আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ: গয়েশ্বর
jugantor
আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ: গয়েশ্বর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০০:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ: গয়েশ্বর

আঘাত হলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সম্প্রীতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর রায় বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আপনাদের আমাদের যে সংগঠিত করছেন, আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। যে কোনো মুহুর্তে আন্দোলনের ডাক পড়বে। সময় পাবেন অথবা সময় পাবেন না। আজকে যেমনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তার থেকে শতগুন শক্তি নিয়ে রাজপথে থাকতে হবে। রাজপথে যে বাঁধা আসবে সেই বাধা অতিক্রম করতে হবে। আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আঘাত করলে আমরা নির্ভয়ে মাথা পেতে নেব না— এই কথাটা পরিষ্কারভাবে প্রশাসনকে বলতে চাই। সময় থাকতে পদত্যাগ করুন, দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনুন। আর মন্দির হামলার সঙ্গে জড়িত সেই প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করুন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে যে মামলা দিয়েছেন তা প্রত্যাহার করুন, যাদের গ্রেফতার করেছেন তাদের মুক্তি দিন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ আন্দোলনের মাধ্যমেই, অন্য কোনো পথ নেই। সে জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে।

সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, দলের নেতা—মীর সরফত আলী সপু, আবদুস সালাম আজাদ, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ: গয়েশ্বর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ: গয়েশ্বর
ছবি: সংগৃহীত

আঘাত হলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সম্প্রীতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর রায় বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আপনাদের আমাদের যে সংগঠিত করছেন, আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। যে কোনো মুহুর্তে আন্দোলনের ডাক পড়বে।  সময় পাবেন অথবা সময় পাবেন না। আজকে যেমনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তার থেকে শতগুন শক্তি নিয়ে রাজপথে থাকতে হবে। রাজপথে যে বাঁধা আসবে সেই বাধা অতিক্রম করতে হবে।  আঘাত করলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।  আঘাত করলে আমরা নির্ভয়ে মাথা পেতে নেব না— এই কথাটা পরিষ্কারভাবে প্রশাসনকে বলতে চাই।  সময় থাকতে পদত্যাগ করুন, দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনুন। আর মন্দির হামলার সঙ্গে জড়িত সেই প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করুন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে যে মামলা দিয়েছেন তা প্রত্যাহার করুন, যাদের গ্রেফতার করেছেন তাদের মুক্তি দিন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ আন্দোলনের মাধ্যমেই, অন্য কোনো পথ নেই। সে জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে।

সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, দলের নেতা—মীর সরফত আলী সপু, আবদুস সালাম আজাদ, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন