‘পল্টন অফিসের কেউ কেউ চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় যাক’
jugantor
‘পল্টন অফিসের কেউ কেউ চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় যাক’

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:১২:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

নাসিকের পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, বিএনপির যারা আমাকে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে অব্যাহতি দিয়েছিল, এখন বহিষ্কার করেছে, এর অর্থ হলো তৈমুরকে ভোটটা দিও না। তারাই পল্টন অফিস থেকে আমার অনেক নেতাকে বলেছিল তৈমুরের পক্ষে যেও না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের বিএনপি তো ভোটটা দিবে, কাকে দিবে? তাদের কথা প্রমাণ হয় ভোটটা নৌকায় যাবে এটাই চেয়েছিল তারা।

তিনি বলেন, আমি ভাবতেও পারিনি দলীয় মহাসচিবের কথা কচু পাতার পানিতে পরিণত হবে। কারণ, মহাসচিব বলেছিলেন দলগতভাবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না কিন্তু কেউ ব্যক্তিগতভাবে স্থানীয় নির্বাচনে গেলে দলের কোনো আপত্তি থাকবে না। কেন্দ্র থেকে বা দল থেকে তো আমাকে একবারের জন্যও বলেনি আপনি নির্বাচন কইরেন না। তাহলে দলের যারা পল্টন অফিসে বসে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের আমার নির্বাচনে যেতে নিষেধ করেছিল তারা অবশ্যই চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় পরুক।

তৈমুর বলেন, দল আমাকে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে মুক্তি দিয়েছে, এখন আমার সামনে ২টি কাজই খুঁজে পেয়েছি। একটি হল যাকে আমি মায়ের মত শ্রদ্ধা করি দেশনেত্রী খালেদার উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং ভোট ডাকাতির মেশিন ইভিএম এর বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা’।

মঙ্গলবার বিএনপি থেকে বহিষ্কার করার পর বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়িতে গণমাধ্যমের সামনে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেত গিয়ে এসব কথা বলেন তৈমুর আলম খন্দকার।

দল থেকে করলেও বহিষ্কার করলেও দল পরিবর্তন করবেন না বা অন্য কোনো দলেও যোগ দেবেন না বলে জানিয়ে অ্যাডভোকেট তৈমুর বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করবো তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেন। ইতিহাসে আপনার নাম লেখা থাকবে। যদি অনুমতি না দেন, তবে কি বিপর্যয় হবে সেটা ভবিষ্যৎ বলে দিবে।

‘পল্টন অফিসের কেউ কেউ চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় যাক’

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাসিকের পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, বিএনপির যারা আমাকে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে অব্যাহতি দিয়েছিল, এখন বহিষ্কার করেছে, এর অর্থ হলো তৈমুরকে ভোটটা দিও না। তারাই পল্টন অফিস থেকে আমার অনেক নেতাকে বলেছিল তৈমুরের পক্ষে যেও না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের বিএনপি তো ভোটটা দিবে, কাকে দিবে? তাদের কথা প্রমাণ হয় ভোটটা নৌকায় যাবে এটাই চেয়েছিল তারা।

তিনি বলেন, আমি ভাবতেও পারিনি দলীয় মহাসচিবের কথা কচু পাতার পানিতে পরিণত হবে। কারণ, মহাসচিব বলেছিলেন দলগতভাবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না কিন্তু কেউ ব্যক্তিগতভাবে স্থানীয় নির্বাচনে গেলে দলের কোনো আপত্তি থাকবে না। কেন্দ্র থেকে বা দল থেকে তো আমাকে একবারের জন্যও বলেনি আপনি নির্বাচন কইরেন না। তাহলে দলের যারা পল্টন অফিসে বসে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের আমার নির্বাচনে যেতে নিষেধ করেছিল তারা অবশ্যই চেয়েছিল ভোটটা নৌকায় পরুক।

তৈমুর বলেন, দল আমাকে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে মুক্তি দিয়েছে, এখন আমার সামনে ২টি কাজই খুঁজে পেয়েছি। একটি হল যাকে আমি মায়ের মত শ্রদ্ধা করি দেশনেত্রী খালেদার উন্নত চিকিৎসার জন্য  এবং ভোট ডাকাতির মেশিন ইভিএম এর বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা’।

মঙ্গলবার বিএনপি থেকে বহিষ্কার করার পর বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়িতে গণমাধ্যমের সামনে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেত গিয়ে এসব কথা বলেন তৈমুর আলম খন্দকার।

দল থেকে করলেও বহিষ্কার করলেও দল পরিবর্তন করবেন না বা অন্য কোনো দলেও যোগ দেবেন না বলে জানিয়ে অ্যাডভোকেট তৈমুর বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করবো তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেন। ইতিহাসে আপনার নাম লেখা থাকবে। যদি অনুমতি না দেন, তবে কি বিপর্যয় হবে সেটা ভবিষ্যৎ বলে দিবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর