খালেদা জিয়া কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নন: মির্জা ফখরুল
jugantor
খালেদা জিয়া কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নন: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ জুন ২০২১, ১৬:২৩:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডা. এএফএম সিদ্দিকী জানিয়েছেন— খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হলেও কোভিডপরবর্তী কয়েকটি জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নন। উনার লিভার ও অন্যান্য জটিলতার চিকিৎসা বিদেশে কোনো উন্নত কেন্দ্রে প্রয়োজন। বাংলাদেশে যার কোনো সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা জানান।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মহাসচিব বলেন, স্থায়ী কমিটির সভা মনে করে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসায় আরও উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর জন্য বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করা এবং তার মুক্তি দেওয়া জরুরি।

২০ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয় গুলশান কার্যালয়। তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।
ওই সভায় ফুসফুসসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আগে বলিনি, উনার পরিবার বিদেশে পাঠানো কথা বলেছিল। আমরা এবার পার্টির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেজ্যুলেশন নিচ্ছি যে, তার বিদেশে চিকিৎসা দরকার। এর জন্য যা কিছু সরকারের করা দরকার, সরকারের করা উচিত ইমিডিয়েটলি (অনতিবিলম্বে)।'

তিনি যোগ করেন, তার পরের যে স্টেপগুলো আছে পরবর্তী সময় আলাপ-আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

গত ১৯ জুন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৫৩ দিন চিকিৎসার পর খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসায় ফিরেছেন।

খালেদা জিয়া কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নন: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ জুন ২০২১, ০৪:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডা. এএফএম সিদ্দিকী জানিয়েছেন— খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হলেও কোভিডপরবর্তী কয়েকটি জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি কোনোভাবেই ঝুঁকিমুক্ত নন।  উনার লিভার ও অন্যান্য জটিলতার চিকিৎসা বিদেশে কোনো উন্নত কেন্দ্রে প্রয়োজন। বাংলাদেশে যার কোনো সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা জানান।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মহাসচিব বলেন, স্থায়ী কমিটির সভা মনে করে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসায় আরও উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর জন্য বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করা এবং তার মুক্তি দেওয়া জরুরি।  

২০ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয় গুলশান কার্যালয়।  তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন। 
ওই সভায় ফুসফুসসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আগে বলিনি, উনার পরিবার বিদেশে পাঠানো কথা বলেছিল। আমরা এবার পার্টির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেজ্যুলেশন নিচ্ছি যে, তার বিদেশে চিকিৎসা দরকার।  এর জন্য যা কিছু সরকারের করা দরকার, সরকারের করা উচিত ইমিডিয়েটলি (অনতিবিলম্বে)।'

তিনি যোগ করেন, তার পরের যে স্টেপগুলো আছে পরবর্তী সময় আলাপ-আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

গত ১৯ জুন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৫৩ দিন চিকিৎসার পর খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসায় ফিরেছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর