‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির অধঃপতনের পেছনে ২১ আগস্টের ঘটনা বিশেষভাবে দায়ী’
jugantor
‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির অধঃপতনের পেছনে ২১ আগস্টের ঘটনা বিশেষভাবে দায়ী’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ আগস্ট ২০২১, ০২:১৫:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছিলাম। সেদিন হারিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সব সদস্যকে। কি দোষ করেছিলাম আমি? কি দোষ করেছিল শেখ রাসেল, সুকান্ত বাবু, ১০ বছরের আরিফ সেরনিয়াবাত, বেবী সেরনিয়াবাত? আজকের প্রজন্ম কিন্তু এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজে।

তিনি বলেন, আসলে ১৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। ১৫ আগস্ট ছিল বাঙালির স্বাধিকারকে অস্বীকার করা এবং এর প্রতিশোধ নেওয়া। ১৫ আগস্ট ছিল বাঙালির পরিচয় বা জাতি সত্তার ওপর আঘাত করা। ১৫ আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, তার পরিবারকে হত্যা করে পুনরায় পাকিস্তান বানানোর একটা চেষ্টা।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে হত্যাকাণ্ডের সব শহীদ-স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলে শামস্ পরশ এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

শেখ ফজলে শামস্ পরশ আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে এবং এর পিছনের কুশীলবদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করা এই প্রজন্মের অন্যতম দাবি। কারা সেই ষড়যন্ত্রকারী? যেন তা নতুন প্রজন্ম জানতে পারে। যারা স্বাধীনতা বিরোধী, যারা ’৭১ সালের বাঙালির বিজয় মেনে নিতে পারেনি, মূলত তরাই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সুবিধাভোগীরাই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা রয়েছে।’৭৫ পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের কার্যকলাপে তা প্রমাণ পাওয়া যায়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি মিছিলে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালায়। যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেড শান্তি মিছিলে ব্যবহার পৃথিবীর ইতিহাসে একটি ঘৃণিত কাজ। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। সে দিন আওয়ামী লীগের প্রায় ২৫ জন নেতাকর্মী নিহত এবং অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করতে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আর কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে এবং সে জন্য এ দেশটি আইএসআই নিয়ন্ত্রিত পাকিস্তানি ভাবধারায় তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হয়- সে জন্য এ হামলা চালানো হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা যদি বেঁচে থাকে সেটা কোনো দিনও সম্ভব হবে না, আওয়ামী লীগ থাকতে কোনো দিনও সম্ভব নয়। কারণ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছেন।

যুবলীগচেয়ারম্যান বলেন,২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ফলশ্রুতিতে আমরা কি দেখলাম? আমরা দেখলাম বাংলাদেশ বর্হিবিশ্বে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত পেয়েছিল। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অধঃপতনের পেছনে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা বিশেষভাবে দায়ী।

যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, গত দুই বছরে যুবলীগের অনেক উন্নতি হয়েছে। প্রথমত জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে যুবলীগের একটি পরিছন্ন কমিটি উপহার দিয়েছেন। যুবলীগ একটি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে যুবলীগ সুনামের সাথে ঢাকাসহ সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলায় যুবলীগ যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে আছি। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য। মানব সেবাই রাজনীতির মূল অনুষঙ্গ। শোকাবহ এই আগস্ট মাসে যুবলীগের নেতাকর্মীরা করোনার এই মহাসংকটে মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করেছে। আর অন্য দিকে বিএনপি জামাত করছে দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র। দেশের জনগণকে নিরাপদ রাখতে যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সদা সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, করোনার এই মহাসংকটে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় করোনার শুরু থেকে যুবলীগ সারাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি দুর্যোগে যুবলীগ সবসময় মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে।

বিএনপি-জামাত এর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারা সব সময়ে সমালোচনায় ব্যস্ত, করোনার এই মহা সংকটে অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এটাই বিএনপি-জামাতের চরিত্র। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডে খুনি জিয়া জড়িত। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা কারণে জিয়ার মরণোত্তর বিচার করতে হবে। আমরা যুবলীগ জিয়ার বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়া খুনিদের পুনর্বাসন করেছেন। আইন করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করেছেন।

‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির অধঃপতনের পেছনে ২১ আগস্টের ঘটনা বিশেষভাবে দায়ী’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ আগস্ট ২০২১, ০২:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছিলাম। সেদিন হারিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সব সদস্যকে। কি দোষ করেছিলাম আমি? কি দোষ করেছিল শেখ রাসেল, সুকান্ত বাবু, ১০ বছরের আরিফ সেরনিয়াবাত, বেবী সেরনিয়াবাত? আজকের প্রজন্ম কিন্তু এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজে।

তিনি বলেন, আসলে ১৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। ১৫ আগস্ট ছিল বাঙালির স্বাধিকারকে অস্বীকার করা এবং এর প্রতিশোধ নেওয়া। ১৫ আগস্ট ছিল বাঙালির পরিচয় বা জাতি সত্তার ওপর আঘাত করা। ১৫ আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, তার পরিবারকে হত্যা করে পুনরায় পাকিস্তান বানানোর একটা চেষ্টা।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে হত্যাকাণ্ডের সব শহীদ-স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলে শামস্ পরশ এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

শেখ ফজলে শামস্ পরশ আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে এবং এর পিছনের কুশীলবদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করা এই প্রজন্মের অন্যতম দাবি। কারা সেই ষড়যন্ত্রকারী? যেন তা নতুন প্রজন্ম জানতে পারে। যারা স্বাধীনতা বিরোধী, যারা ’৭১ সালের বাঙালির বিজয় মেনে নিতে পারেনি, মূলত তরাই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সুবিধাভোগীরাই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা রয়েছে।’৭৫ পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের কার্যকলাপে তা প্রমাণ পাওয়া যায়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি মিছিলে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালায়। যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেড শান্তি মিছিলে ব্যবহার পৃথিবীর ইতিহাসে একটি ঘৃণিত কাজ। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। সে দিন আওয়ামী লীগের প্রায় ২৫ জন নেতাকর্মী নিহত এবং অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়।
 
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করতে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আর কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে এবং সে জন্য এ দেশটি আইএসআই নিয়ন্ত্রিত পাকিস্তানি ভাবধারায় তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হয়- সে জন্য এ হামলা চালানো হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা যদি বেঁচে থাকে সেটা কোনো দিনও সম্ভব হবে না, আওয়ামী লীগ থাকতে কোনো দিনও সম্ভব নয়। কারণ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ফলশ্রুতিতে আমরা কি দেখলাম? আমরা দেখলাম বাংলাদেশ বর্হিবিশ্বে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত পেয়েছিল। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অধঃপতনের পেছনে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা বিশেষভাবে দায়ী।

যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, গত দুই বছরে যুবলীগের অনেক উন্নতি হয়েছে। প্রথমত জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে যুবলীগের একটি পরিছন্ন কমিটি উপহার দিয়েছেন। যুবলীগ একটি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে যুবলীগ সুনামের সাথে ঢাকাসহ সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলায় যুবলীগ যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে আছি। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য। মানব সেবাই রাজনীতির মূল অনুষঙ্গ। শোকাবহ এই আগস্ট মাসে যুবলীগের নেতাকর্মীরা করোনার এই মহাসংকটে মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করেছে। আর অন্য দিকে বিএনপি জামাত করছে দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র। দেশের জনগণকে নিরাপদ রাখতে যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সদা সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, করোনার এই মহাসংকটে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় করোনার শুরু থেকে যুবলীগ সারাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি দুর্যোগে যুবলীগ সবসময় মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে।

বিএনপি-জামাত এর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারা সব সময়ে সমালোচনায় ব্যস্ত, করোনার এই মহা সংকটে অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এটাই বিএনপি-জামাতের চরিত্র। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডে খুনি জিয়া জড়িত। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা কারণে জিয়ার মরণোত্তর বিচার করতে হবে। আমরা যুবলীগ জিয়ার বিচার দাবি করছি। 

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়া খুনিদের পুনর্বাসন করেছেন। আইন করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন