ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ ৫ নেতার মুক্তির দাবি বিএনপির
jugantor
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ ৫ নেতার মুক্তির দাবি বিএনপির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০৫:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ ৫ নেতার মুক্তির দাবি বিএনপির

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীবসহ ৫ নেতাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, দেশ যেন এক মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। কর্তৃত্ববাদী সরকার যখন ইচ্ছে তখন নিরাপরাধ মানুষকে বেআইনীভাবে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, দীর্ঘ সময় গোপন রেখে আষাঢ়ে গল্প বানিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যাচার করা যেন সরকারের রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক এস এম আশরাফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম রাহুলসহ পাঁচজনকে গত রাত সোয়া ১১ টায় সাদা পোশাকধারী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজধানীর রাইফেলস স্কয়ারের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় গোপন রেখে ধানমন্ডি থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। বিএনপি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে রাজিব আহসানসহ গ্রেফতার সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করছে।

প্রিন্স বলেন, সম্প্রতি সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং আন্দোলন ও পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নতুন করে গ্রেফতার ও হয়রানি শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ দেশব্যাপী নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করেছে।

প্রিন্স বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে প্রতিদিন সরকার মিথ্যাচারের পাশাপাশি নীতিবাক্য উচ্চারণ করছেন, অথচ তারাই অনৈতিক কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য মন্ত্রীদের মতোই কথা বলছেন। গতকাল তিনি যা বলেছেন তা তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অথচ আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নের নামে দুর্নীতি ও লুটপাটে ব্যস্ত। তারাই জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ‘ডাণ্ডা মেরে ঠাণ্ডা’ করে নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দিয়ে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। জনগণের প্রতি তাদেরই কোন দায়বদ্ধতা নেই, কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। তাদের দায়বদ্ধতা অনুগত ‘আমলা লীগ’ ও তাদের অবৈধ সুবিধাভোগী দুষ্টুচক্রের প্রতি, যারা রাতে ভোট ডাকাতি করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছে। তেমনি বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রচরিত্র হরণ করে দেশকে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে আজ স্বীকৃত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ ৫ নেতার মুক্তির দাবি বিএনপির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ ৫ নেতার মুক্তির দাবি বিএনপির
ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীবসহ ৫ নেতাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।  

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, দেশ যেন এক মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে।  কর্তৃত্ববাদী সরকার যখন ইচ্ছে তখন নিরাপরাধ মানুষকে বেআইনীভাবে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, দীর্ঘ সময় গোপন রেখে আষাঢ়ে গল্প বানিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যাচার করা যেন সরকারের রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।  বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক এস এম আশরাফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম রাহুলসহ পাঁচজনকে গত রাত সোয়া ১১ টায় সাদা পোশাকধারী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজধানীর রাইফেলস স্কয়ারের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়।  দীর্ঘ সময় গোপন রেখে ধানমন্ডি থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।  বিএনপি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে রাজিব আহসানসহ গ্রেফতার সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করছে। 

প্রিন্স বলেন, সম্প্রতি সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং আন্দোলন ও পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নতুন করে গ্রেফতার ও হয়রানি শুরু করেছে।  এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ দেশব্যাপী নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করেছে।

প্রিন্স বলেন,  জনগণকে বিভ্রান্ত করতে প্রতিদিন সরকার মিথ্যাচারের পাশাপাশি নীতিবাক্য উচ্চারণ করছেন, অথচ তারাই অনৈতিক কাজ করছেন।  প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য মন্ত্রীদের মতোই কথা বলছেন।  গতকাল তিনি যা বলেছেন তা তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।  অথচ আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নের নামে দুর্নীতি ও লুটপাটে ব্যস্ত।  তারাই জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ‘ডাণ্ডা মেরে ঠাণ্ডা’ করে নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দিয়ে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে রেখেছে।  জনগণের প্রতি তাদেরই কোন দায়বদ্ধতা নেই, কারণ তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। তাদের দায়বদ্ধতা অনুগত ‘আমলা লীগ’ ও তাদের অবৈধ সুবিধাভোগী দুষ্টুচক্রের প্রতি, যারা রাতে ভোট ডাকাতি করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়েছে।  তেমনি বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছে।  গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রচরিত্র হরণ করে দেশকে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে আজ স্বীকৃত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ  দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল,  ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন