ইসলাম ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা
jugantor
মুরাদকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ
ইসলাম ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৮:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মুরাদ হাসান ও সাঈদ খোকন

রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে বাদ দেওয়ার বক্তব্য দেওয়ায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, এই যে কয়েকদিন আগে এক প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে বলতে শুনলাম, ‘আমি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব ‘ ওনি কী বললেন? ওনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান, আমরা জানিও মুসলমান।

মুরাদকে চ্যালেঞ্জ করে সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা বাংলাদেশে, দেখেন এমপি থাকতে পারেন কিনা? বড় বড় কথা বলেন।

বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের আহ্বায়কবীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে শনিবার বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের ১০ম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও ৯ম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির ৫ম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ এমপি।

তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মুরাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সাঈদ খোকন বলেন, আরে ভাই আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? দলীয় একটা ফোরাম আছে না? আপনি দলীয় ফোরামে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। আপনি মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটা নিয়ে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। আপনি স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন-আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ।

তিনি বলেন, সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। ফট করে একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে? ফট করে একটা কথা বলেন যা ইচ্ছা তাই।
মুরাদ হাসানের উদ্দেশে সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে?

ঢাকার প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের পুত্র সাঈদ খোকন বলেন, আরে ভাই রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলামের থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে বলেন। বলেন, আমি ইসলাম মানি না। বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে? আমরা আটকাবো? আপনি খারিজ করে দেন, যান। নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেচামেচি করে। এটা কী রকম কথা?

তিনি বলেন, এদেরকে আমি বলি-নামে মুসলমান। বাপ-দাদা মুসলমানেরএকটা নাম দিয়েছে।কিন্তু আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এদেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না।

মুরাদকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ

ইসলাম ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুরাদ হাসান ও সাঈদ খোকন
মুরাদ হাসান ও সাঈদ খোকন

রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে বাদ দেওয়ার বক্তব্য দেওয়ায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন,  এই যে কয়েকদিন আগে এক প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে বলতে শুনলাম, ‘আমি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব ‘  ওনি কী বললেন? ওনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান, আমরা জানিও মুসলমান। 

মুরাদকে চ্যালেঞ্জ করে সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা বাংলাদেশে, দেখেন এমপি থাকতে পারেন কিনা? বড় বড় কথা বলেন। 

বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে শনিবার বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের ১০ম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও ৯ম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির ৫ম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ এমপি। 

তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মুরাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সাঈদ খোকন বলেন,  আরে ভাই আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? দলীয় একটা ফোরাম আছে না? আপনি দলীয় ফোরামে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। আপনি মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটা নিয়ে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। আপনি স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন-আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ। 

তিনি বলেন, সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। ফট করে একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে? ফট করে একটা কথা বলেন যা ইচ্ছা তাই। 
মুরাদ হাসানের উদ্দেশে সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে? 

ঢাকার প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের পুত্র সাঈদ খোকন বলেন, আরে ভাই রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলামের থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে বলেন। বলেন, আমি ইসলাম মানি না। বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে? আমরা আটকাবো? আপনি খারিজ করে দেন, যান। নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেচামেচি করে। এটা কী রকম কথা? 

তিনি বলেন, এদেরকে আমি বলি-নামে মুসলমান। বাপ-দাদা মুসলমানের একটা নাম দিয়েছে। কিন্তু আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এদেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন