সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার আহ্বান
jugantor
সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার আহ্বান

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ২৩:২৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

অনুপন সেন

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সমাজ বিজ্ঞানী অনুপম সেন। সোমবার বিকালে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী এক সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানান তিনি।

পূজা মণ্ডপ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদ চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‘সাম্প্রদায়িকতা নিপাত যাব-মানবতা মুক্তি পাক’ স্লোগান নিয়ে এই বিক্ষোভের আয়োজন করে ‘সর্বস্তরের সংস্কৃতিকর্মী ও সচেতন নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রাম’।

সমাবেশে অনুপম সেন বলেন, আমি দাবি করছি, ১৯৮৮ সালে যে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেছিল এরশাদ তা বাদ দিতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানকে একটি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক সংবিধান হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকে, তবে অন্যরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। যদি বলেন সবাই দেশের নাগরিক, তবে তো রাষ্ট্রধর্ম থাকতে পারে না।

অনুপম সেন বলেন, বাংলাদেশের এক সম্প্রদায়ের নাগরিকদের দুর্গাপূজাকে নানাভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আমি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। প্রশ্ন করতে পারেন, কী করেছেন আপনারা? আমরা একটি আধুনিক বাংলাদেশ করতে চেয়েছিলাম। মাত্র ১০ মাসে বঙ্গবন্ধু এক অসাধারণ সংবিধান দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, (বাংলাদেশ) হিন্দুর বা মুসলমানের নয়। বঙ্গবন্ধু সেদিন ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, দেশে প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। কেউ ধর্মকে ব্যবহার করতে পারবে না।

১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল নীতি ধরে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর তার উল্টোদিকে যাত্রা শুরু হয়। তার ধারাবাহিকতায় সামরিক শাসক এরশাদ সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী এনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম যুক্ত করেন সংবিধানে। এরপর সংবিধান অনেকবার সংশোধন হলেও রাষ্ট্রধর্মের বিধানটি রয়েই গেছে।

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার আহ্বান

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অনুপন সেন
ছবি : সংগৃহীত

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সমাজ বিজ্ঞানী অনুপম সেন। সোমবার বিকালে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী এক সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানান তিনি।

পূজা মণ্ডপ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদ চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

‘সাম্প্রদায়িকতা নিপাত যাব-মানবতা মুক্তি পাক’ স্লোগান নিয়ে এই বিক্ষোভের আয়োজন করে ‘সর্বস্তরের সংস্কৃতিকর্মী ও সচেতন নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রাম’। 

সমাবেশে অনুপম সেন বলেন, আমি দাবি করছি, ১৯৮৮ সালে যে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করেছিল এরশাদ তা বাদ দিতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধানকে একটি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক সংবিধান হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকে, তবে অন্যরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। যদি বলেন সবাই দেশের নাগরিক, তবে তো রাষ্ট্রধর্ম থাকতে পারে না।

অনুপম সেন বলেন, বাংলাদেশের এক সম্প্রদায়ের নাগরিকদের দুর্গাপূজাকে নানাভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আমি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। প্রশ্ন করতে পারেন, কী করেছেন আপনারা? আমরা একটি আধুনিক বাংলাদেশ করতে চেয়েছিলাম। মাত্র ১০ মাসে বঙ্গবন্ধু এক অসাধারণ সংবিধান দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, (বাংলাদেশ) হিন্দুর বা মুসলমানের নয়। বঙ্গবন্ধু সেদিন ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, দেশে প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। কেউ ধর্মকে ব্যবহার করতে পারবে না।

১৯৭১ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল নীতি ধরে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর তার উল্টোদিকে যাত্রা শুরু হয়। তার ধারাবাহিকতায় সামরিক শাসক এরশাদ সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী এনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম যুক্ত করেন সংবিধানে। এরপর সংবিধান অনেকবার সংশোধন হলেও রাষ্ট্রধর্মের বিধানটি রয়েই গেছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর