শিক্ষামন্ত্রীকে ডাবল মাস্ক পরে শাবিতে যাওয়ার পরামর্শ
jugantor
শিক্ষামন্ত্রীকে ডাবল মাস্ক পরে শাবিতে যাওয়ার পরামর্শ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:৩৮:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যকে (ভিসি) নিয়ে ক্যাম্পাসে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে শিক্ষামন্ত্রীকে প্রয়োজনে ডাবল মাস্ক পরে সেখানে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের এই সংসদ সদস্য এ পরার্মশ দেন।

সংসদে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ভাইস চ্যান্সেলর, হাউস টিউটরের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তারা ১১ দিন ধরে অনশনে আছেন, ১৬ জন ইতোমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেছেন। এতে কারও টনক নড়ছে না। শিক্ষামন্ত্রী আছেন, উনি বলেছিলেন যে, তোমাদের দাবিদাওয়া রেখে ঢাকায় এসো আমার সঙ্গে আলোচনা করতে।

বিরোধীদলীয় এই এমপি বলেন, আমরা সবাই ছাত্র আন্দোলন করে এসেছি, আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে কখনও কোনো ছাত্র কারও সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা আসবে না আমরা জানি। মন্ত্রীর উচিত ছিল ওখানে ডাবল মাস্ক পরে যাওয়া।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, প্রত্যেকটা ছাত্র আন্দোলন এ দেশে হয়েছে যৌক্তিকভাবে। যখনই যারা সরকারে থাকে, সে আন্দোলনকে তারা অযৌক্তিক মনে করে। ভিসি কোনো স্থায়ী পদ না যে, উনি চলে গেলে ওই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। একটা ভিসিকে সরাতে গিয়ে ছাত্ররা যদি অনশন করে এর চেয়ে দুঃখজনক কিছু নেই। বুঝতে হবে ভিসির ওপরে ছাত্রদের কোনো আস্থা নেই, বিশ্বাস নেই। তার জন্য কোনো ভালোবাসা নেই, শ্রদ্ধাবোধ নেই এবং থাকা উচিত না। উনার যদি বিন্দুমাত্র আত্মসম্মানবোধ থাকত, উনি অবশ্যই এখান থেকে সরে আসতেন। উনি জোর করে বসে আছেন পুলিশ ঘেরাও করে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্ররা গিয়েছিলেন হাউস টিউটরের সঙ্গে দেখা করতে, পারেন নাই। ছাত্রদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছেন হাউস টিউটর। সেখান থেকেই ঘটনার উৎপত্তি। তখন ছাত্রছাত্রীরা ভিসির কাছে গিয়েছিলেন, ভিসি তাদের সরিয়ে দিয়েছেন, কথা বলেননি। তার পরেই তারা আন্দোলনে। আন্দোলন করার পরই পুলিশ ডেকে আনল।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি কি আইয়ুব, মোনায়েম খানের আমল নাকি যে, কথায় কথায় পুলিশ আনবেন। লাঠিপেটা করল, কাঁদানে গ্যাস মারল আমরা দেখলাম। কেন এটার উৎপত্তি হলো, কোনো ছাত্র আন্দোলনকে ছোট করে দেখা উচিত না। আমি মনে করি, অবিলম্বে আর কোনো তদন্ত রিপোর্ট নয়, কারও সঙ্গে আলাপ-আলোচনা নয়; শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী আছেন ভাইস চ্যান্সেলরকে আজকের মধ্যেই ওখান থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে আসেন, ছাত্রদের ক্লাসে ফিরে যেতে সহায়তা করেন।

পাঁচ দিন বিরতির পর আজ বেলা ১১টায় একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশন আবার শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন।

শিক্ষামন্ত্রীকে ডাবল মাস্ক পরে শাবিতে যাওয়ার পরামর্শ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যকে (ভিসি) নিয়ে ক্যাম্পাসে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে শিক্ষামন্ত্রীকে প্রয়োজনে ডাবল মাস্ক পরে সেখানে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের এই সংসদ সদস্য এ পরার্মশ দেন। 

সংসদে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ভাইস চ্যান্সেলর, হাউস টিউটরের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তারা ১১ দিন ধরে অনশনে আছেন, ১৬ জন ইতোমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেছেন। এতে কারও টনক নড়ছে না। শিক্ষামন্ত্রী আছেন, উনি বলেছিলেন যে, তোমাদের দাবিদাওয়া রেখে ঢাকায় এসো আমার সঙ্গে আলোচনা করতে। 

বিরোধীদলীয় এই এমপি বলেন, আমরা সবাই ছাত্র আন্দোলন করে এসেছি, আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে কখনও কোনো ছাত্র কারও সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা আসবে না আমরা জানি। মন্ত্রীর উচিত ছিল ওখানে ডাবল মাস্ক পরে যাওয়া। 

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, প্রত্যেকটা ছাত্র আন্দোলন এ দেশে হয়েছে যৌক্তিকভাবে। যখনই যারা সরকারে থাকে, সে আন্দোলনকে তারা অযৌক্তিক মনে করে। ভিসি কোনো স্থায়ী পদ না যে, উনি চলে গেলে ওই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। একটা ভিসিকে সরাতে গিয়ে ছাত্ররা যদি অনশন করে এর চেয়ে দুঃখজনক কিছু নেই। বুঝতে হবে ভিসির ওপরে ছাত্রদের কোনো আস্থা নেই, বিশ্বাস নেই। তার জন্য কোনো ভালোবাসা নেই, শ্রদ্ধাবোধ নেই এবং থাকা উচিত না। উনার যদি বিন্দুমাত্র আত্মসম্মানবোধ থাকত, উনি অবশ্যই এখান থেকে সরে আসতেন। উনি জোর করে বসে আছেন পুলিশ ঘেরাও করে। 

তিনি আরও বলেন, ছাত্ররা গিয়েছিলেন হাউস টিউটরের সঙ্গে দেখা করতে, পারেন নাই। ছাত্রদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছেন হাউস টিউটর। সেখান থেকেই ঘটনার উৎপত্তি। তখন ছাত্রছাত্রীরা ভিসির কাছে গিয়েছিলেন, ভিসি তাদের সরিয়ে দিয়েছেন, কথা বলেননি। তার পরেই তারা আন্দোলনে। আন্দোলন করার পরই পুলিশ ডেকে আনল। 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি কি আইয়ুব, মোনায়েম খানের আমল নাকি যে, কথায় কথায় পুলিশ আনবেন। লাঠিপেটা করল, কাঁদানে গ্যাস মারল আমরা দেখলাম। কেন এটার উৎপত্তি হলো, কোনো ছাত্র আন্দোলনকে ছোট করে দেখা উচিত না। আমি মনে করি, অবিলম্বে আর কোনো তদন্ত রিপোর্ট নয়, কারও সঙ্গে আলাপ-আলোচনা নয়; শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী আছেন ভাইস চ্যান্সেলরকে আজকের মধ্যেই ওখান থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে আসেন, ছাত্রদের ক্লাসে ফিরে যেতে সহায়তা করেন।

পাঁচ দিন বিরতির পর আজ বেলা ১১টায় একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশন আবার শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন