দেশকে বিরোধী দল শূন্য করতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: রিজভী
jugantor
দেশকে বিরোধী দল শূন্য করতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: রিজভী

  যুগান্তর প্রতিবেদন ও যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

১৬ আগস্ট ২০২১, ১৮:০৬:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এর তদন্ত হয়েছে, বিচারও হয়েছে। কিন্তু এখন সে ঘটনা নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সামনে আনা হয়েছে অত্যন্ত ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তমূলকভাবে। বিএনপিকে নির্মূল করতে এখন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে সরকার।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত করোনা হেল্প সেন্টার উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, সরকারের ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি আজ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত দেড় বছরে সরকার মানুষ বাচাঁতে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি। হাসপাতালে অক্সিজেন নেই, আইসিউ নেই, ভেন্টিলেটর নেই। নেই কোন চিকিৎসা। এসব ব্যবস্থা না করে দলীয় নেতা-কর্মীদের উল্টো দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এখন দেখা গেছে গণটিকা নিতেও টাকা লাগে। দলীয় নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও টিকা দিতে গেছে।

টিকা নিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা গলাবাজি করছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এই যে টিকা আনা হয়েছে তার পেছনে সরকারের কোন ভুমিকা নেই। বাংলাদেশি আমেরিকান কয়েকজন চিকিৎসক বাইডেন প্রশাসনে কর্মরত আছেন। তারা লবিং করে বাংলাদেশকে কোভ্যাক্সের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করেছেন। এখন কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আমরা কোটি কোটি টিকা ফ্রি পাচ্ছি। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আরও টিকা আসবে। সেই টিকাই এখন দেওয়া হচ্ছে, গণটিকা দেওয়া হচ্ছে। এখানে সরকারের কোন ভুমিকা নেই।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা খেলছেন। আজকে ডানে বামে কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। কেন্দ্র থেকে তৃর্ণমূল পর্যন্ত কত মানুষ ঝড়ে যাচ্ছেন। এটার একমাত্র কারন পর্যাপ্ত চিকিৎসা গ্রহন করতে পারেনি সরকার। দেড় বছরে সরকার শুধু গলাবাজি-চাপাবাজি ছাড়া কিছুই করেনি। ফলে সারাদেশে মৃত্যুর বিভীষিকায় পরিনত হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো এমন নির্যাতনকারী সরকার কোথাও নেই। শুধু মিথ্যা মামলা নয়, গুম-খুন নয় জীবন ণাশের হুমকি রয়েছে পদে পদে। গুম -খুন বিচার বহিভূত হত্যা নিত্যদিনের চিত্র। জীবনের অনসংঘ হয়ে দাড়িয়েছে। সে দেশের বিরোধী দল সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজেদের পকেট থেকে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করছেন। আমাদের কাছে সরকারী কোন অর্থ ত্রাণ নেই। তারপরেও আমরা কেউ বসে নেই। আমরা সংগতি অনুযায়ী সারা দেশে কেন্দ্র থেকে শুরু করে, বিভাগ, জেলা , উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রত্যেকে করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তির পক্ষে কাজ করছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, উকিল আব্দুস সাত্তার এমপি, সৈয়দ একে একরামুজ্জামান, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক সাঈদ, ব্যরিষ্টার রুমিন ফারহানা এমপি, ড্যাব নেতা অধ্যাপক ডা. আব্দুস সালামসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

পরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মোহাম্মদপুরে এক দোয়া মাহফিল অংশ নেন রুহুল কবির রিজভী।এ সময় গরীব অসহায়দের মাঝে রান্না করা খাদ্য বিতরণ করা হয়।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের আয়োজনে দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ছাড়াও ছিলেন-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শীর শরাফত আলী সপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আসাদুল করিম শাহীন, যুবদল নেতা জাকির হোসেন নান্নু, মৎস্যজীবিকদল নেতা আবদুর রহিম, জাসাস নেতা জাকির হোসেন রুকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশকে বিরোধী দল শূন্য করতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: রিজভী

 যুগান্তর প্রতিবেদন ও যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
১৬ আগস্ট ২০২১, ০৬:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।  এর তদন্ত হয়েছে, বিচারও হয়েছে।  কিন্তু এখন সে ঘটনা নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সামনে আনা হয়েছে অত্যন্ত ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তমূলকভাবে। বিএনপিকে নির্মূল করতে এখন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে সরকার। 

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত করোনা হেল্প সেন্টার উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 
 
রিজভী বলেন, সরকারের ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি আজ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত দেড় বছরে সরকার মানুষ বাচাঁতে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি। হাসপাতালে অক্সিজেন নেই, আইসিউ নেই, ভেন্টিলেটর নেই। নেই কোন চিকিৎসা। এসব ব্যবস্থা না করে দলীয় নেতা-কর্মীদের উল্টো দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এখন দেখা গেছে গণটিকা নিতেও টাকা লাগে। দলীয় নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও টিকা দিতে গেছে।

টিকা নিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা গলাবাজি করছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এই যে টিকা আনা হয়েছে তার পেছনে সরকারের কোন ভুমিকা নেই। বাংলাদেশি আমেরিকান কয়েকজন চিকিৎসক বাইডেন প্রশাসনে কর্মরত আছেন। তারা লবিং করে বাংলাদেশকে কোভ্যাক্সের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করেছেন। এখন কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আমরা কোটি কোটি টিকা ফ্রি পাচ্ছি। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আরও টিকা আসবে। সেই টিকাই এখন দেওয়া হচ্ছে, গণটিকা দেওয়া হচ্ছে। এখানে সরকারের কোন ভুমিকা নেই। 

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলা খেলছেন। আজকে ডানে বামে কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। কেন্দ্র থেকে তৃর্ণমূল পর্যন্ত কত মানুষ ঝড়ে যাচ্ছেন। এটার একমাত্র কারন পর্যাপ্ত চিকিৎসা গ্রহন করতে পারেনি সরকার। দেড় বছরে সরকার শুধু গলাবাজি-চাপাবাজি ছাড়া কিছুই করেনি। ফলে সারাদেশে মৃত্যুর বিভীষিকায় পরিনত  হয়েছে। 

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন,  বাংলাদেশের মতো এমন নির্যাতনকারী সরকার কোথাও নেই। শুধু মিথ্যা মামলা নয়, গুম-খুন নয় জীবন ণাশের হুমকি রয়েছে পদে পদে। গুম -খুন বিচার বহিভূত হত্যা নিত্যদিনের চিত্র। জীবনের অনসংঘ হয়ে দাড়িয়েছে। সে দেশের বিরোধী দল সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজেদের পকেট থেকে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করছেন। আমাদের কাছে সরকারী কোন অর্থ ত্রাণ নেই। তারপরেও আমরা কেউ বসে নেই। আমরা সংগতি অনুযায়ী সারা দেশে কেন্দ্র থেকে শুরু করে, বিভাগ, জেলা , উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রত্যেকে করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তির পক্ষে কাজ করছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, উকিল আব্দুস সাত্তার এমপি,  সৈয়দ একে একরামুজ্জামান, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, অর্থ সম্পাদক  ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক সাঈদ, ব্যরিষ্টার রুমিন ফারহানা এমপি, ড্যাব নেতা অধ্যাপক ডা. আব্দুস সালামসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।   

পরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মোহাম্মদপুরে এক দোয়া মাহফিল অংশ নেন রুহুল কবির রিজভী।এ সময়  গরীব অসহায়দের মাঝে রান্না করা খাদ্য বিতরণ করা হয়। 

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের আয়োজনে দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ছাড়াও ছিলেন-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শীর শরাফত আলী সপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আসাদুল করিম শাহীন, যুবদল নেতা জাকির হোসেন নান্নু, মৎস্যজীবিকদল নেতা আবদুর রহিম, জাসাস নেতা জাকির হোসেন রুকনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন