‘এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না’
jugantor
‘এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:০০:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। তারা বলেন, সরকার পতনের পর নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই ভোট হতে হবে।

বুধবার বিকালে যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের সিনিয়র নেতারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, আর কথা অথবা প্রতিজ্ঞা নয়, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণকে দেখিয়ে দিতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে যুবদল। যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের আব্দুল কাদির ভ‚ইয়া জুয়েল, যুবদল নেতা মোরতাজুল করিম বাদরু, নুরুল ইসলাম নয়ন, তরিকুল ইসলাম বনি, এস এম জাহাঙ্গীর, মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান যুবদল গঠন করেছিলেন ভবিষ্যত নেতৃত্ব দেবে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে- এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেই কাজটিই করছে যুবদল। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে যুবদলকে দায়িত্ব নিতে হবে। এই দানব সরকারকে সরাতে হবে। এ জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের লক্ষ্য একটিই সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এরপর নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে জনগণের সরকার।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, যুবদল ও ছাত্রদল বিএনপির প্রবেশ দ্বার। ছাত্রদল ও যুবদল শক্তিশালী হলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। আগামী আন্দোলন সংগ্রামে তাদেরকে ভূমিকা রাখতে হবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আর কথা নয়, প্রতিজ্ঞা নয়। সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণকে দেখিয়ে দিতে হবে আমরাও পারি। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দেশে পরিবর্তন আনতে পারে জিয়াউর রহমানের সৈনিকরাই।

এরআগে সকালে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে শেরে বাংলানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যুবদলের নেতাকর্মীরা। শ্রদ্ধা শেষে মির্জা আব্বাস বলেন, সরকার বিএনপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে তাড়াতে বিএনপি যথেষ্ট। এ কারণে সরকার বিএনপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, এসব ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওদের যা উদ্দেশ্য ছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করেছে। প্রথমত, বিএনপিকে সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে জাতির কাছে তুলে ধরা। দ্বিতীয়ত, ভারতে নির্বাচন চলছে সেই নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে যে নির্বাচন আসছে সেই নির্বাচনে প্রভাব ফেলা। এটা মোটেও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নয়।

এ সময় যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ সংগঠনটির ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

‘এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। তারা বলেন, সরকার পতনের পর নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই ভোট হতে হবে। 

বুধবার বিকালে যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের সিনিয়র নেতারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, আর কথা অথবা প্রতিজ্ঞা নয়, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণকে দেখিয়ে দিতে হবে। 

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে যুবদল। যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের আব্দুল কাদির ভ‚ইয়া জুয়েল, যুবদল নেতা মোরতাজুল করিম বাদরু, নুরুল ইসলাম নয়ন, তরিকুল ইসলাম বনি, এস এম জাহাঙ্গীর, মাহবুবুল হাসান ভুঁইয়া পিংকু প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান যুবদল গঠন করেছিলেন ভবিষ্যত নেতৃত্ব দেবে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে- এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেই কাজটিই করছে যুবদল। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে যুবদলকে দায়িত্ব নিতে হবে। এই দানব সরকারকে সরাতে হবে। এ জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের লক্ষ্য একটিই সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এরপর নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে জনগণের সরকার।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, যুবদল ও ছাত্রদল বিএনপির প্রবেশ দ্বার। ছাত্রদল ও যুবদল শক্তিশালী হলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। আগামী আন্দোলন সংগ্রামে তাদেরকে ভূমিকা রাখতে হবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আর কথা নয়, প্রতিজ্ঞা নয়। সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণকে দেখিয়ে দিতে হবে আমরাও পারি। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দেশে পরিবর্তন আনতে পারে জিয়াউর রহমানের সৈনিকরাই। 

এরআগে সকালে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে শেরে বাংলানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যুবদলের নেতাকর্মীরা। শ্রদ্ধা শেষে মির্জা আব্বাস বলেন, সরকার বিএনপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।  আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে তাড়াতে বিএনপি যথেষ্ট। এ কারণে সরকার বিএনপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, এসব ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওদের যা উদ্দেশ্য ছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করেছে। প্রথমত, বিএনপিকে সাম্প্রদায়িক দল হিসেবে জাতির কাছে তুলে ধরা। দ্বিতীয়ত, ভারতে নির্বাচন চলছে সেই নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে যে নির্বাচন আসছে সেই নির্বাচনে প্রভাব ফেলা। এটা মোটেও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নয়। 

এ সময় যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ সংগঠনটির ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন