সরকার গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে: মির্জা ফখরুল
jugantor
সরকার গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৪:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সরকার গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে পত্রিকায় দেখলাম, সাময়িক বিচারপতি নিয়োগ হয়েছে। এটাও দলীয়ভাবে হয়েছে। প্রশাসনের লোক নেওয়া হচ্ছে দলীয় ভিত্তিতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে লোক নেওয়া হচ্ছে সব দলীয় ভিত্তিতে। যেখানে চাকরির জন্য যাবে সেখানে দলীয় ভিত্তিতে নেওয়া হয়। এভাবে পুরো প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে, রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আ স ম হান্নান শাহ স্মৃতি পরিষদ।

সংগঠনের আহবায়ক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে ও জেলা নেতা মজিবুর রহমান ও সাখাওয়াত হোসেন সবুজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, কৃষক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবুল, গাজীপুর বিএনপির ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, খন্দকার আজিজুল রহমান পেয়ারা, হেলাল উদ্দিন, ভিপি ইব্রাহিম, আবু তাহের মসুল্লি, সাংবাদিক রাশেদুল হক এবং প্রয়াত হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান বক্তব্য রাখেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমাদের পাঁচ শতাধিক নেতা গুম হয়ে গেছেন, সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে ‘জোটবদ্ধ’ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। আজকে শুধু বিএনপির জন্য নয়, দেশকে বাঁচাতে, জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, বাঁচার অধিকার, কাজের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জোট বাঁধতে হবে, বিভক্তি নয়। সেটাই হবে আ স ম হান্নান শাহের প্রতি সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান প্রদর্শন।

মির্জা আব্বাস বলেন, কথা পরিষ্কার। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি ও দেশের জনগণ যাবে না। সরকারের পতন ঘটিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যেভাবে যা হবে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমরা বলতে চাই, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। চেষ্টা করলে প্রতিরোধ করা হবে, বাধা দেওয়া হবে। নেতাকর্মীদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সরকার গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

সরকার গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

সোমবার এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে পত্রিকায় দেখলাম, সাময়িক বিচারপতি নিয়োগ হয়েছে। এটাও দলীয়ভাবে হয়েছে। প্রশাসনের লোক নেওয়া হচ্ছে দলীয় ভিত্তিতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে লোক নেওয়া হচ্ছে সব দলীয় ভিত্তিতে। যেখানে চাকরির জন্য যাবে সেখানে দলীয় ভিত্তিতে নেওয়া হয়। এভাবে পুরো প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে, রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করে ফেলেছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আ স ম হান্নান শাহ স্মৃতি পরিষদ। 

সংগঠনের আহবায়ক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে ও জেলা নেতা মজিবুর রহমান ও সাখাওয়াত হোসেন সবুজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, কৃষক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবুল, গাজীপুর বিএনপির ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, খন্দকার আজিজুল রহমান পেয়ারা, হেলাল উদ্দিন, ভিপি ইব্রাহিম, আবু তাহের মসুল্লি, সাংবাদিক রাশেদুল হক এবং প্রয়াত হান্নান শাহের ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান বক্তব্য রাখেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমাদের পাঁচ শতাধিক নেতা গুম হয়ে গেছেন, সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে ‘জোটবদ্ধ’ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। আজকে শুধু বিএনপির জন্য নয়, দেশকে বাঁচাতে, জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, বাঁচার অধিকার, কাজের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জোট বাঁধতে হবে, বিভক্তি নয়। সেটাই হবে আ স ম হান্নান শাহের প্রতি সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান প্রদর্শন। 

মির্জা আব্বাস বলেন, কথা পরিষ্কার। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি ও দেশের জনগণ যাবে না। সরকারের পতন ঘটিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যেভাবে যা হবে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমরা বলতে চাই, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। চেষ্টা করলে প্রতিরোধ করা হবে, বাধা দেওয়া হবে। নেতাকর্মীদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন