খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় এলেন কোকোর স্ত্রী 
jugantor
খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় এলেন কোকোর স্ত্রী 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫২:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় এসেছেন তার প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

রোববার রাতে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে শাশুড়ি খালেদা জিয়াকে দেখতে এভার কেয়ার হাসপাতালে যান শর্মিলা রহমান। এখনও তিনি হাসপাতালে আছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার বিএনপির একটি দলীয় সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। কোকোর মৃত্যুর পর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দুই সন্তানকে নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে লন্ডনে চলে যান। এখন তারা সেখানেই বসবাস করছেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে সোমবার বিকাল ৪টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যগত বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানাবেন বলে জানা গেছে।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত চার দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। করোনাপরবর্তী জটিলতা নিয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি।

খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় এলেন কোকোর স্ত্রী 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় এসেছেন তার প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

রোববার রাতে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে শাশুড়ি খালেদা জিয়াকে দেখতে এভার কেয়ার হাসপাতালে যান শর্মিলা রহমান। এখনও তিনি হাসপাতালে আছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার বিএনপির একটি দলীয় সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। কোকোর মৃত্যুর পর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দুই সন্তানকে নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে লন্ডনে চলে যান।  এখন তারা সেখানেই বসবাস করছেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে সোমবার বিকাল ৪টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যগত বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানাবেন বলে জানা গেছে।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত চার দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।  করোনাপরবর্তী জটিলতা নিয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন