‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ’
jugantor
‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৬ মে ২০২১, ২১:৪৭:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ’

পারমাণবিক বোমা ছাড়া আর্থ-সামাজিক সব সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে দুর্বারগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির উদ্যোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘শেখ হাসিনার চার দশক: বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পঁচাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে সফল, সাহসী এবং মানবিক রাষ্ট্রনায়কের নাম শেখ হাসিনা। সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। তার চলার পথ কখনো পুষ্প বিছানো ছিল না। তবুও তিনি এগিয়ে গেছেন মানুষের মুক্তির জন্য, অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য। বঙ্গবন্ধু কন্যা রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়ে রাষ্ট্রনায়কে রূপান্তর হয়েছেন। সংগ্রামী নেতা থেকে তিনি আজ কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক।

সেতুমন্ত্রী রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একজন সংগ্রামী নেতা থেকে এখন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ও উন্নয়নের নেতা হিসেবে পরিণত হয়েছেন। তার জন্যই জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে, তাই বাংলাদেশ পাপমুক্ত ও কলংকমুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার মত নেতৃত্ব আছে বলেই বাংলাদেশ আজ সীমান্ত ও ছিটমহল সমস্যার সমাধান এবং সমুদ্রসীমা জয়লাভ করেছে। গঙ্গার নদীর পানির ন্যায্য পাওনা বুঝে পেয়েছে। অন্যান্য বিষয় নিয়েও সমাধান হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ এখন প্রায় শেষের দিকে। পাশাপাশি অন্যান্য মেগা প্রকল্প, বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ হচ্ছে।

মহাকাশ বিজয়ের কথাও স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ আজ নিজস্ব স্যাটেলাইট যুগেও প্রবেশ করেছে, যার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। পারমাণবিক বোমা ছাড়া আর্থ-সামাজিক সকল সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বারগতিতে। তিনি এসেছিলেন বলেই কলহ-কোন্দলে জর্জরিত আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও চার দশক অতিক্রম করেছেন। তিনি আজ আওয়ামী লীগকেও অতিক্রম করেছেন। দেশের মানুষের ভালোবাসায় শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারসহ চার বার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছেন।

মানুষের জীবন ও জীবিকার কথা মাথায় রেখে করোনার এই মহামারিতে শেখ হাসিনা দেশকে স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খাদ্য ঘাটতির দেশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত করেছেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদের সঞ্চালনায় ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির নেতৃবৃন্দ।

‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৬ মে ২০২১, ০৯:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ’
ফাইল ছবি

পারমাণবিক বোমা ছাড়া আর্থ-সামাজিক সব সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে দুর্বারগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির উদ্যোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘শেখ হাসিনার চার দশক: বদলে যাওয়া বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পঁচাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে সফল, সাহসী এবং মানবিক রাষ্ট্রনায়কের নাম শেখ হাসিনা। সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। তার চলার পথ কখনো পুষ্প বিছানো ছিল না। তবুও তিনি এগিয়ে গেছেন মানুষের মুক্তির জন্য, অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য। বঙ্গবন্ধু কন্যা রাজনীতিকের সীমানা পেরিয়ে রাষ্ট্রনায়কে রূপান্তর হয়েছেন। সংগ্রামী নেতা থেকে তিনি আজ কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক।

সেতুমন্ত্রী রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একজন সংগ্রামী নেতা থেকে এখন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ও উন্নয়নের নেতা হিসেবে পরিণত হয়েছেন। তার জন্যই জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে, তাই বাংলাদেশ পাপমুক্ত ও কলংকমুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার মত নেতৃত্ব আছে বলেই বাংলাদেশ আজ সীমান্ত ও ছিটমহল সমস্যার সমাধান এবং সমুদ্রসীমা জয়লাভ করেছে। গঙ্গার নদীর পানির ন্যায্য পাওনা বুঝে পেয়েছে। অন্যান্য বিষয় নিয়েও সমাধান হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ এখন প্রায় শেষের দিকে। পাশাপাশি অন্যান্য মেগা প্রকল্প, বিশেষ করে মেট্রোরেলসহ দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ হচ্ছে।

মহাকাশ বিজয়ের কথাও স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ আজ নিজস্ব স্যাটেলাইট যুগেও প্রবেশ করেছে, যার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। পারমাণবিক বোমা ছাড়া আর্থ-সামাজিক সকল সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বারগতিতে। তিনি এসেছিলেন বলেই কলহ-কোন্দলে জর্জরিত আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও চার দশক অতিক্রম করেছেন। তিনি আজ আওয়ামী লীগকেও অতিক্রম করেছেন। দেশের মানুষের ভালোবাসায় শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারসহ চার বার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছেন।

মানুষের জীবন ও জীবিকার কথা মাথায় রেখে করোনার এই মহামারিতে শেখ হাসিনা দেশকে স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খাদ্য ঘাটতির দেশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত করেছেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদের সঞ্চালনায় ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির নেতৃবৃন্দ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন