দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছে না: মির্জা ফখরুল
jugantor
দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছে না: মির্জা ফখরুল

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৩:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১/১১ এর চক্রান্ত থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। ২০০৮ সালের নির্বাচন এবং পরবর্তী নির্বাচন সবই একই লক্ষে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজকে আমাদের দুর্ভাগ্য দেশ কিন্তু রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করে না। রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠাগুলোকে তারা সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পার্লামেন্টে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্বই নেই। ২০১৪ সালে তারা ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করে একটা সংসদ গঠন করেছিলো। ২০১৮ সালে আগের রাতেই নির্বাচন করেছে। সেই নির্বাচনে জনগণের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু ও দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ডিইউজের শাহীন হাসনাত, বাসির জামাল, রাশেদুল হক প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার পরিকল্পিতভাবে সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, সত্য কথা যাতে বলতে না পারি সেজন্য নতুন নতুন আইন তৈরি করছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট করেছে। এখন নতুন একটি আইন তৈরি করতে যাচ্ছে সেটাকে তারা বলছে ব্যক্তি সুরক্ষা আইন। এটা আরেকটা কৌশলে নিয়ন্ত্রণ করা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা লেখালেখি করেন, যারা মত দেন তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই আইনটা করতে যাচ্ছেন। তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২১০টি পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কারাবন্দি সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি।

শওকত মাহমুদ বলেন, দেশে আজ মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। বহু সাংবাদিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে জেলে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন।

কাদের গণি চৌধুরী বলেন, দেশে এক ভয়াবহ সংকটকাল অতিক্রম করছে। ক্ষমতার প্রভাব বলয় থেকে মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এক কথায় গণমাধ্যম এখন ততটুকুই স্বাধীন, যতটুকু সরকারের পক্ষে যায়।

দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছে না: মির্জা ফখরুল

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১/১১ এর চক্রান্ত থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। ২০০৮ সালের নির্বাচন এবং পরবর্তী নির্বাচন সবই একই লক্ষে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজকে আমাদের দুর্ভাগ্য দেশ কিন্তু রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করে না। রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠাগুলোকে তারা সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পার্লামেন্টে  জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্বই নেই। ২০১৪ সালে তারা ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করে একটা সংসদ গঠন করেছিলো। ২০১৮ সালে আগের রাতেই নির্বাচন করেছে। সেই নির্বাচনে জনগণের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। 

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কাদের গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু ও দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ডিইউজের শাহীন হাসনাত, বাসির জামাল, রাশেদুল হক প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার পরিকল্পিতভাবে সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, সত্য কথা যাতে বলতে না পারি সেজন্য নতুন নতুন আইন তৈরি করছে।  ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট করেছে। এখন নতুন একটি আইন তৈরি করতে যাচ্ছে সেটাকে তারা বলছে ব্যক্তি সুরক্ষা আইন। এটা আরেকটা কৌশলে নিয়ন্ত্রণ করা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা লেখালেখি করেন, যারা মত দেন তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই আইনটা করতে যাচ্ছেন। তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২১০টি পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। 

ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কারাবন্দি সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি।

শওকত মাহমুদ বলেন, দেশে আজ মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। বহু সাংবাদিক মত প্রকাশ করতে গিয়ে জেলে গেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। 

কাদের গণি চৌধুরী বলেন, দেশে এক ভয়াবহ সংকটকাল অতিক্রম করছে। ক্ষমতার প্রভাব বলয় থেকে মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এক কথায় গণমাধ্যম এখন ততটুকুই স্বাধীন, যতটুকু সরকারের পক্ষে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন