‘আমলারা বডিগার্ড পেলেও এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘোরে’
jugantor
‘আমলারা বডিগার্ড পেলেও এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘোরে’

  সংসদ প্রতিবেদক  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২০:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমলারা বডিগার্ড পেলেও এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘোরে’

সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ঠিক করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

তিনি বলেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও অস্ত্রধারী আনসার সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করেন। আর সংসদ সদস্যরা (এমপি) ব্যাক্কলের মতো ঘোরেন। জেলা প্রশাসকরা বডিগার্ড পেলেও একজন এমপি ঢাকা শহরে একা একা ঘোরেন।

রোববার জাতীয় সংসদে একটি বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের স্ট্যাটাস কী, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল কী এটা জানতে চেয়ে মইন উদ্দীন খান বাদল মারাই গেছেন। উচ্চ আদালত নিজেদের মতো করে ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স ঠিক করেছে। সেটা করতে পারে আপত্তি নেই। কিন্তু একজন সংসদ সদস্য সরকারি আমলার নিচে থাকবেন এটা অসুন্দর লাগে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, কিছুদিন আগে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় আক্রমণ হয়েছিল। সে আক্রমণের কারণে এখন সারা দেশে সব ইউএনওর বাসায় ১০-১২ জন আর্মসধারী আনসার দেওয়া হয়েছে। আবার সেই ইউএনও সাহেব গাড়িতে তিন চারজন আনসার উইথ আর্মস সঙ্গে নিয়ে যান। আর আমরা এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘুরি। এমপির পার্সোনাল একটা গানও নেই।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, সময় পরিবর্তন হয়েছে। মাননীয় সংসদ নেত্রী আপনার সঙ্গে অনেকে আছেন, এমপিরা একা চলাফেরা করেন। ডিসির বডিগার্ড আছে, সচিবেরও আছে শুধু এমপিদেরই নেই।

‘আমলারা বডিগার্ড পেলেও এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘোরে’

 সংসদ প্রতিবেদক 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘আমলারা বডিগার্ড পেলেও এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘোরে’
ফাইল ছবি

সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ঠিক করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। 

তিনি বলেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও অস্ত্রধারী আনসার সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করেন। আর সংসদ সদস্যরা (এমপি) ব্যাক্কলের মতো ঘোরেন। জেলা প্রশাসকরা বডিগার্ড পেলেও একজন এমপি ঢাকা শহরে একা একা ঘোরেন। 

রোববার জাতীয় সংসদে একটি বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের স্ট্যাটাস কী, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল কী এটা জানতে চেয়ে মইন উদ্দীন খান বাদল মারাই গেছেন। উচ্চ আদালত নিজেদের মতো করে ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স ঠিক করেছে। সেটা করতে পারে আপত্তি নেই। কিন্তু একজন সংসদ সদস্য সরকারি আমলার নিচে থাকবেন এটা অসুন্দর লাগে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, কিছুদিন আগে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় আক্রমণ হয়েছিল। সে আক্রমণের কারণে এখন সারা দেশে সব ইউএনওর বাসায় ১০-১২ জন আর্মসধারী আনসার দেওয়া হয়েছে। আবার সেই ইউএনও সাহেব গাড়িতে তিন চারজন আনসার উইথ আর্মস সঙ্গে নিয়ে যান। আর আমরা এমপিরা ব্যাক্কলের মতো ঘুরি। এমপির পার্সোনাল একটা গানও নেই।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, সময় পরিবর্তন হয়েছে। মাননীয় সংসদ নেত্রী আপনার সঙ্গে অনেকে আছেন, এমপিরা একা চলাফেরা করেন। ডিসির বডিগার্ড আছে, সচিবেরও আছে শুধু এমপিদেরই নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন