‘সরকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে বিএনপি দমনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে’
jugantor
‘সরকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে বিএনপি দমনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩১ অক্টোবর ২০২১, ২০:১৮:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটিয়ে একে বিএনপি দমনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা বিনষ্ট করছে তারা অত্যন্ত সুচতুরভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধবংস করে একটি দলকে স্থায়ীভাবে রাখার জন্য কাজ করছে। এই পর্যন্ত যতগুলো ঘটনা ঘটেছে প্রত্যেকটি ঘটনায় দেখবেন আওয়ামী লীগের কোনো না কোনো সংগঠনের বা নেতৃবৃন্দ ওই সব ঘটনার সূত্রপাত করেছে। আজ পর্যন্ত তার কোনো বিচার হয়নি। হবে না এই জন্য যে, অস্ত্রটা তাদের দরকার।এই অস্ত্র দিয়ে তারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে, ভোটের অধিকারের জন্য যারা লড়াই করছে তাদেরকে তারা রুখে দিতে চায়, তাদেরকে তারা স্তব্ধ করতে চায়।

রোববার ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের নানা ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে সেটার একটিই উদ্দেশ্য, সেটা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। সেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হচ্ছে যে, বর্তমানে যারা বেআইনিভাবে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছেন তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করা এবং সামনে আবার নির্বাচনী নির্বাচনী খেলা আসছে সেই খেলায় আবার জয়লাভ করা। এটা হচ্ছে মূল্য লক্ষ্য। ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রথম থেকে বলে আসছি যে, সরকার এই সব ঘটনার সাথে সম্পূর্ণভাবে দায়ী। এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে তারা। উদ্দেশ্য বিএনপিকে আবার জড়িয়ে দিয়ে জনগণের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তার অধিকার আদায়ের জন্যে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে, তার নিরাপত্তার জন্য দাবিতে তা থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন থেকে সরিয়ে দেয়া।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও আজকের প্রেক্ষাপট, আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব নিপুণ রায় চৌধুরী।

সংগঠনের আহ্বায়ক সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য আজিজুল বারী হেলালের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু,নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ,জেএসডির সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন তালুকদার, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, সুকোমল বড়ুয়া, রুহুল কবির রিজভী, গৌতম চক্রবর্তী, এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জহির উদ্দিন স্বপন, খন্দকার আবু আশফাক, আফরোজা আব্বাস, মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকুতি কুমার মণ্ডল,জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নুরÍল আমিন রোকন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদষ্টো বিজন কান্তি সরকার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আমিনুল হক, রবিউল ইসলাম রবি,মশিউর রহমান বিপ্লব, একরামুল হক বিপ্লব, রমেশ দত্ত, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুলস্নাহ, শেখ শামীম, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, আরিফা সুলতানা রÍমা প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনে তরুণ-যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবাই পরিবর্তন চাই, এই মুহূর্তে পরিবর্তন চাই। এই পরিবর্তন ঘটাতে হলে সবার আগে যাদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন সেই তরুণ ও যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো অবশ্যই তাদের ভূমিকা পালন করবে। সেই রাজনৈতিক দলগুলোতে যাদেরকে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে তারা হচ্ছে তরুণ-যুবকদের। আমরা আন্দোলনে আছি, আমরা আন্দোলন করছি। বহুদলীয় গণতন্ত্র, বহুদলীয় চিন্তা, বহুদলীয় সমাজ নির্মাণ, শত ফুল ফুঁটতে দাও- সেই লক্ষ্যে আমাদের এগুতে হবে। আমরা অত্যন্তক আশাবাদী। কারণ এদেশের মানুষ কখনও ব্যর্থ হয়নি। বারবার সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে, বারবার মানুষ জয়ী হয়েছে। হয়ত কিছুদিনের জন্য আমরা পিছিয়ে থাকতে পারি কিন্তু কখনই আমরা পরাজিত হইনি, হব না। আমরা বিশ্বাস করি, যে আমরা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, এদেশের মানুষের ঐক্যের মধ্য দিয়ে যে লক্ষ্য গণতানি্ত্রক সমাজ, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেটা অবশ্যই আমরা ফিরিয়ে আনতে পারবো।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে যেরকম এই আলোচনা সভায় বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাদের দেখছি। আমরা যদি একটু এক সঙ্গে হই, যদি একবার একসঙ্গে হুংকার দেই এই সরকার কিন্তু থাকবে না। এই সরকার এখন কাগুজে বাঘ। ছোট একটা টোকা দিলে তারা পড়ে যাবে। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই হামলা কোনো সাম্প্রদায়িক নয়। এটা রাজনৈতিক হামলা। সাম্প্রদায়িক বলে এটাকে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার সাম্প্রদায়িকতাকে ঘরের মধ্যে পুষে রাখে। যখন দরকার তখন সেটাকে কাজে লাগায়, যখন যখন যেই কৌশল নিলে তাদের ক্ষমতাকে পোক্ত করার মতো ব্যাপার হয় সেটা করে।

গণফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরম্পরায় আমরা একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছি। পুরো দেশটা একটা ভণ্ডামির মধ্যে এসে গেছে প্রতিটা ক্ষেত্রে। আজকে যদি সত্যজিত রায় বেঁচে থাকতেন তাহলে আরেকটা নতুন ঐতিহাসিক ছবি পেতাম- সেটা হলো- ‘হীরক রানীর দেশ’।

‘সরকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে বিএনপি দমনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটিয়ে একে বিএনপি দমনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা বিনষ্ট করছে তারা অত্যন্ত সুচতুরভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধবংস করে একটি দলকে স্থায়ীভাবে রাখার জন্য কাজ করছে। এই পর্যন্ত যতগুলো ঘটনা ঘটেছে প্রত্যেকটি ঘটনায় দেখবেন আওয়ামী লীগের কোনো না কোনো সংগঠনের বা নেতৃবৃন্দ ওই সব ঘটনার সূত্রপাত করেছে। আজ পর্যন্ত তার কোনো বিচার হয়নি। হবে না এই জন্য যে, অস্ত্রটা তাদের দরকার।এই অস্ত্র দিয়ে তারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে, ভোটের অধিকারের জন্য যারা লড়াই করছে তাদেরকে তারা রুখে দিতে চায়, তাদেরকে তারা স্তব্ধ করতে চায়।

রোববার ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। 

কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের নানা ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে সেটার একটিই উদ্দেশ্য, সেটা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। সেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হচ্ছে যে, বর্তমানে যারা বেআইনিভাবে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছেন তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করা এবং সামনে আবার নির্বাচনী নির্বাচনী খেলা আসছে সেই খেলায় আবার জয়লাভ করা। এটা হচ্ছে মূল্য লক্ষ্য। ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রথম থেকে বলে আসছি যে, সরকার এই সব ঘটনার সাথে সম্পূর্ণভাবে দায়ী। এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে তারা। উদ্দেশ্য বিএনপিকে আবার জড়িয়ে দিয়ে জনগণের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তার অধিকার আদায়ের জন্যে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে, তার নিরাপত্তার জন্য দাবিতে তা থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন থেকে সরিয়ে দেয়া।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও আজকের প্রেক্ষাপট, আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়। 

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব নিপুণ রায় চৌধুরী। 

সংগঠনের আহ্বায়ক সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য আজিজুল বারী হেলালের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু,নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ,জেএসডির সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন তালুকদার, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, সুকোমল বড়ুয়া, রুহুল কবির রিজভী, গৌতম চক্রবর্তী, এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জহির উদ্দিন স্বপন, খন্দকার আবু আশফাক, আফরোজা আব্বাস, মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকুতি কুমার মণ্ডল,জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নুরÍল আমিন রোকন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদষ্টো  বিজন কান্তি সরকার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আমিনুল হক, রবিউল ইসলাম রবি,মশিউর রহমান বিপ্লব, একরামুল হক বিপ্লব, রমেশ দত্ত, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুলস্নাহ, শেখ শামীম, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, আরিফা সুলতানা রÍমা প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনে তরুণ-যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবাই পরিবর্তন চাই, এই মুহূর্তে পরিবর্তন চাই। এই পরিবর্তন ঘটাতে হলে সবার আগে যাদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন সেই তরুণ ও যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো অবশ্যই তাদের ভূমিকা পালন করবে। সেই রাজনৈতিক দলগুলোতে যাদেরকে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে তারা হচ্ছে তরুণ-যুবকদের। আমরা আন্দোলনে আছি, আমরা আন্দোলন করছি। বহুদলীয় গণতন্ত্র, বহুদলীয় চিন্তা, বহুদলীয় সমাজ নির্মাণ, শত ফুল ফুঁটতে দাও- সেই লক্ষ্যে আমাদের এগুতে হবে। আমরা অত্যন্তক আশাবাদী। কারণ এদেশের মানুষ কখনও ব্যর্থ হয়নি। বারবার সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে, বারবার মানুষ জয়ী হয়েছে। হয়ত কিছুদিনের জন্য আমরা পিছিয়ে থাকতে পারি কিন্তু কখনই আমরা পরাজিত হইনি, হব না। আমরা বিশ্বাস করি,  যে আমরা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, এদেশের মানুষের ঐক্যের মধ্য দিয়ে  যে লক্ষ্য গণতানি্ত্রক সমাজ, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেটা অবশ্যই আমরা ফিরিয়ে আনতে পারবো।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে যেরকম এই আলোচনা সভায় বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাদের দেখছি। আমরা যদি একটু এক সঙ্গে হই, যদি একবার একসঙ্গে হুংকার দেই এই সরকার কিন্তু থাকবে না। এই সরকার এখন কাগুজে বাঘ। ছোট একটা টোকা দিলে তারা পড়ে যাবে। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই হামলা কোনো সাম্প্রদায়িক নয়। এটা রাজনৈতিক হামলা। সাম্প্রদায়িক বলে এটাকে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার সাম্প্রদায়িকতাকে ঘরের মধ্যে পুষে রাখে। যখন দরকার তখন সেটাকে কাজে লাগায়, যখন যখন যেই কৌশল নিলে তাদের ক্ষমতাকে পোক্ত করার মতো ব্যাপার হয় সেটা করে।

গণফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরম্পরায় আমরা একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছি। পুরো দেশটা একটা ভণ্ডামির মধ্যে এসে গেছে প্রতিটা ক্ষেত্রে। আজকে যদি সত্যজিত রায় বেঁচে থাকতেন তাহলে আরেকটা নতুন ঐতিহাসিক ছবি পেতাম- সেটা হলো- ‘হীরক রানীর দেশ’।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন