না.গঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার
jugantor
না.গঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে এটিএম কামালের বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা গেছে। তারা বলছেন, নির্বাচনে তৈমুর আলম খন্দকার জয়ী হলে এই বিএনপি ডেকে নিয়ে তাকে ও কামালকে ফুল দিয়ে সম্মান করত। কেন্দ্রীয় এসব সিদ্ধান্তের কারণেই নারায়ণগঞ্জে আজ বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান নি:শেষ হতে চলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, তৈমুরের নির্বাচনকে ঘিরে পুরো ২৭টি ওয়ার্ডে বিএনপির হামলা-মামলা খাওয়া কর্মীরা জেগে উঠেছিল। বিএনপি সাংগঠনিকভাবে শক্তির পরিচয়ও দিয়েছে। কিন্তু এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আর কোনো কর্মীকে রাজপথে টেনেও নামানো যাবে না।

এদিকে এ ব্যাপারে এটিএম কামালের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অবাক বিস্মিত। আমার নামে চিঠি অথচ এর আগেই কোনো মহল গণমাধ্যমে সেই চিঠি পাঠিয়ে দিল। আমি নিজেকে সব সময় শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মী। সেখান থেকে আমাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারবে না। যেহেতু দল করি তাই দলের যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসে আমি সেটা মাথা পেতে নেব।

উল্লেখ্য, এটিএম কামাল ছিলেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট। তিনি রীতিমতো নিজের দল ও প্রশাসনের চাপের মুখেও শেষ অবধি তৈমুরের পাশেই ছিলেন।

এদিকে কেন্দ্র থেকে ইস্যু হওয়া ওই চিঠিতে এটিএম কামালকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক আপনাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে নির্দেশক্রমে বহিষ্কার করা হলো। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

না.গঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে এটিএম কামালের বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা গেছে। তারা বলছেন, নির্বাচনে তৈমুর আলম খন্দকার জয়ী হলে এই বিএনপি ডেকে নিয়ে তাকে ও কামালকে ফুল দিয়ে সম্মান করত। কেন্দ্রীয় এসব সিদ্ধান্তের কারণেই নারায়ণগঞ্জে আজ বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান নি:শেষ হতে চলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, তৈমুরের নির্বাচনকে ঘিরে পুরো ২৭টি ওয়ার্ডে বিএনপির হামলা-মামলা খাওয়া কর্মীরা জেগে উঠেছিল। বিএনপি সাংগঠনিকভাবে শক্তির পরিচয়ও দিয়েছে। কিন্তু এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আর কোনো কর্মীকে রাজপথে টেনেও নামানো যাবে না।

এদিকে এ ব্যাপারে এটিএম কামালের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অবাক বিস্মিত। আমার নামে চিঠি অথচ এর আগেই কোনো মহল গণমাধ্যমে সেই চিঠি পাঠিয়ে দিল। আমি নিজেকে সব সময় শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মী। সেখান থেকে আমাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারবে না। যেহেতু দল করি তাই দলের যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসে আমি সেটা মাথা পেতে নেব।

উল্লেখ্য, এটিএম কামাল ছিলেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট। তিনি রীতিমতো নিজের দল ও প্রশাসনের চাপের মুখেও শেষ অবধি তৈমুরের পাশেই ছিলেন।

এদিকে কেন্দ্র থেকে ইস্যু হওয়া ওই চিঠিতে এটিএম কামালকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক আপনাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে নির্দেশক্রমে বহিষ্কার করা হলো। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর