আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা
jugantor
আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪৩:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি বিনিময় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

শনিবার দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এমন পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ শনিবার রাত সাড়ে আটটার মধ্যে ছাত্রদের এবং ছাত্রীদের রোববার সকাল আটটার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টা ৪৩ মিনিটে ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের ইউনিটকে জেলা শাখা ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্ত ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। রাতেই আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ প্রতিবাদ জানিয়ে কলেজ গেটের সামনে মানববন্ধন করে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একটি অংশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। দুপুর একটার দিকে জেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বহিরাগতদের নিয়ে কলেজে প্রবেশ করলে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উত্তেজনা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। কলেজ ছাত্রলীগের অভিযোগ জেলা ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ কলেজে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন জানান, জেলা ছাত্রলীগের কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। মহানগর শাখার কতিপয় নেতাকর্মী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমান উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বলা হয়, অনিবার্য কারণে কলেজের আইন শৃঙ্খলা ও হোস্টেল স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কলেজের আওতাধীন ছাত্র ও ছাত্রী নিবাস সমূহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অবস্থানরত ছাত্রদের শনিবার রাত সাড়ে আটটার মধ্যে এবং ছাত্রীদের রোববার সকাল আটটার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা

 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা
প্রতীকী ছবি

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহে সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি বিনিময় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

শনিবার দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এমন পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ শনিবার রাত সাড়ে আটটার মধ্যে ছাত্রদের এবং ছাত্রীদের রোববার সকাল আটটার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। 

জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টা ৪৩ মিনিটে ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের ইউনিটকে জেলা শাখা ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্ত ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। রাতেই আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ প্রতিবাদ জানিয়ে কলেজ গেটের সামনে মানববন্ধন করে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একটি অংশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। দুপুর একটার দিকে জেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বহিরাগতদের নিয়ে কলেজে প্রবেশ করলে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উত্তেজনা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। কলেজ ছাত্রলীগের অভিযোগ জেলা ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ কলেজে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। 

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন জানান, জেলা ছাত্রলীগের কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। মহানগর শাখার কতিপয় নেতাকর্মী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। 

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

এদিকে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমান উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বলা হয়, অনিবার্য কারণে কলেজের আইন শৃঙ্খলা ও হোস্টেল স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কলেজের আওতাধীন ছাত্র ও ছাত্রী নিবাস সমূহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অবস্থানরত ছাত্রদের শনিবার রাত সাড়ে আটটার মধ্যে এবং ছাত্রীদের রোববার সকাল আটটার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন