ডাক্তাররা যদি রাজনীতি করে আমরা কী করবো: কাজী ফিরোজ রশীদ
jugantor
ডাক্তাররা যদি রাজনীতি করে আমরা কী করবো: কাজী ফিরোজ রশীদ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:১২:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

ডাক্তাররা যদি রাজনীতি করে আমরা কী করবো: কাজী ফিরোজ রশীদ

চিকিৎসকসহ পেশাজীবীদের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

বুধবার সংসদে মেডিকেল কলেজেস গভার্নিং বডিস রিপিল বিল ২০২১ বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও বিলটির ওপর সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, বিএনপি করে গিয়েছিল ড্যাব, আওয়ামী লীগ এসে করেছে স্বাচিপ। সেক্ষেত্রে আমরা কী কারণে বসে থাকছি? এই আইনের মধ্যে যদি উনি আনতো যে ডাক্তাররা এবং বৈজ্ঞানিকরা রাজনীতি করতে পারবে না তাহলে খুব খুশি হতাম। কিন্তু সেটা আনা হয়নি। ডাক্তাররা যদি এদেশে রাজনীতি করে তাহলে আমরা কী করবো? আমাদের কাজটা কী? ওনারা চলে আসুক রাজনীতি করতে। যারা ভালো ছাত্র তারা ডাক্তারি পড়ে, কিন্তু তারা যদি রাজনীতি করে তাহলে আমরা সেবা বঞ্চিত হচ্ছি।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ এ সময় বলেন, দেশের পঞ্চাশ বছর অতিক্রম করেছি আমরা। তারপরও বর্তমানে স্বাস্থ্যব্যবস্থার বেহাল দশা। আমরা এখনও পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল এবং বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে কোনো পার্থক্য করতে পারিনি। যারা আজকে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত তারাই আজকে বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসা করছে।

তিনি বলেন, এতগুলো বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন, এগুলো মানসম্মত? আজকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে যারা শিক্ষা অর্জন করছে তারা কজন বিসিএসে টিকছে? ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মেডিকেল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে যে অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে এই ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? যে সব ছাত্ররা, অভিভাবকরা অনিয়ম করে সেখানে ভর্তি হয়েছে; যারা চিকিৎসাবিজ্ঞানে জ্ঞান অর্জন করবে, সে ব্যাপারে সরকার বলেছিল এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সিআইডি রিপোর্ট দিচ্ছে এখানে লাগাতার ৭ বছর অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে।

ডাক্তাররা যদি রাজনীতি করে আমরা কী করবো: কাজী ফিরোজ রশীদ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডাক্তাররা যদি রাজনীতি করে আমরা কী করবো: কাজী ফিরোজ রশীদ
ফাইল ছবি

চিকিৎসকসহ পেশাজীবীদের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। 

বুধবার সংসদে মেডিকেল কলেজেস গভার্নিং বডিস রিপিল বিল ২০২১ বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও বিলটির ওপর সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।  

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, বিএনপি করে গিয়েছিল ড্যাব, আওয়ামী লীগ এসে করেছে স্বাচিপ।  সেক্ষেত্রে আমরা কী কারণে বসে থাকছি? এই আইনের মধ্যে যদি উনি আনতো যে ডাক্তাররা এবং বৈজ্ঞানিকরা রাজনীতি করতে পারবে না তাহলে খুব খুশি হতাম।  কিন্তু সেটা আনা হয়নি।  ডাক্তাররা যদি এদেশে রাজনীতি করে তাহলে আমরা কী করবো? আমাদের কাজটা কী? ওনারা চলে আসুক রাজনীতি করতে। যারা ভালো ছাত্র তারা ডাক্তারি পড়ে, কিন্তু তারা যদি রাজনীতি করে তাহলে আমরা সেবা বঞ্চিত হচ্ছি।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ এ সময় বলেন, দেশের পঞ্চাশ বছর অতিক্রম করেছি আমরা।  তারপরও বর্তমানে স্বাস্থ্যব্যবস্থার বেহাল দশা।  আমরা এখনও পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল এবং বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে কোনো পার্থক্য করতে পারিনি।  যারা আজকে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত তারাই আজকে বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসা করছে।

তিনি বলেন, এতগুলো বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন, এগুলো মানসম্মত? আজকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে যারা শিক্ষা অর্জন করছে তারা কজন বিসিএসে টিকছে? ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মেডিকেল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে যে অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে এই ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? যে সব ছাত্ররা, অভিভাবকরা অনিয়ম করে সেখানে ভর্তি হয়েছে; যারা চিকিৎসাবিজ্ঞানে জ্ঞান অর্জন করবে, সে ব্যাপারে সরকার বলেছিল এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সিআইডি রিপোর্ট দিচ্ছে এখানে লাগাতার ৭ বছর অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর