‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের
jugantor
‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩৯:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের

‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ’ নামে একটি সংগঠনের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার প্রজন্ম লীগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

তবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনার পর সড়ক থেকে প্রজন্ম লীগের মঞ্চ সরিয়ে নেওয়া হয়। বাঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে কিছুক্ষণ অগে খবর পেলাম প্রচার লীগ নামে এক ভুইফোঁড় দোকান, প্রতিষ্ঠালগ্নের কী আয়োজন করেছে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের ব্যপারে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু লীগ আর আওয়ামী যখন যুক্ত হয় তখন এখানে আমাদের সংশ্লিষ্টতা এসে যায়। এখানে আমাদের ভাবমূর্তির বিষয়টা এসে যায়, কারণ এসব দোকান অনেকে খুলে থাকে চাঁদাবাজির জন্য, এগুলো আসলে চাঁদাবাজির প্রতিষ্ঠান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাই করে তা না, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, এরা চাঁদাবাজিনির্ভর। এরা দলের নাম ভাঙ্গায়। কাজেই এই সব সংগঠনের কোনো প্রকার আয়োজনে, বৈঠকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হোক যেটাই হোক, আমি আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের আহ্বান জানাব, আপনারা কোনো অবস্থাতেই এইসব সংগঠনের সভায় আপনারা আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত থাকবেন না।

‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ অনুষ্ঠান বন্ধ করলেন ওবায়দুল কাদের
ছবি-সংগৃহীত

‘মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ’ নামে একটি সংগঠনের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার প্রজন্ম লীগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

তবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনার পর সড়ক থেকে প্রজন্ম লীগের মঞ্চ সরিয়ে নেওয়া হয়। বাঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে কিছুক্ষণ অগে খবর পেলাম প্রচার লীগ নামে এক ভুইফোঁড় দোকান, প্রতিষ্ঠালগ্নের কী আয়োজন করেছে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের ব্যপারে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু লীগ আর আওয়ামী যখন যুক্ত হয় তখন এখানে আমাদের সংশ্লিষ্টতা এসে যায়। এখানে আমাদের ভাবমূর্তির বিষয়টা এসে যায়, কারণ এসব দোকান অনেকে খুলে থাকে চাঁদাবাজির জন্য, এগুলো আসলে চাঁদাবাজির প্রতিষ্ঠান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাই করে তা না, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, এরা চাঁদাবাজিনির্ভর। এরা দলের নাম ভাঙ্গায়। কাজেই এই সব সংগঠনের কোনো প্রকার আয়োজনে, বৈঠকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হোক যেটাই হোক, আমি আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের আহ্বান জানাব, আপনারা কোনো অবস্থাতেই এইসব সংগঠনের সভায় আপনারা আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত থাকবেন না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর