আ.লীগের সুবিধাভোগীদের নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের
jugantor
আ.লীগের সুবিধাভোগীদের নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:২৪:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আওয়ামী লীগ থেকে বাদ পড়া নেতানেত্রীদের নিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দল ক্ষমতায় থাকলে নানান সুবিধাভোগী শ্রেণি এবং বসন্তের কোকিলরা এ ধরনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়,যুক্ত হয় নানান আগাছা- পরগাছা।

তিনি রোববার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

বারবার দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে নারী বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদ থেকে বাদ দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বীকৃত সংগঠনের বাইরে কোনো মনগড়া বা হঠাৎ গজিয়ে উঠা সংগঠনকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, দলীয় সভানেত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দলের মধ্যে কারো প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে এ ধরনের কাজে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তি-স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

ওবায়দুল কাদের আবারও স্পষ্ট করে বলেন, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তির দলে অনুপ্রবেশ ঘটলে কিংবা কারো কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে।

আ.লীগের সুবিধাভোগীদের নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ জুলাই ২০২১, ০২:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আওয়ামী লীগ থেকে বাদ পড়া নেতানেত্রীদের নিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দল ক্ষমতায় থাকলে নানান সুবিধাভোগী শ্রেণি এবং বসন্তের কোকিলরা এ ধরনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়,যুক্ত হয় নানান আগাছা- পরগাছা। 

তিনি রোববার সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। 

বারবার দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে নারী বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদ থেকে বাদ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। 

এদিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বীকৃত সংগঠনের বাইরে কোনো মনগড়া বা হঠাৎ গজিয়ে উঠা সংগঠনকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, দলীয় সভানেত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দলের মধ্যে কারো প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে এ ধরনের কাজে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তি-স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

ওবায়দুল কাদের আবারও স্পষ্ট করে বলেন, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তির দলে অনুপ্রবেশ ঘটলে কিংবা কারো কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন