স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েব নিয়ে যা বললেন রিজভী 
jugantor
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েব নিয়ে যা বললেন রিজভী 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ নভেম্বর ২০২১, ১৩:৫৭:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মানববন্ধন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি ফাইল গায়েব হওয়া নিয়ে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের দোষারুপ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি ফাইল গায়েব হয়ে যায়, এতে কী বুঝতে বাকি আছে? এটা কারো বুঝতে বাকি নেই। আমার মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি, নেতারা দেশ ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছেন। তাই যাতে কোনো ডকুমেন্ট না থাকে সেজন্য এই ১৭টি ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। কারণ সামনে কোন পরিস্থিতি হয়, আবার এই ফাইলগুলো থেকে কত টাকা কোন জায়গা থেকে কত পার্সেন্টেজ দেওয়া হয়েছে, তার যদি কোনো ডকুমেন্ট থেকে থাকে এ জন্যই ফাইলগুলো হাওয়া করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে রিজভী এসব কথা বলেন।

খাদ্যপণ্য, ও ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পে ব্যবহৃত সুতা, রঙ, কেমিক্যালের দাম ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্যে রিজভী বলেন, বাংলাদেশকে আজ এমন এক অবস্থায় শেখ হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী) নিয়ে গেছেন, যার না আছে স্বাধীনতা, না আছে সার্বভৌমত্ব। আর গণতন্ত্র অনেক দিন আগেই গোরস্থানে কবর দিয়েছেন তিনি। তার যা ইচ্ছা তিনি তাই করবেন, এজন্য তাকে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মানে রাষ্ট্রের অভিভাবক, জাতির অভিভাবক। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি হচ্ছে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি।

সরকার বিনাভোটে ক্ষমতার রাজসিংহাসনে বসে আছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ওই সিংহাসনের পা ধরে ধুলায় লুটিয়ে দিতে হবে। তাহলে আবার দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস ফিরে আসবে।

রিজভী বলেন, আজকে প্রতিটি জায়গা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের পার্সেন্টেস নিশ্চিত করতেই দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। মানুষের গলায় পা দিয়ে টাকা তুলছে এই ক্ষমতাসীনরা। তারা অনির্বাচিত। তারা অগণতান্ত্রিক, তাদের নির্বাচনের দরকার নেই। তাই যারা ডাকাত, লুটেরা, দস্যুবৃত্তি যাদের রাজনীতি তারা কখনোই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চায় না।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করলেও তাদের কোনো নদীর পানি বিষাক্ত নয়। আর আপনার তুরাগ নদী, বুড়িগঙ্গা নদী নর্দমায় পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা। আর আপনি গেছেন গ্লাসগোতে জলবায়ু সম্মেলনে। বাহ কী বৈপরিত্য, কী স্ববিরোধিতা।

তাঁতী দলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, তাঁতী দলের সাবেক সভাপতি হুমায়ুন ইসলাম খান, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েব নিয়ে যা বললেন রিজভী 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ নভেম্বর ২০২১, ০১:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানববন্ধন
ছবি-যুগান্তর

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি ফাইল গায়েব হওয়া নিয়ে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের দোষারুপ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  

তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭টি ফাইল গায়েব হয়ে যায়, এতে কী বুঝতে বাকি আছে? এটা কারো বুঝতে বাকি নেই। আমার মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি, নেতারা দেশ ছেড়ে  চলে যেতে চাচ্ছেন। তাই যাতে কোনো ডকুমেন্ট না থাকে সেজন্য এই ১৭টি ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। কারণ সামনে কোন পরিস্থিতি হয়, আবার এই ফাইলগুলো থেকে কত টাকা কোন জায়গা থেকে কত পার্সেন্টেজ দেওয়া হয়েছে, তার যদি কোনো ডকুমেন্ট থেকে থাকে এ জন্যই ফাইলগুলো হাওয়া করে দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে রিজভী এসব কথা বলেন। 

খাদ্যপণ্য, ও ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পে ব্যবহৃত সুতা, রঙ, কেমিক্যালের দাম ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। 

মানববন্ধনে বক্তব্যে রিজভী বলেন, বাংলাদেশকে আজ এমন এক অবস্থায় শেখ হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী) নিয়ে গেছেন, যার না আছে স্বাধীনতা, না আছে সার্বভৌমত্ব। আর গণতন্ত্র অনেক দিন আগেই গোরস্থানে কবর দিয়েছেন তিনি। তার যা ইচ্ছা তিনি তাই করবেন, এজন্য তাকে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না। 

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মানে রাষ্ট্রের অভিভাবক, জাতির অভিভাবক। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি হচ্ছে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি। 

সরকার বিনাভোটে ক্ষমতার রাজসিংহাসনে বসে আছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ওই সিংহাসনের পা ধরে ধুলায় লুটিয়ে দিতে হবে। তাহলে আবার দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস ফিরে আসবে।

রিজভী বলেন, আজকে প্রতিটি জায়গা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের পার্সেন্টেস নিশ্চিত করতেই দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। মানুষের গলায় পা দিয়ে টাকা তুলছে এই ক্ষমতাসীনরা। তারা অনির্বাচিত। তারা অগণতান্ত্রিক, তাদের নির্বাচনের দরকার নেই। তাই যারা ডাকাত, লুটেরা, দস্যুবৃত্তি যাদের রাজনীতি তারা কখনোই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চায় না।  

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করলেও তাদের কোনো নদীর পানি বিষাক্ত নয়। আর আপনার তুরাগ নদী, বুড়িগঙ্গা নদী নর্দমায় পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা। আর আপনি গেছেন গ্লাসগোতে জলবায়ু সম্মেলনে। বাহ কী বৈপরিত্য, কী স্ববিরোধিতা।

তাঁতী দলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, তাঁতী দলের সাবেক সভাপতি হুমায়ুন ইসলাম খান, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন