নিষেধাজ্ঞার তকমা জাতির জন্য লজ্জাজনক: আসম রব
jugantor
নিষেধাজ্ঞার তকমা জাতির জন্য লজ্জাজনক: আসম রব

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:৫১:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আসম রব

জেএসডি সভাপতি আসম রব বলেছেন, গুম, হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনেরকারণে নিষেধাজ্ঞার যে ‘তকমা’সরকার অর্জন করেছে তা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এই নিষেধাজ্ঞা অর্থনৈতিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।

‘গুম, হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন: সংকটে রাষ্ট্র শীর্ষক বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় সভাপতির বক্তব্যে আসম রব এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে জেএসডি সভাপতি বলেন, ভবিষ্যতে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে সরকার বিরত না থাকে এবং দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়; তাহলে আরো বহু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার আওতা বৃদ্ধি হতে পারে।

গুম, বিচারবর্হিভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিকারে আসম রব ৭ দফা প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো—

১) রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা।

২) সংঘটিত গুম-খুনের শিকার ও ভুক্তভোগী পরিবারবর্গের পাশে সহানুভূতির সঙ্গে দাঁড়ানো এবং তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।

৩) জাতিসংঘ, দাতা দেশ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহ কর্তৃক বাংলাদেশে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে উত্থাপিত সব অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

৪) গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের পাঠানো অভিযোগসমূহের জবাব এবং তাদেরকে বাংলাদেশ সফরে আসার জন্য দ্রুত অনুমতি প্রদান করা।

৫) সব রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি কাজে সম্পৃক্তকরণ নিষিদ্ধ করা।

৬) বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন বিচারব্যবস্থা পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং

৭) বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ, সর্বোপরি গণতন্ত্র হত্যার দায়ে সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা।

জেএসডি আয়োজিত এ আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন, মোস্তফা মহসিন মন্টু, কমরেড সাইফুল হক,অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া এবং শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

নিষেধাজ্ঞার তকমা জাতির জন্য লজ্জাজনক: আসম রব

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আসম রব
আসম রব। ফাইল ছবি

জেএসডি সভাপতি আসম রব বলেছেন, গুম, হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে নিষেধাজ্ঞার যে ‘তকমা’ সরকার অর্জন করেছে তা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এই নিষেধাজ্ঞা অর্থনৈতিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। 

 ‘গুম, হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন: সংকটে রাষ্ট্র শীর্ষক বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় সভাপতির বক্তব্যে  আসম রব এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে জেএসডি সভাপতি বলেন, ভবিষ্যতে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে সরকার বিরত না থাকে এবং দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়; তাহলে আরো বহু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার আওতা বৃদ্ধি হতে পারে।

গুম, বিচারবর্হিভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিকারে আসম রব ৭ দফা প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো—

১) রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা।

২) সংঘটিত গুম-খুনের শিকার ও ভুক্তভোগী পরিবারবর্গের পাশে সহানুভূতির সঙ্গে দাঁড়ানো এবং তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। 

৩) জাতিসংঘ, দাতা দেশ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহ কর্তৃক বাংলাদেশে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে উত্থাপিত সব অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। 

৪) গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের পাঠানো অভিযোগসমূহের জবাব এবং তাদেরকে বাংলাদেশ সফরে আসার জন্য দ্রুত অনুমতি প্রদান করা। 

 ৫) সব রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি কাজে সম্পৃক্তকরণ নিষিদ্ধ করা। 

৬) বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন বিচারব্যবস্থা পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং

 ৭) বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ, সর্বোপরি গণতন্ত্র হত্যার দায়ে সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা।

জেএসডি আয়োজিত এ আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন,  মোস্তফা মহসিন মন্টু, কমরেড সাইফুল হক,অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া এবং শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন