সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির
jugantor
সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৩৮:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টাকারীদের দেশ ও জাতির শত্রু উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননাকারী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা মণ্ডপে আক্রমণ ও মূর্তি ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন সংগঠনটির নেতারা।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইন বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রবাদ ও বর্ণবাদ মানব সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু। এ মানবতার শত্রুদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য দেশ, অঞ্চল ও বিশ্বের অসাম্প্রদায়িক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে মানুষ ও মানবতার দুষমনদের বিরুদ্ধে।

গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, আমরা আগেই আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেছিলাম এমন সাম্প্রদায়িক উসকানির পেছনে স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের হাত রয়েছে। সম্প্রতি তাদের একজন নেতার ফোনালাপ ফাঁসের পর এই ধারণা এখন বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। তাই দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে জড়িত সব নেতাদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রদান করা করতে হবে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু-মুসলিম উভয় পক্ষ থেকেই প্রতিবাদ সমাবেশ করা হচ্ছে যা দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

সার্বিক পরিস্থিতিকে বিবেচনায় রেখে ওলামা-মাশায়েখ ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সচেতনতা কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি পেশ করে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি।

দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ও এরসঙ্গে জড়িত বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী এবং তাদের দোসরদের গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে।

২. মসজিদ, মন্দির, পূজা মণ্ডপ, ঈদগাহ এমন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩. কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোনো পক্ষের, যে কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিতে হবে।

৪. ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের প্রত্যেককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে যথাযোগ্য শাস্তি প্রদান করতে হবে।

৫. বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন সম্প্রদায় অপর সম্প্রদায়ের ধর্ম এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত হানলে দল-মত নির্বিশেষে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির মহাসচিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, কাজী মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মুফতি আব্দুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ, হাফেজ মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির মানববন্ধন। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টাকারীদের দেশ ও জাতির শত্রু উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি। 

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। 

কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননাকারী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা মণ্ডপে আক্রমণ ও মূর্তি ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন সংগঠনটির নেতারা। 

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইন বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রবাদ ও বর্ণবাদ মানব সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু। এ মানবতার শত্রুদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য দেশ, অঞ্চল ও বিশ্বের অসাম্প্রদায়িক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে মানুষ ও মানবতার দুষমনদের বিরুদ্ধে।

গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, আমরা আগেই আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেছিলাম এমন সাম্প্রদায়িক উসকানির পেছনে স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের হাত রয়েছে। সম্প্রতি তাদের একজন নেতার ফোনালাপ ফাঁসের পর এই ধারণা এখন বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। তাই দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে জড়িত সব নেতাদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রদান করা করতে হবে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু-মুসলিম উভয় পক্ষ থেকেই প্রতিবাদ সমাবেশ করা হচ্ছে যা দেশের  পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। 

সার্বিক পরিস্থিতিকে বিবেচনায় রেখে ওলামা-মাশায়েখ ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সচেতনতা কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি পেশ করে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি। 

দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ও এরসঙ্গে জড়িত বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী এবং তাদের দোসরদের গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। 

২. মসজিদ, মন্দির, পূজা মণ্ডপ, ঈদগাহ এমন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা বাধ্যতামূলক করতে হবে। 

৩. কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোনো পক্ষের, যে কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিতে হবে। 

 ৪. ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের প্রত্যেককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে যথাযোগ্য শাস্তি প্রদান করতে হবে।

৫. বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন সম্প্রদায় অপর সম্প্রদায়ের ধর্ম এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত হানলে দল-মত নির্বিশেষে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির মহাসচিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মাওলানা শাহ মো. ওমর ফারুক, কাজী মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মুফতি আব্দুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ, হাফেজ মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন