করোনার টিকা নিয়েও সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: মির্জা ফখরুল
jugantor
করোনার টিকা নিয়েও সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ জুলাই ২০২১, ২১:৩৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মির্জা ফখরুল

করোনার টিকা নিয়েও সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের উদাসীনতা, ব্যর্থতা জনগণের জীবন-জীবিকাকে বিপন্ন করে ফেলেছে। এখন আবার মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করছে। টিকাই এখন পর্যন্ত পুরো সংগ্রহ হয়নি। এখন পর্যন্ত ভারত থেকে তিন কোটি টিকাই আনতে পারল না। তারা এখন বলছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেবে। এগুলো জাতিকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কিছু নয়।

বুধবার বিকালে ভার্চুয়াল এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে এই সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত বছর বাবু মারা যান।

ফখরুল বলেন, এই সরকার একটা জিনিস খুব ভালো পারে তা হলো অবলীলায় গোয়েবসীয় পদ্ধতিতে মিথ্যা প্রচার করতে থাকে এবং সেই মিথ্যাকে সত্য প্রমাণিত করতে থাকে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, কামরুজ্জামান রতন, আজিজুল বারী হেলাল, মীর সরফত আলী সপু, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপেলো, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজাম, প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিনী বিথীকা বিনতে হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের গোলাম সারোয়ার, এসএম আসাদুজ্জামান নেসার, আনু মোহাম্মদ শামীম, ইয়াসীন আলী, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে ধবংস করে দিয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন সন্ত্রাসী দলবাজ মহিলাকে অধ্যক্ষ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যাদেরকে উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হলো তারা দুনীর্তি করছে। এভাবে তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধবংস করে ফেলেছে এবং এই করোনার অজুহাতে তারা শিক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে তো পুরোপুরি ভেঙে চূরমার হয়ে গেছে। ব্যাংকিং সেক্টারকে গিলে ফেলেছে। তারা আমাদের সমস্ত অর্জনগুলোকে ধবংস করছে।

বর্তমান সংকট উত্তরণে আন্দোলনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই। সেজন্য আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যিনি বন্দি হয়ে আছেন তাদের নেতৃত্বে আজকে দল সংগঠিত হচ্ছে। আমাদেরকে আন্দোলনে যেতে হবে এবং এই ভয়াবহ যে দানব আমাদের বুকের ওপর চেপে বসে আছে সেই দানবকে সরিয়ে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে এই দানব ছোট-খাটো দানব নয়, এটা একটা ভয়াবহ দানব। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত রয়েছে, সামাজ্যবাদ এবং আধিপত্যবাদের চক্রান্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের শক্তি নিয়ে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এদেরকে সরাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষকে জাগাতে হবে, তাদেরকে নতুন স্বপ্ন দেখাতে হবে। মানুষকে সেই সুদিনের গান শুনাতে হবে যেন তারা জেগে উঠেন। তাদেরকে সেই পথ দেখাতে হবে। সেই পথ নিশ্চয়ই আমাদের নেতা তারেক রহমান নেতৃত্বে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

করোনাকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ সরকার লুট করেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, যখন বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জীবনকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দে্শে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে ফেলেছে। সেই সময়ে আওয়ামী অীগের সরকার সেই কোভিডকে পূঁজি করে জনগণকে লুট করছে। তারা রাষ্ট্রের সম্পদ লুট করছে। যে কষ্টার্জিত অর্থ ট্যাক্স হিসেবে মানুষের দেয়, আমাদের প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে যে রেমিট্যান্স পাঠায়, শ্রমিকেরা গার্মেন্টেসে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করে তা তারা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।

করোনার টিকা নিয়েও সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ জুলাই ২০২১, ০৯:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মির্জা ফখরুল
ফাইল ছবি

করোনার টিকা নিয়েও সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের উদাসীনতা, ব্যর্থতা জনগণের জীবন-জীবিকাকে বিপন্ন করে ফেলেছে। এখন আবার মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করছে। টিকাই এখন পর্যন্ত পুরো সংগ্রহ হয়নি। এখন পর্যন্ত ভারত থেকে তিন কোটি টিকাই আনতে পারল না। তারা এখন বলছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেবে। এগুলো জাতিকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কিছু নয়। 

বুধবার বিকালে ভার্চুয়াল এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে এই সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত বছর বাবু মারা যান।

ফখরুল বলেন, এই সরকার একটা জিনিস খুব ভালো পারে তা হলো অবলীলায় গোয়েবসীয় পদ্ধতিতে মিথ্যা প্রচার করতে থাকে এবং সেই মিথ্যাকে সত্য প্রমাণিত করতে থাকে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, কামরুজ্জামান রতন, আজিজুল বারী হেলাল, মীর সরফত আলী সপু, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপেলো, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজাম, প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিনী বিথীকা বিনতে হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের গোলাম সারোয়ার, এসএম আসাদুজ্জামান নেসার, আনু মোহাম্মদ শামীম, ইয়াসীন আলী, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে ধবংস করে দিয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন সন্ত্রাসী দলবাজ মহিলাকে অধ্যক্ষ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যাদেরকে উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হলো তারা দুনীর্তি করছে। এভাবে তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধবংস করে ফেলেছে এবং এই করোনার অজুহাতে তারা শিক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে তো পুরোপুরি ভেঙে চূরমার হয়ে গেছে। ব্যাংকিং সেক্টারকে গিলে ফেলেছে। তারা আমাদের সমস্ত অর্জনগুলোকে ধবংস করছে। 

বর্তমান সংকট উত্তরণে আন্দোলনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই। সেজন্য আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যিনি বন্দি হয়ে আছেন তাদের নেতৃত্বে আজকে দল সংগঠিত হচ্ছে। আমাদেরকে আন্দোলনে যেতে হবে এবং এই ভয়াবহ যে দানব আমাদের বুকের ওপর চেপে বসে আছে সেই দানবকে সরিয়ে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে এই দানব ছোট-খাটো দানব নয়, এটা একটা ভয়াবহ দানব। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত রয়েছে, সামাজ্যবাদ এবং আধিপত্যবাদের চক্রান্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের শক্তি নিয়ে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এদেরকে সরাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষকে জাগাতে হবে, তাদেরকে নতুন স্বপ্ন দেখাতে হবে। মানুষকে সেই সুদিনের গান শুনাতে হবে যেন তারা জেগে উঠেন। তাদেরকে সেই পথ দেখাতে হবে। সেই পথ নিশ্চয়ই আমাদের নেতা তারেক রহমান নেতৃত্বে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

করোনাকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ সরকার লুট করেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, যখন বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জীবনকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দে্শে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে ফেলেছে। সেই সময়ে আওয়ামী অীগের সরকার সেই কোভিডকে পূঁজি করে জনগণকে লুট করছে। তারা রাষ্ট্রের সম্পদ লুট করছে। যে কষ্টার্জিত অর্থ ট্যাক্স হিসেবে মানুষের দেয়, আমাদের প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে যে রেমিট্যান্স পাঠায়, শ্রমিকেরা গার্মেন্টেসে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করে তা তারা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস