পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন: হারুন
jugantor
পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন: হারুন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৩:১১:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণে জাতিসংঘের কাছে একটা নোটিশ করেছে, সেটির আপডেট কী আমরা তা জানতে চাই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের যে সাত সদস্যের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটির সর্বশেষ কী অবস্থা এবং এটিকে কেন্দ্র করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যিকারার্থে আমি বলব কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন সংসদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনসংক্রান্ত খসড়া আইন জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। এই বিল উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বিএনপির বিরুদ্ধে দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে দলের এমপি হারুন অর রশিদ বলেন, আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব— আপনি আগামী অধিবেশনেই এ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিবৃতি দেবেন। নতুবা ধরে নেব সরকার ও সরকারের মন্ত্রীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনগণের মধ্যে এসব বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সরকার কোনো লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছে কিনা, দিলে কবে থেকে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ বিদেশে কোনো লবিস্ট নিয়োগ করেছে কিনা এবং বিএনপি কোনো লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছে কিনা, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তব্য উত্থাপন করবেন, এ দাবি আমরা করছি।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের যে নির্বাচন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এ কারণে সরকার লবিস্ট নিয়োগ করে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কিনা সেটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করবেন।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লবিস্ট নিয়োগের যে তথ্য উত্থাপন করেছেন, এর পর দেখলাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন পরশু দিন বললেন যে, র্যাব সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তার মানে বাংলাদেশের র্যাবের যে সদস্য তারা কি যুক্তরাজ্য কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য? এ বিষয়ে আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে সুস্পষ্ট বিবৃতি চাই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন: হারুন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ
সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণে জাতিসংঘের কাছে একটা নোটিশ করেছে, সেটির আপডেট কী আমরা তা জানতে চাই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের যে সাত সদস্যের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটির সর্বশেষ কী অবস্থা এবং এটিকে কেন্দ্র করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যিকারার্থে আমি বলব কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করে দিয়েছেন।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। 

এদিন সংসদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনসংক্রান্ত খসড়া আইন জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। এই বিল উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বিএনপির বিরুদ্ধে দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে দলের এমপি হারুন অর রশিদ বলেন, আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব— আপনি আগামী অধিবেশনেই এ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিবৃতি দেবেন। নতুবা ধরে নেব সরকার ও সরকারের মন্ত্রীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনগণের মধ্যে এসব বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সরকার কোনো লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছে কিনা, দিলে কবে থেকে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ বিদেশে কোনো লবিস্ট নিয়োগ করেছে কিনা এবং বিএনপি কোনো লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছে কিনা, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তব্য উত্থাপন করবেন, এ দাবি আমরা করছি। 

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের যে নির্বাচন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এ কারণে সরকার লবিস্ট নিয়োগ করে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কিনা সেটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করবেন।  

বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লবিস্ট নিয়োগের যে তথ্য উত্থাপন করেছেন, এর পর দেখলাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন পরশু দিন বললেন যে, র্যাব সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তার মানে বাংলাদেশের র্যাবের যে সদস্য তারা কি যুক্তরাজ্য কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য? এ বিষয়ে আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে সুস্পষ্ট বিবৃতি চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন