হেফাজতের নতুন কমিটিতে ‘চমক’
jugantor
হেফাজতের নতুন কমিটিতে ‘চমক’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ জুন ২০২১, ১৬:৫১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতের নতুন কমিটিতে ‘চমক’

অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে বেশ কিছু চমক রাখা হয়েছে। আগের কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ গ্রেফতার নেতাদের নতুন কমিটিতে রাখা হয়নি। এছাড়া আগের কমিটির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে নেতৃত্ব থেকে। কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও ১৬ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ ও ৯ সদস্যের ‘খাস’ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

হেফাজতের এবারের কমিটি ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট। আরও কয়েকজনকে পরবর্তীতে এ কমিটিতে যুক্ত করা হবে বলে আজকের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আগের কমিটি ছিল ১৫১ সদস্য।

হেফাজতের আগের কমিটিগুলোতে দেশবরেণ্য আলেমদের প্রাধান্য দেওয়া হলেও এবার তাদের অনেকের নাম দেখা যায়নি ঘোষিত কমিটিতে। হেফাজতের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফির ছোট ছেলেকে না রেখে কমিটিতে রাখা হয়েছে তার বড় ভাই ইউসুফ মাদানীকে। তাকে সহকারী মহাসচিবের পদ দেওয়া হলেও তিনি এই পদ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

হেফাজতে ইসলামের ৩৩ সদস্যের কমিটিতে আমির ও মহাসচিব ছাড়া নয়জনকে নায়েবে আমির, পাঁচজনকে যুগ্ম মহাসচিব, একজন সহকারী মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, সহ অর্থ সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সহ-প্রচার সম্পাদক, দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক, সহকারী দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক এবং আট জনকে কার্যকরী কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

হেফাজতের আমির করা হয়েছে জুনাইদ বাবুনগরীকে, যিনি আগের কমিটিতেও আমির পদে ছিলেন। মহাসচিব পদেও নুরুল ইসলাম জিহাদীই রয়েছেন।

নতুন কমিটির নায়েবে আমির হলেন- মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক মোমেনশাহী, সালাউদ্দিন নানুপুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর), মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), ইয়াহইয়া (হাটহাজারী মাদ্রাসা), আবদুল কুদ্দুস (ফরিদাবাদ), তাজুল ইসলাম (ফিরোজ শাহ), জসিমুদ্দিন (হাটহাজারী মাদ্রাসা)। এ ছাড়া যুগ্ম মহাসচিব পদে স্থান পেয়েছেন সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ), লোকমান হাকীম (চট্টগ্রাম), আনোয়ারুল করিম (যশোর), আইয়ুব বাবুনগরী।

যুগ্ম মহাসচিব পদে এসেছেন- মাওলানা সাজিদুর রহমান (বি-বাড়িয়া), মাওলানা আবদুল আউয়াল (নারায়নগঞ্জ) ও মাওলানা লোকমান হাকিম। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মাওলানা মীর ইদ্রিস।

কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন- সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, হাসান জামিল, মুফতি হারুন ইজহারসহ নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হেফাজতের নেতারা। তাদের বাদ পড়াকে চমক হিসেবে বলছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

হেফাজতের নতুন কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস (চট্টগ্রাম), অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী (মেখল), সহ অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাশেমী (নাজির হাট), প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার), সহ প্রচার জামাল উদ্দিন (কুড়িগ্রাম), দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম সোবহানী (উত্তরা), সহ দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক (নোয়াখালী)।

কমিটির সদস্যরা হলেন মোবারক উল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ফয়জুল্লাহ (মাদানী নগরের পীর), ফোরকানুল্লাহ খলিল (চট্টগ্রাম), মোসতাক আহমদ (খুলনা), রশীদ আহমদ (কিশোরগঞ্জ), আনাস (ভোলা), মাহমুদুল হাসান (ফতেহপুরী), মাহমুদুল আলম (পঞ্চগড়)।

এ ছাড়া মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১৬ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি এবং ৯ সদস্যের একটি খাস (বিশেষ) কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এ ছাড়া কমিটিতে রয়েছেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী, নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ) ও মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার)।
সংবাদ সম্মেলন থেকে হেফাজতের গ্রেপ্তার নেতাদের মুক্তি চাওয়া হয়েছে।

হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আহমদ শফি গত বছর মারা যাওয়ার পর নানা আলোচনার মধ্যে গত ১৫ নভেম্বর সম্মেলনে বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছিল।

তার আগে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা হেফাজতের নেতারা গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতায় নেমে ফের আলোচনায় আসেন।

সংগঠনটির নেতা মামুনুল হক ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকিও দেন। পরে তিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পদ পাওয়ার পাশাপাশি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদকও হন।

নতুন কমিটি গঠনের ছয় মাস পার হওয়ার আগে গত মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে হেফাজতের কর্মসূচি সহিংসতায় গড়ায়।

এরপর মামুনুল ছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ বেশ কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হলে চাপে পড়ে হেফাজত।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে নতুন কমিটির নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক, সালাহউদ্দীন নানুপুরী, যুগ্ম মহাসচিব সাজেদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস, অর্থ সম্পাদক মুফতি মুহাম্মদ আলী, প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন না নতুন আমির বাবুনগরী ও উপদেষ্টা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

হেফাজতের নতুন কমিটিতে ‘চমক’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ জুন ২০২১, ০৪:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হেফাজতের নতুন কমিটিতে ‘চমক’
ছবি: সংগৃহীত

অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।  কমিটিতে বেশ কিছু চমক রাখা হয়েছে।  আগের কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ গ্রেফতার নেতাদের নতুন কমিটিতে রাখা হয়নি।  এছাড়া আগের কমিটির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে নেতৃত্ব থেকে।  কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও ১৬ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ ও ৯ সদস্যের ‘খাস’ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। 
 
সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

হেফাজতের এবারের কমিটি ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট।  আরও কয়েকজনকে পরবর্তীতে এ কমিটিতে যুক্ত করা হবে বলে আজকের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।  আগের কমিটি ছিল ১৫১ সদস্য।  

হেফাজতের আগের কমিটিগুলোতে দেশবরেণ্য আলেমদের প্রাধান্য দেওয়া হলেও এবার তাদের অনেকের নাম দেখা যায়নি ঘোষিত কমিটিতে।  হেফাজতের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফির ছোট ছেলেকে না রেখে কমিটিতে রাখা হয়েছে তার বড় ভাই ইউসুফ মাদানীকে।  তাকে সহকারী মহাসচিবের পদ দেওয়া হলেও তিনি এই পদ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

হেফাজতে ইসলামের ৩৩ সদস্যের কমিটিতে আমির ও মহাসচিব ছাড়া নয়জনকে নায়েবে আমির, পাঁচজনকে যুগ্ম মহাসচিব, একজন সহকারী মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, সহ অর্থ সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সহ-প্রচার সম্পাদক, দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক, সহকারী দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক এবং আট জনকে কার্যকরী কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

হেফাজতের আমির করা হয়েছে জুনাইদ বাবুনগরীকে, যিনি আগের কমিটিতেও আমির পদে ছিলেন।  মহাসচিব পদেও নুরুল ইসলাম জিহাদীই রয়েছেন।

নতুন কমিটির নায়েবে আমির হলেন- মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক মোমেনশাহী, সালাউদ্দিন নানুপুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর), মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), ইয়াহইয়া (হাটহাজারী মাদ্রাসা), আবদুল কুদ্দুস (ফরিদাবাদ), তাজুল ইসলাম (ফিরোজ শাহ), জসিমুদ্দিন (হাটহাজারী মাদ্রাসা)। এ ছাড়া যুগ্ম মহাসচিব পদে স্থান পেয়েছেন সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ), লোকমান হাকীম (চট্টগ্রাম), আনোয়ারুল করিম (যশোর), আইয়ুব বাবুনগরী।

যুগ্ম মহাসচিব পদে এসেছেন- মাওলানা সাজিদুর রহমান (বি-বাড়িয়া), মাওলানা আবদুল আউয়াল (নারায়নগঞ্জ) ও মাওলানা লোকমান হাকিম। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মাওলানা মীর ইদ্রিস।  

কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন- সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, কেন্দ্রীয় নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, হাসান জামিল, মুফতি হারুন ইজহারসহ নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হেফাজতের নেতারা।  তাদের বাদ পড়াকে চমক হিসেবে বলছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

হেফাজতের নতুন কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস (চট্টগ্রাম), অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী (মেখল), সহ অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাশেমী (নাজির হাট), প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার), সহ প্রচার জামাল উদ্দিন (কুড়িগ্রাম), দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম সোবহানী (উত্তরা), সহ দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক (নোয়াখালী)। 

কমিটির সদস্যরা হলেন মোবারক উল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ফয়জুল্লাহ (মাদানী নগরের পীর), ফোরকানুল্লাহ খলিল (চট্টগ্রাম), মোসতাক আহমদ (খুলনা), রশীদ আহমদ (কিশোরগঞ্জ), আনাস (ভোলা), মাহমুদুল হাসান (ফতেহপুরী), মাহমুদুল আলম (পঞ্চগড়)।

এ ছাড়া মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১৬ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি এবং ৯ সদস্যের একটি খাস (বিশেষ) কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এই কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।  এ ছাড়া কমিটিতে রয়েছেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী, নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুহিব্বুল হক (গাছবাড়ি), সাজেদুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আবদুল আউয়াল (নারায়ণগঞ্জ) ও মুহিউদ্দিন রব্বানী (সাভার)।
সংবাদ সম্মেলন থেকে হেফাজতের গ্রেপ্তার নেতাদের মুক্তি চাওয়া হয়েছে।

হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আহমদ শফি গত বছর মারা যাওয়ার পর নানা আলোচনার মধ্যে গত ১৫ নভেম্বর সম্মেলনে বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছিল।

তার আগে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা হেফাজতের নেতারা গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতায় নেমে ফের আলোচনায় আসেন।

সংগঠনটির নেতা মামুনুল হক ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকিও দেন। পরে তিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পদ পাওয়ার পাশাপাশি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদকও হন।  

নতুন কমিটি গঠনের ছয় মাস পার হওয়ার আগে গত মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে হেফাজতের কর্মসূচি সহিংসতায় গড়ায়।

এরপর মামুনুল ছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ বেশ কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হলে চাপে পড়ে হেফাজত।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে নতুন কমিটির নায়েবে আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, আবদুল হক, সালাহউদ্দীন নানুপুরী, যুগ্ম মহাসচিব সাজেদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদ্রিস, অর্থ সম্পাদক মুফতি মুহাম্মদ আলী, প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দিন রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন না নতুন আমির বাবুনগরী ও উপদেষ্টা  মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন