দিবস হিসেবে পালন করে। এখন থেকে ইসলামী আন্দোলনও প্রতি বছর দিনটিকে কালো দিবস পালন করবে।

ইসলামী আন্দোলনের ঢাকা উত্তরের সভাপতি ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করেন তারা।

বায়তুল মোকাররমে ফিলিস্তিনি যুবকের বক্তব্য ভাইরাল

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ মে ২০২১, ০৬:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঈদের দিন রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে ফিলিস্তিনি যুবকের জ্বালাময়ী ভাষণ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে বোমা বর্ষণ ও হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সকাল ১১টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এ বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে।  এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে হঠাৎ এসে হাজির হন ফিলিস্তিনি যুবক।  তিনি আল আকসা মসজিদ চত্বরে ঢুকে ইসরাইলি পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস এবং ফিলিস্তিনিদের নিহতের ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন।  তিনি বাংলায় বলেন, ‘আমি ফিলিস্তিন থেকে এসেছি।’ পরে তিনি ইংরেজি ও আরবিতে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইয়ের নৃশংসতার কথা তুলে ধরেন।

তার এ বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিক্ষোভ সমাবেশের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেন, ইসরাইল ন্যাক্কারজনকভাবে ফিলিস্তিনের নামাজরত মানুষের ওপর হামলা করেছে। এমন বর্বর হামলার পরেও বিশ্ব সম্প্রদায় চুপ হয়ে আছে। জাতিসংঘও কিছু বলছে না।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‌ওই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। এর জন্য ১৪ মে ঈদের দিন বেছে নেয়া হয়েছে। কারণ ৭৩ বছর আগে ওই রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করেছে। ফিলিস্তিনরা যেমন প্রতি বছর এ দিনটা কালো দিবস হিসেবে পালন করে। এখন থেকে ইসলামী আন্দোলনও প্রতি বছর দিনটিকে কালো দিবস পালন করবে।

ইসলামী আন্দোলনের ঢাকা উত্তরের সভাপতি ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করেন তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন